somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জাতীয় পতাকা নিয়ে হঠকারিতা:

০৮ ই জুন, ২০০৬ দুপুর ১২:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমার পোস্টের শেষ কমেন্টটাতে বলা হয়েছে "যে বলেছে তারে ধরুন" গোছের কথায় বেশ হতাশ হলাম। জাতীয় পতাকা নিয়ে হঠকারিতার কোন সুযোগ নেই। আমার আগের পোস্টে যে 6টি প্রশ্ন আছে তা সহজ ও সরল ভাষায় লেখা। দেশের প্রতি নূ্যনতম ভালবাসা থাকলে দেশাত্মবোধ থাকলে জাতীয় পতাকা নিয়ে কেউ আপওিকর লিখলে তার প্রতিবাদে দলমত নির্বিশেষে এগিয়ে আসবে। যদিও সবাই মোটামুটি আন্তরিকভাবেই চেস্টা করেছে এটা বলার যে জাতীয় পতাকা নিয়ে বাঁদরামি করা অন্যায় কিন্তু আমি আরও সোচ্চার প্রতিবাদ আশা করেছিলাম। দেশ প্রেম যদি ঈমানের অংগ হয় তাহলে দেশের সাথে বেঈমানী করলে তো মীরজাফর ও মুনাফেকদের কাতারে গিয়ে দাাঁড়াতে হয়। একথা বুঝার লোকের কি সত্যি অভাব পড়েছে?

ইসলামের নামে যারা গণহত্যা চালায় আর নৃশংসতা করে তাদের ব্যাপারে নিস্পৃহ থেকে কি ইসলাম কপচানো যায়? এই তো সেদিন শিবির নেতা সালেহী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ শিক্ষককে হত্যা করে এখন ফেরারী হয়ে আছে। কই ইসলাম নিয়ে যারা সারাদিন মায়াকান্না করেন তারাতো এর প্রতিবাদ করতে সোচ্চার হন না? বরং জামাতীরা বলেন, সালেহীর কিছু হলে তারা জোট সরকার ছেড়ে দিবেন। জানেন কী, ইসলাম যদি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান হিসেবে মেনে নেন তাহলে রাজনৈতিক ইসলাম বা দলভিওিক ইসলাম প্রবর্তন করে পূর্ণাঙ্গ ইসলামের বিধানকে খন্ডিত করার কোন সুযোগ নেই। ইসলামে নতুন দল প্রবর্তন যদি বেদায়াত হয় তাহলে তাকে মেনে নেন কেন? আর যদি তর্কের খাতিরে বলেন এটা বেদায়াতে হাসানাহ তাহলে প্রশ্ন যে, এধরণের গণহত্যার অপকর্ম যদি রাজনৈতিক ইসলামের চেহারা হয় তাহলে তো এধরণের ইসলাম দিয়ে হাসানাহ, শান্তি আর মুক্তি আসবে কিভাবে?

যেমনটা আমার মন্তব্যে বলেছি, ধর্মের ব্যাপারে আমার কোন এলার্জি নেই। ধর্ম কারো ক্ষতি করে না। কিন্তু ধর্মকে খন্ডিত করে যখন সুবিধাবাদী রাজনৈতিক ইসলামের প্রবর্তন হয়, তখন তা শুরু করে অনাচার, নৃশংসতা, হত্যা আর নির্যাতন। দেশকে ভালবাসার জন্য মুসলমান হতে হয় না, কিন্তু প্রকৃত মুসলমানরা নিজের দেশকে কখনও হেয় করে না। বলুন তো, জামাত পরিচালিত ক'য়টি স্কুলে জাতীয় সংগীত বাজানো হয়? অথচ কঠোর শরীয়াহ আইনেও জাতীয় সংগীতকে সিদ্ধ হিসেবে স্বীকার করা হয়েছে। এই হচ্ছে খন্ডিত ও রাজনৈতিক ইসলামের চেহারা। হয়তোবা আগামীদিনে নতুন প্রজন্মের জামাতী-শিবিররাই ঝেঁটিয়ে বিদায় করবে রাজাকার যুদ্ধাপরাধীদের যাতে তাদের কারণে অন্তত: রাজনৈতিক ইসলাম ম্লান না হয়। ধার্মিক হওয়া খুব ভাল যদিও বকধার্মিক খুবই বিপজ্জনক যার নমুনা এদেশে প্রতিনিয়ত দেখা যায়।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুন, ২০০৬ রাত ১০:৩৯
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ছবি ব্লগ

লিখেছেন সামিউল ইসলাম বাবু, ০৬ ই মে, ২০২৬ ভোর ৫:৩৫

আমার ভালোলাগা কিছু ছবি নিচে শেয়ার করা হলো। একটা আায়াত জানলেও তা অপরের কাছে পৌঁছে দাও(আল-হাদিস

পৃথিবীতে কেও আপন নয়। একমাত্র মহান আল্লাহ তায়ালা ব্যতিত। তাই ভালো মন্দ সকল বিষয়েই কথা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার বেঁচে আছে?

লিখেছেন শূন্য সারমর্ম, ০৬ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১:০২





আপনার মা/বাবা বেঁচে থাকলে আপনি এখনো সৌভাগ্যবান -এরকম ভাবনা হয়তো ৯৮ ভাগ মানুষ ভাবে। মা/বাবা নিয়ে মানুষের ইমোশন, সংগ্রাম নিয়ে সবাই কিছু কিছু লিখতে পারবে, বা মুখে বলতে পারবে। গোর্কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়: সব কিছু ভেঙে পড়ে

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৬ ই মে, ২০২৬ দুপুর ২:২৮


"তোমরা যেখানে সাধ চলে যাও - আমি এই বাংলার পারে
র’য়ে যাব; দেখিব কাঁঠালপাতা ঝরিতেছে ভোরের বাতাসে;
দেখিব খয়েরি ডানা শালিখের..."

জীবনানন্দ দাশ ''রূপসী বাংলা'র কবিতাগুলো বরিশালে তাঁর পৈতৃক বাড়িতে বসে লিখেছিলেন। জীবনানন্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার কারণে দিদি হেরেছন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৬ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:০৩




আপা এপারের হিন্দুদেরকে স্নেহ করতেন তাতে ওপারের হিন্দু খুশী ছিল। আপা ভারতে বেড়াতে গেলে মোদীর আতিথ্যে আপা খুশী। কিন্তু আপার আতিথ্যে দিদি কোন অবদান রাখলেন না। তাতে হিন্দু... ...বাকিটুকু পড়ুন

লেখালিখি হতে পারে আপনার বিক্ষিপ্ত মনকে শান্ত করার খোরাক।

লিখেছেন মাধুকরী মৃণ্ময়, ০৬ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৪:২৯

এই যেমন আমি এখন লিখতে বসছি। সর্বশেষ লিখেছি ২০২১ সালে জুলাই এর দিকে। লিখতে গিয়ে আকাশে বাতাসে তাকাচ্ছি, শব্দ, বিষয় খুজছি। কিন্তু পাচ্ছি না। পাচ্ছি যে না , সেইটাই লিখছি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×