somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অবশেষে সুন্দরবনে তেল সরানোর কাজ দ্রুত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ও কিছুটা দায় বিএনপির উপর দেয়া

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

নানা বিতর্কের পর আজ আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুন্দর বন থেকে তেল সরানোর কাজ আরো দ্রুত করতে আদেশ দিয়েছেন, দেরীতে হলেও দিয়েছেন এটাও একটি সান্তনা। কিন্তু সেই সান্তনা দিতে এসেও কাদা ছোড়ার খেলা খেলতে ভুলেন নি তিনি। এজন্য ২০০১ সালের বিএনপি সরকারকে কিছুটা দোষী করে গেলেন তিনি। তার মতে ২০০১ এ বিএনপি মংলা বন্দর বন্ধ ঘোষনা করার কারণে আজ এমন একটি ঘটনার জন্ম হলো।

মাননীয় প্রধান মন্ত্রী আপনারাওতো ২০০৯ থেকে আজ প্রায় সাত বছর ধরে আছেন, আপনি কী করেছেন? কেন আপনার গত আমলেও মংলা বন্দরকে চালু করলেন না? তেল যখন সবখানেই ছড়িয়ে গেল, তখনও আপনার মন্ত্রী কিছুই হুনি বলে দাবী করল আর চুপ করে থাকলেন? আজ শুধু একটি তাগিদ দিয়েই শেষ, তবে কী শুধু বিএনপিকে দোষী করতেই এসেছিলেন?

আজ স্বাধীনতার ৪৩ বছর পরেও বিতর্ক হয় যুগ্ধ নিয়ে। দুই দলেই শুধু নিজেদের মুক্তিযোগ্ধা আর অপরকে পাকিস্থানি এজেন্ট বলা নিয়েই ব্যাস্ত। খারাপ হলেও যাদের দল নিয়ে আজ আপনারা রাজনীতি করছেন তারা আপনাদের চেয়ে শতগুনে ভদ্র ছিল।

নিজেদের মুক্তিযোগ্ধা প্রমাণে ব্যাস্ত সবাই, অথচ বীরশ্রেষ্ঠদের সন্তানেরা আজও রেস্তোরায় কাজ করে জীবন চালাচ্ছে। যেখানে কোন দিবস এলেই আপনারা সবাই শহীদ মিনার আর সৃতিসৌধে গিয়ে এতো ফুল দেবার ছবি তোলেন, কই শেষ জীবনে স্থাপতি সৈয়দ মাইনুল ইসলামকে একটু সুচিকিৎসা দিতে পারলেন না। অথচ নানা অজুহাতেই আপনারা প্রতিমাসে বিদেশ যান, তাও বংশসহ, আর সৃতিসৌধের স্থপতি মারা গেল এমন অবহেলায়?

আজ সরকার পতন, আজ আন্দোলন। কেন একবারও বললেন না চলো সবাই মিলে সুন্দর বন, তেলের অপসারণে কিছু করি। তা পারেবন কেন, পারেনতো শুধু অন্যের দোষ খুজতে।

সবাইতো মজা করেছেন গোলাম আজমের সাথে, আলোচনা সভা, পার্টি। আজ এসেছেন দেশপ্রমিক হতে, সেদিন বুঝতাম যদি বলতে পারতেন এরা যুগ্ধঅপরাধী, এদের সাথে কোন কথা নয়। নিজ প্রয়োজনে সবাই ঠিক, আজও একদল চুপ করে আছে, আর একদলতো ফুল হাতে দাড়িয়ে জামায়াতের লোকদের দলে ভেড়াতে।

২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেশভাগ এবং ধর্ম- অধর্ম

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪



শীতের শেষে সমস্ত গাছের পাতা ঝরে পড়ে।
তখন পাতা ছাড়া গাছ একদম রুগ্ন মনে হয়। শুকনো পাতা দিয়ে মাটির পথ ঢেকে যায়। সেই পথ দিয়ে কোনো পথিক হেটে গেলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিরো থেকে হিরো (মহাজগৎ সংক্রান্ত) - পর্ব-১

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫০




কোন কিছুর অস্তিত্ববিহীন অসীম শূন্যে উদ্ভব ঘটেছে সকল বস্তু ও শক্তি উপাদানের। তাতে কোন স্থান না থাকায় উক্ত বস্তু ও শক্তি উপাদান সমূহ একে অপরের স্থান হয়েছে। সুতরাং... ...বাকিটুকু পড়ুন

শব্দের শক্তি, ভাষার মাধুর্য....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:৫২

এমিরেটস, কাতার এয়ার লাইন্স ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট রিক্রুটমেন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে গ্রুপ ডিসকাশন। গ্রুপ ডিসকাশনের সারমর্ম হচ্ছে—৬-৮ জন কয়েকটি গ্রুপে একটি নির্দিষ্ট টপিক নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করবে। নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বলুন - "হ্যালো আল্লাহ্‌, আমি এখনো বেঁচে আছি!"

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৫:৫৫

আপনার কাছে মনে হচ্ছে, আল্লাহ্‌ আপনার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।
তিনি আপনার দোয়া কবুল করছেন না।
আপনার কাছের মানুষকে দূরে সরিয়ে দিয়েছেন।
আপনার কোন চাকরী নাই। রিজিক ছোট হয়ে এসেছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

উচ্চবংশীয় ছাগল!

লিখেছেন রাজীব নুর, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:০৯



এককালে কেবল ঘড়িতেই বাজতো টিক টিক- টিক টিক;
বারবেলায় এসে দেখছি টিক টিক বলে কিছু নেই আর ঠিক ঠিক!
বরং 'টিকটক'- এ আকণ্ঠ বুদ হয়ে আছে আবালবৃদ্ধবনিতা!
মানুষের লম্ফঝম্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

×