নানান ব্যস্ততার ছকে বাঁধা এই জীবণ। তার ফাঁকে সময় করে লিখতে বসি আড্ডায়। মনের মাঝে উঁকি দেয় হাজার ভাবনা। কিন্তু হায়! সময় কোথায়? তাই, মাঝে মাঝে পালিয়ে যাই সবার কাছ থেকে। মোবাইল ফোন ছুঁড়ে ফেলি অন্য দিকে। সঙ্গী করে নেই কাগজ, কলম, ল্যাপটপ ও বুদবুদের মতো জেগে উঠা ভাবনাকে। সবাই বলে, কী হবে লিখে? খুব ম্ভবত কিছুই না। তারপরেও লিখতে মন চায়। লিখতে মন চায় শিল্প বিপ্লব থেকে তথ্য বিপ্লবে আমাদের অকল্পনীয় উওরণ নিয়ে। মন চায়, আড্ডার পাতায় তুলে ধরি বাঙালীর আত্মপরিচয়, নবজাগৃতি, ঐতিহ্য, ইতিহাস সচেতনতা, ধমর্ান্ধতা, সামাজিক মূল্যবোধে নেতিবাচক বিবর্তন, অস্থিরতা, অসহনীয় দারিদ্র, বৈষম্য, রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা ও গণতন্ত্রের সংকট।
পরিবর্তন আসে ভাবনার হাত ধরে, নতুন চেতনার বিকাশের মাঝ দিয়ে, আর আত্মোপলদ্ধির ধারাবাহিকতায়। অসচেতনতা, স্থবিরতা ও স্বার্থবাদিতার বিসর্জনে চাই নতুন অঙ্গীকার। বড়ই অভাগা এদেশ। প্রতিনিয়ত আমরা হই প্রতারিত ও অপমানিত। কিন্তু তারও আছে প্রতিকার। নীরবে আমি রবীন্দ্রনাথে কবিতার ক'টি লাইন আওড়াতে থাকি:
"হে মোর দুভর্াগা দেশ, যাদের করেছ অপমান
অপমানে হতে হবে তাহাদের সবার সমান।
মানুষের অধিকারে বঞ্চিত করেছ যারে,
সম্মুখে দাঁড়ায়ে রেখে তবু কোলে দাও নাই স্থান,
অপমানে হতে হবে তাহাদের সবার সমান
.যারে তুমি নীচে ফেল সে তোমারে বাধিঁবে যে নীচে,
পশ্চাতে রেখেছ যারে সে তোমারে পশ্চাতে টানিছে।
অজ্ঞানের অন্ধকারে আড়ালে ঢাকিছ যারে
তোমার মঙ্গল ঢাকি গড়িছে সে ঘোর ব্যবধান।
অপমানে হতে হবে তাহাদের সবার সমান..."

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

