somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হযরত ইব্রাহীমের (আ.) কুরাইশ আহলে বাইতের মধ্যে হযরত আলীর (রা.) মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্বের সময় সবচেয়ে কম

২৮ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

সূরাঃ ১১ হুদ, ৬৯ নং থেকে ৭৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৯। আমার ফিরিশতাগণ তো সুসংবাদ নিয়ে ইব্রাহীমের নিকট এসেছিল। তারা বলল, সালাম, সেও বলল, সালাম।সে অবিলমন্বে এক কাবাবকৃত গো-বৎস নিয়ে আসলো।
৭০। সে যখন দেখলো তাদের হাত এর দিকে প্রসারিত হচ্ছে না, তখন সে তাদেরকে অবাঞ্চিত মনে করলো এবং তাদের সম্বন্ধে তার মনে ভীতি সঞ্চার হলো। তারা বলল, ভয় করবে না, আমরা তো লুতের সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি।
৭১। তার স্ত্রী দন্ডায়মান ছিল। অতঃপর সে হেসে ফেলল। অতঃপর আমি তাকে ইসহাকের এবং তার পরবর্তী ইয়াকুবের সুসংবাদ দিলাম।
৭২। সে বলল, কি আশ্চর্য! সন্তানের জননী হব আমি? যখন আমি বৃদ্ধা এবং আমার স্বামী বৃদ্ধ! এটা অবশ্যই এক অদ্ভুত ব্যাপার!
৭৩। তারা বলল আল্লাহর কাজে তুমি বিস্ময় বোধ করতেছ? হে আহলে বাইত তোমাদের প্রতি রয়েছে আল্লাহর রহমত ও বরকত । তিনিতো প্রশংসিত সম্মানিত।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।

* এখানে আমি কিছু বলি নাই, যা বলার আল্লাহ বলেছেন। ইতিহাস হিসাবে রাসূল (সা.) সহ আটাত্তর জন হযরত ইব্রাহীমের (আ.) কুরাইশ আহলে বাইত মুসলিম বিশ্বের শাসন ক্ষমতা পেয়েছেন। তারমধ্যে হযরত আলীর (রা.) ভাগে আল্লাহর রহমত ও বরকত কম পড়েছে।কারণ ক্ষমতা প্রাপ্তির অল্প পরেই খেলাফতের একাংশ তাঁর হাত ছাড়া হয়। রাসূল (সা.) হযরত আলীর (রা.) পক্ষ নেওয়ার পর অল্প কিছু দিন পরেই ইন্তেকাল করেন। রাসূলের (সা.) কোন কাজই আল্লাহর অপছন্দ ছিল না ঘটনা কিন্তু এমন নয়।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।

সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

* হযরত আলীর (রা.) ক্ষমতা গ্রহণের পর মুসলিমদের তিনটি দল তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হয়। এর মধ্যে খারেজীরা তাঁকে কাফের ফতোয়া দিয়ে হত্যা করে। খারেজিরা হযরত আলীর (রা.) প্রতিপক্ষ হযরত মুয়াবিয়াকেও (রা.) হত্যার চেষ্টা করে সফল হয়নি। হযরত মুয়াবিয়াকে (রা.) আল্লাহ মানুষ হতে রক্ষা করে বিশ বছর মুসলিম বিশ্বের শাসন ক্ষমতা প্রদান করেছেন।হযরত আলীর (রা.) হত্যার পর তাঁর আহলে বাইতের মধ্যে হত্যাকান্ড চলমান আছে। ইদানিং তাঁর আহলে বাইত আলী খামেনীকে হত্যা করা হয়েছে।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।


সূরাঃ ২১ আম্বিয়া, ৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭। তোমার পূর্বে আমি ওহীসহ পুরুষ পাঠিয়েছিলাম; তোমরা না জানলে আহলে যিকরকে (যিকর সমৃদ্ধ)জিজ্ঞাসা কর।

সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।

* ওহীবাহক হয় পুরুষ এবং চল্লিশ বছর বয়সি। সে হিসাবে রাসূলের (সা.) একমাত্র ওহীবাহক আহলে বাইত তাঁর চাচা হযরত আব্বাস (রা.)। কোন মুসলিমের সাথে তাঁর কোন বিরোধ ছিল না। তাঁর বংশে আল্লাহ মুসলিম বিশ্বের ক্ষমতা দিয়েছেন প্রায় আটশত বছর। হযরত ইব্রাহীমের (আ.) আর কোন আহলে বাইত বংশ এমন দীর্ঘ সময় মুসলিম বিশ্বের ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়নি। সুতরাং হযরত আব্বাস (রা.) ও তাঁর আহলে বাইত হযরত ইব্রাহীমের (আ.) আহলে বাইতের মধ্যে সবচেয়ে বেশী আল্লাহর রহমত ও বরকত প্রাপ্ত। তাঁদের অনুসারী হানাফী দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম।কিন্তু হযরত আলী (রা.) ও তাঁর আহলে বাইত সবচেয়ে বেশী লানত প্রাপ্ত। এরা মহানবির (সা.) সাহাবায়ে কেরামকে (রা.) যেসব লানত দেয় সে সব লানত জমা হয়ে তাদের দিকেই ফিরে আসে। এরা বিভিন্ন শিয়ায় বিভক্ত।আল্লাহর পক্ষ থেকে এদের ব্যবস্থা হচ্ছে হত্যাকান্ড। এখন ইসরায়েল-আমেরিকা এদের সাথে যুদ্ধ করে উভয় পক্ষের অস্ত্রের মৌজুদ খরচ করছে যাতে অবশিষ্ট বিশ্ব শান্তিতে থাকতে পারে।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। সদকা বা যাকাত ফকির, মিসকিন, এর কর্মচারী, মোয়াল্লাফাতে কুলুব (অন্তর আকৃষ্ট),দাসমুক্তি, ঋণ পরিশোধ, আল্লাহর পথে ও মুসাফিরের জন্য। এটা আল্লাহর বিধান। আল্লাহ সর্বজ্ঞ সুবিজ্ঞ।
সূরাঃ ১১০ নাসর, ১ ও ২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় আসবে।
২। আর তুমি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দীনে প্রবেশ করতে দেখবে।

