সামহোয়্যার ইন একটা অসম্ভবকে সম্ভব করল। সবাইকে মুক্ত চিন্তা প্রকাশের অপূর্ব সুযোগ করে দিল। এখন আমরা সবাই হরেক রকম লেখার বাহার ও মন্তব্যের ফুলঝুড়ি দিয়ে অলংকৃত করছি লেখার পাতাগুলো। লেখার অভ্যাস তো একদিনে তৈরী হবে না। এটা একটা ক্রমাগত প্রয়াস-প্রচেস্টা। ভাবনা প্রকাশে প্রয়োজন সাধ্য-সাধনা। কিন্তু লিখব কি নিয়ে? লেখার আর চিন্তার কোন পরিধি নেই, নেই সীমানা। তাই খুঁজি বৈচিএ্য। চাই সুস্থ বিনোদন। চাই স্বাধীন চিন্তার সুযোগ, সহনশীলতার চর্চা। মুক্তবুদ্ধির অনুশীলন একদিনে গড়ে উঠে না। মুক্তবুদ্ধির বিপরীতে অবস্থান করে ধমর্ান্ধ হাতে গণা ক'জনার আনাগোণা।
ধমর্ান্ধ আবেগ তাড়িত বুদ্ধি আর মুখস্থ বুলিপড়া ভাবনার বাইরে এখানে এদের পা এগোয় না। সমালোচনায় এরা বড়ই সিদ্ধহস্ত। অন্যকে অপদস্থ করতে পারলে মুখে ফুটে বিজয়ের হাসি। ময়ুরের পাখা লাগালেই কি ময়ূরী হওয়া যায়? সে ধরণের ময়ূরীদের ভাবনা খসে পড়ে রাস্তার আবর্জনার পাশে। পশ্চাদপদ ধমর্ান্ধ মনন দিয়ে তো আর মুক্তচিন্তা হয় না। নিজের স্বার্থে আর রাজনৈতিক সমীকরেেণর সমান্তরালে এদের লেখা হয়ে দাঁড়ায় সংকীর্ণ চিন্তা বিভ্রাট। চিন্তার স্থূলতা বাস করে সেই সংকীর্ণ ভাবনার পরিসরে। প্রলাপ বকে, মতিচ্ছন্ন আচরণ করে এরা। কিন্তু গুটিকয়েক স্থূলবুদ্ধির মোটা মাথার ধমর্ান্ধ পরাজীবির প্রলাপের সাথে আমরা বিসর্জন দিতে পারি না আমাদের সুবুদ্ধি। ধমর্ান্ধ এরা পাগোল বা পা লম্বা প্রাণী হোক আপওি নেই, নির্বিকার হয়ে থাকুন এদের প্রলাপে। এরা অনাহুত অতিথি, এদের কথা হচ্ছে মুক্ত ভাবনায় একঝাঁক সাময়িক নোংরা আবর্জনা। পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত এদের অবস্থান...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

