(রাজাকারমুক্ত চিন্তার দিগন্ত)
যে লোক ঘুমিয়ে থাকে, তাকে ঘুম থেকে জাগানো যায়। আর যে লোক জেগে ঘুমিয়ে থাকে তাকে জাগাবেন কিভাবে? জঙ্গীবাদী ও যুদ্ধাপরাধী জামাতীরা অনেক কোমলমতির মতিভ্রম ঘটিয়েছে, তা ইদানীং ভাল করে দেখা যায়। এরা না জানে ইতিহাস, না জানে ধর্ম। মুরুব্বী জামাতীদের মুখস্থ করা বুলির বাইরে আর কিছুই আওড়াতে পারেনা। ধর্মটা এদের কাছে মোরব্বার মতো যার স্বঘোষিত হোলসেল এজেন্ট হচ্ছে জামাত-শিবির ও ধিকৃত রাজাকারবৃন্দ। কি বিচিএ সেলুকাস!!
কথাটা উঠে এসেছিল আমার জানুয়ারীর 15 তারিখের লেখার ভিওিতে। জেএমবি'র সদস্যদের কাছে জামাতী সাঈদীর সুরেলা কন্ঠের জেহাদী জোশের ক্যাসেট-বই পাওয়া গেছে বলে পএিকায় খবর এসেছে। প্রসঙ্গক্রমে বলা হয়, জামাতের গুরু মওদুদীর ফাঁিসর আদেশ হয়েছিল এধরণের জেহাদী জোশের প্রচারণায় কাদিয়ানী হত্যার অপরাধে। আমার সহজ প্রশ্নটা ছিল, যদি প্রমাণিত হয় যে সাঈদীর ব্যবসায়িক জেহাদী ক্যাসেট জেএমবি'র আত্মঘাতী হামলার পেছনে প্রেরণার উৎস, তাহলে জেহাদ ব্যবসায়ী সাঈদী কি পারবেন দায়-দায়িত্ব এড়াতে? হবে কি তার বিচার?
আমার এই সহজ প্রশ্নের উওর তো দেয়া সম্ভব নয় নব্যরাজাকারদের পক্ষে। তাই, পরের লেখায় দেখি, তুলোধুনো করা হলো সাবের হোসেন চৌধুরীকে, আওয়ামী লীগকে আর ভোরের কাগজকে। কি চমৎকার কৌশল! কি বিভ্রান্ত ভাবনা! কি ভয়াবহ ভন্ডামি! কিন্তু আশার কথা হচ্ছে, জামাতী মৌলবাদী ভাবনায় যাদের ব্রেইন সেল প্যারালাইজড্ হয়ে আছে, তাদের জন্য আমার লেখা নয়। আমার লেখা হচ্ছে যারা দলীয় চিন্তার উধের্্ব এসে ধর্মান্ধ মৌলবাদ, জামাতী যুদ্ধাপরাধী, ঘৃণ্য ধিকৃত রাজাকারদের মুখোশ খুলে দিবে, তাদের জন্য নিবেদিত। তারা বিএনপি, আওয়ামী লীগ, অথবা দলহীন হতাশ জনতার সারির একজন হোক, আপওি নেই। দেশ নিয়ে মুক্ত চিন্তা করতে দলীয় সমপৃক্তির প্রয়োজন যে একেবারেই অনাবশ্যক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

