
এই ছবিটি চট্টগ্রাম আদালতপাড়া থেকে তোলা।

এই ছবিটি ঢাকার।
দুই ছবিতে যাদের দেখানো হয়েছে তারা আসামী অথবা কোন শুনানীতে আদালতে এসেছিলেন। এদের দুজনেই আবার এসেছেন কারাগার থেকে, তার মানে কোন কারণে আগেই গ্রেফতার হয়ে।
প্রথম যে লোকটিকে দেখছেন তিনি মাদক মামলার আসামি আবুল হোসেন, দুই পা নেই। আমার একান্ত মতামত অনুযায়ী তার মতো একজন লোক ভিক্ষা না করে মাদক ব্যবসা করছেন তাও খারাপ না, নিজে করে খাচ্ছেন তো। যাই হোক মাদক মামলায় গ্রেফতার সেই লোকটিকেও হাতে হাতকড়া পড়ানো হয়েছিল, যদি পালিয়ে যায়!
সেই ঘটনায় তিন পুলিশকে থানা থেকে পুলিশ লাইনে সরিয়ে আনা হয়েছিল। দ্বিতীয় যে ছবিটি দেখছেন তিনি হলমার্ক মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন। গ্রুপটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর মাহমুদও কারাগারে আছেন কিন্তু আদালতে আসেন নিজের প্রাইভেট গাড়িতে। যদিও কোন আসামীকেই প্রিজন ভ্যান ছাড়া পরিবহনের অনুমতি নেই বলেই সংবাদে এসেছে।
সবচেয়ে অবাক হয়েছি সুস্থ, সবল এই মানুষটির হাতে কোন হাতকড়া নেই, কোমরে দড়ি নেই। আমি নিশ্চিত মাদক মামলার আসামী আবুলের দুই পা থাকলে তার কোমরে দড়ি থাকত। যাই হোক, সবচেয়ে অবাক হবার বিষয় কি জানেন, ভিডিওতে দেখা গেছে তানভীর পকেটে হাত রেখে হাটছে আর একজন পুলিশ কিছুটা দৌড়ে গিয়ে গাড়ির দরজা খুলে দিল!
আমি জানি, সংবাাদ যখন হয়েছে তখন এর বিচারও হবে। হয়তো সেই পুলিশকে বদলি করে দেয়া হবে বা পুলিশ লাইনে নেয়া হবে। কিন্তু এমন দালালি কখনোই বন্ধ হবে না।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




