প্রতিদিন একই সময় শেষ হতো আমার রাতের খাবার। কারণ, তার কিছুক্ষণ পরই আমার বাবা মসজিদে যেতেন রাতের নামায পড়তে। বাবা যখন ফিরতেন তখন হয়তো আমি মায়ের কাছ থেকে গল্প শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়তাম। মা নেই। অনেক দিন হলো শিং মাছের ঝোল দিয়েও ভাত খাই না। খেলেও এখন সেই স্বাদ পাই না। মনে হয়, এ জীবন থেকে পালিয়ে গিয়ে সেই ছোট বেলার মতো মায়ের হাতে শিং মাছের ঝোল দিয়ে ভাত খেয়ে আসি। কিন্তু তা তো হবার নয়। তাই গল্প করেই ভাল লাগার সেই দিনটাতে ফিরে গেলাম। স্মৃতি বেদনা, আবার আনন্দেরও। ফেলে আসা জীবনের স্মৃতিগুলো শুধু ছবির ফ্রেমে না রেখে কথার ফ্রেমে রাখলে মন্দ কী?
"দিনগুলি মোর সোনার খাঁচায় রইল না-
সেই-যে আমার নানা রঙের দিনগুলি।
কান্নাহাসির বাঁধন তারা সইল না_
সেই-যে আমার নানা রঙের দিনগুলি..."
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



