(আড্ডার ইংরেজী ভার্সনে প্রকাশিত হয় সেপ্টেম্বর 30, 2005)
খবর পড়ি, শুনি ও দেখি, ব্লগ পড়ি, বন্ধুদের সাথে কথা বলি। সারি সারি মন্তব্য, শুভেচ্ছা, অভিযোগ-অনুযোগ পাই। দেখি লোভ, বঞ্চনা, অসহায়ত্ব, নির্জনতা, শএুতা, ক্রোধ, উওেজনা, আশংকা আমাদের মন, আমাদের সমাজ আর এই বিশ্বকে বিষিয়ে রেখেছে। আমাদের বেদনার ছায়া হচ্ছে দীর্ঘতর ও গভীরতর। হঠাৎ আমরা বাস করতে চাই ইতিহাসে, গেয়ে উঠি এরিক ক্ল্যাপটনের কন্ঠে, "যদি এ বিশ্বকে দিতে পারতাম বদলে..." ।
বাংলাদেশে সচেতন ও বিবেকবানদের কন্ঠস্বর চলমান ভাঁড়ামি ও নস্টামির জোয়ারে বিলুপ্ত হওয়ার পথে। সত্য কি বজ্রপাতের মতো প্রদীপ্ত হতে পারে না? সেই দিব্যালোক এদেশের বিপথগামী অন্ধদের চোখ উন্মোচন করে দিতে পারে না যারা এদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যকে অস্বীকার করার জন্য অন্ধত্বের ভান ধরে। সত্যি সত্যি অন্ধ হওয়ার চেয়ে অন্ধের ভান ধরে অবসন্ন হয়ে থাকাটা অনেক বেশী কস্টকর। সত্য সবসময়ই চুড়ান্ত, এর নেই কোন বিকল্প। অভাগা সক্রেটিস তার জীবন বিসর্জন দিলেন "নিজেকে জান" মূর্খদের এই শিক্ষা দিতে। আমাদের অহংকার বাস করে সত্যের সিঁিড়তে, মিথ্যে অহমিকা, অজ্ঞতা ও অন্ধত্বের হাওয়া ভবনে নয়। তাই অন্ধ পক্ষপাতিত্বের চাই অবসান, চাই বিবেক-বুদ্ধির শাসন। আমাদের আত্মা ও সচেতনতা দোকানে সাজানো পণ্যের মতো বিক্রির জন্য নয়, আমাদের জগত এখনো মৃতদেহের মতো অসার নয় অজ্ঞানতা ও অন্ধত্বের বিষনিশ্বাসে। আজ থেকে 4700 বছর আগে পৌরাণিক যোদ্ধা গিলগামেশের লেখা সঞ্চার করে সাহস, জ্বালায় আত্মবিশ্বাসের নতুন প্রদীপ:
"তুমি অবশ্যই ফিরে আসবে,
তোমার ক্ষতিকে পুষিয়ে নিতে
নিজের হাতে তোমার পৃথিবীকে
নতুন করে নির্মাণ করতে,
আমি ঈষর্া করি,
আমি ঈষর্া করি তোমার স্বাধীনতাকে..."
আসুন, স্বাধীনভাবে চিন্তা করি অন্ধত্বকে ঘুচাতে, সত্যের আলো জাগাতে ও ধর্মান্ধ মূর্খদের নির্বাসনে পাঠাতে...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