* ইসলামের সবচেয়ে বড় মোয়াল্লেফাতে কুলুব হলেন হযরত মুয়াবিয়া (রা.)। রাসূল (সা.) তাঁকে খুশী করতে একশত উট উপহার দেন এবং তাঁকে ওহী লেখক পদে নিয়োগ দিয়ে সম্মানিত করেন। মক্কার এ রাজপুত্র তাঁর বন্ধু খালিদ সাইফুল্লাহ (রা.). আমর ইবনুল আস (রা.), মুগিরা বিন শোবা (রা.) ও ওসমান বিন তালহা (রা.) সহ ইসলাম গ্রহণ করলে মক্কা মুসলিমদের সাথে যুদ্ধ করার সক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। তখন খালিদ সাইফূল্লাহ (রা.) মক্কা জয় করেন। আল্লাহর ঘর যারা শত্রুমুক্ত করেছে আল্লাহ তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট। হযরত মুয়াবিয়া (রা.) ও তাঁর বন্ধুগণ পরে আল্লাহর চমৎকার রহমত ও বরকত প্রাপ্ত হয়েছেন। কিন্তু তাঁদের বিরোধী হযরত আলী (রা.), তাঁর প্রিয়জন, পরিবার, ভক্ত ও অনুসারী অব্যাহত ভাবে হত্যাকান্ডের শিকার হচ্ছে।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ৪০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪০। যদি তোমরা তাঁকে সাহায্য না কর, তবে আল্লাহতো তাঁকে সাহায্য করেছিলেন যখন কাফিরগণ তাঁকে ধাওয়া করেছিল (হত্যা করার জন্য), আর তিনি ছিলেন দু’জনের মধ্যে দ্বিতীয় জন। যখন তাঁরা উভয়ে গুহার মধ্যে ছিলেন, তিনি তখন তাঁর সঙ্গিকে বলেছিলেন, তুমি বিষণ্ন হয়ো না, নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন।অতঃপর তাঁর উপর আল্লাহ তাঁর প্রশান্তি নাজিল করেন এবং তাঁকে শক্তিশালী করেন এমন সৈন্যবাহিনী দ্বারা যা তোমরা দেখনি।আর তিনি কাফেরদের কথা তুচ্ছ করে দেন।আর আল্লাহর কথাই সুউচ্চ। আর আল্লাহ পরাক্রমশালী সুবিজ্ঞ।

সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।

সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।

* রাসূলকে (সা.) যাঁরা সাহায্য করে তাঁরা রাসূলের (সা.) সহচর। হযরত মুয়াবিয়া (রা.) রাসূলকে (সা.) সাহায্য করে তাঁর থেকে সবচেয়ে বড় পুরস্কার পেয়েছেন।সুতরাং তিনি রাসূলের (সা.) বড় সহচর। তাঁকে মোনাফেক বলা কুফুরী। যারা এমন করে তারা আল্লাহ ও রাসূলের (সা.) সাথে মতভেদ করে।তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।তাদের সে মহাশাস্তি হলো জাহান্নাম।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে একশত জন থাকলে এক হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে।কারণ তারা বোধশক্তিহীন সম্প্রদায়।
৬৬। আল্লাহ এখন তোমাদের ভার লাঘব করলেন।তিনিতো অবগত আছেন যে তোমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে একশত জন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তারা দুই হাজারের উপর বিজয়ী হবে।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।

* মুসলিম বিশ্বের শাসকদের সবাই হযরত ইব্রাহীমের (আ.) আহলে বাইত। তাদের মধ্যে যারা রাসূলের (সা.) সহচর তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী বিশ বছর মুসলিম বিশ্বের শাসক ছিলেন হযরত মুয়াবিয়া (রা.)। তিনি হযরত আলীর (রা.) বরখাস্ত আদেশ অগ্রহ্য করার সাথে সাথেই হযরত আলীর (রা.) মুসলিম বিশ্ব শাসনের অবসান ঘটে। সে হিসাবে হযরত আলীর (রা.) মুসলিম বিশ্ব শাসনের সময় কাল সাহাবার (রা.) মধ্যে সবচেয়ে কম। এ ক্ষেত্রে প্রথমস্থানে আছেন হযরত মুয়াবিয়া (রা.), দ্বিতীয় স্থানে হযরত ওসমান (রা.), তৃতীয় স্থানে হযরত ওমর (রা.) চতুর্থ স্থানে হযরত আবু বকর (রা.) এবং পঞ্চম স্থানে হযরত আলীর (রা.) অবস্থান। রাসূল (সা.) মুসলিমদের ক্ষমতায় ছিলেন তেইশ বছর।এখানে তাঁকে সাহাবা (রা.) থেকে আলাদা রাখা হয়েছে। কারণ তিনি তাঁদের সাথে তুলনীয় নন। হযরত আলী (রা.) ও তাঁর আহলে বাইত হত্যাকান্ডের মধ্যে বিদ্যমাণ। হযরত ইব্রাহীমের (আ.) আহলে বাইত হযরত আব্বাসের (রা.) আহলে বাইতের মুসলিম বিশ্ব শাসনের সময় কাল প্রায় আটশত বছর। তাঁদের প্রতিষ্ঠিত হানাফীদের মুসলিম বিশ্ব শাসনের সময় কাল প্রায় এগারশ বছর। হানাফীরা সকল সময় মুসলিমদের দুই তৃতীয়াংশে অবস্থান করছে। মুসলিমদের অধিকাংশ অঞ্চল, রাষ্ট্র ও জনসংখ্যা হানাফীদের। তাদের পাকিস্তানের হাতে শত্রুকে সন্ত্রস্ত রাখার পারমানবিক অস্ত্র রয়েছে। বিশ্ব জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছে হানাফী। মুসলিমগণ হযরত আলীকে (রা.) সম্মানের স্থানে রাখবে। কারণ তিনি আসাদুল্লাহ। তবে তিনি ও তাঁর আহলে বাইতের বদলে তাঁর চাচা হযরত আব্বাস (রা.) ও তাঁর আহলে বাইতের অনুসরনই মুসলিম জাতির জন্য স্রেয়। বাংলাদেশে এমন আহলে বাইত হলেন ড. এনায়েত উল্লাহ আব্বাসী। আর হযরত আলীর (রা.) আহলে বাইত চরমোনাইর পীর। অনুসরনের জন্য চরমোনাই পীর থেকে ড. এনায়েত উল্লাহ আব্বাসী স্রেয় মনে হয়। দোষের কথা বললে দোষ সবার মাঝে আছে।সুতরাং দোষের হিসাব বাদ দিয়ে কে বেশী ভালো সেইটা দেখে অনুসারী হতে হয়।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:৩০
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

যে শহরে বৃষ্টি নেই

লিখেছেন রিয়াজ দ্বীন নূর, ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:৩০



শহরটা নিচে। অনেক নিচে। রিকশার টুংটাং, বাসের হর্ন, কারো হাসির শব্দ, কারো ঝগড়ার শব্দ — সব মিলিয়ে একটা জীবন্ত শহর। কিন্তু রিয়াজের কাছে এই সব শব্দ এখন অনেক দূরের।... ...বাকিটুকু পড়ুন

Dual Currency Card Needed for Meta Monetization. Urgent National Interest.

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:৪৬

ছবি

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে আছি প্রায় চল্লিশ মিনিট। এক জায়গায় এতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলে সাধারণত দুই ধরনের সন্দেহ হয়- এক, লোকটা কিছু করতে এসেছে। দুই, লোকটার করার কিছু নেই। আমি কোনোটাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

’দেশ বিক্রির অভিযোগ, কাঠগড়ায় ইউনূস–জামাত–বিএনপি–এনসিপি”

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:১৩

’দেশ বিক্রির অভিযোগ, কাঠগড়ায় ইউনূস–জামাত–বিএনপি–এনসিপি”
==========================================
চুক্তি মানেই তো স্বার্থের ভারসাম্য। কিন্তু সেই ভারসাম্য যখন দেশের স্বার্থকে উপেক্ষা করে, তখন সেটি আর চুক্তি থাকে না প্রশ্নবিদ্ধ সমঝোতায় পরিণত হয়। ইউনূসের শেষ সময়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

গুপ্তদের সকল অপকর্মের তদন্ত হোক....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:৪৮


সময় যত যাচ্ছে, ততই বেরিয়ে আসছে অস্বস্তিকর সত্য!
সময় গড়িয়ে যাচ্ছে- আর অতীতের অনেক ঘটনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ, সাক্ষ্য ও তথ্য সামনে আসছে-
যেখানে দেখা যাচ্ছে, আওয়ামী... ...বাকিটুকু পড়ুন

হযরত ইব্রাহীমের (আ.) কুরাইশ আহলে বাইতের মধ্যে হযরত আলীর (রা.) মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্বের সময় সবচেয়ে কম

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:৫৯



সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×