সামহোয়্যার ইন বিজয় দিবসে বাংলা ব্ল্ল্লগের যে রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছে তার বয়স কেবল তিন মাস হলেও তার প্রভাব-প্রতিপওি অনেক দূর ছড়িয়ে পড়েছে। জটলা করে এখানে বেশ ভালই আড্ডা জমছে। তার পাশাপাশি অনশন-ভোজন-তর্ক-বিতর্ক-বিবাদ-বিসম্বাদ-শান্তি-দূনর্ীতি-মৈএী- সবই মহাসমারোহে চলছে। এতো ঘটনার ঘনঘটার মাঝে আমি ব্যক্তিগতভাবে সম্মান দিতে চাই তিনজন ব্ল্লগারকে যারা তাদের লেখার মাধ্যমে 71'এর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ভাবনাকে হূদয় ও দৃস্টির একেবারে কাছাকাছি এনে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি আমাদের ঋণ ও দায়বদ্ধতাকে তীব্রভাবে অনুভব করার সুযোগ করে দিচ্ছেন। মুক্তিযুদ্ধের 35 বছর পর 2006 সালের মার্চের শেষ প্রান্তে এসে আমি আমার পছন্দের লিংকে তাদের যোগ করলাম। ব্ল্ল্লগের রাজ্যে এই এিরত্নরা হচ্ছেন:
(1) অমি রহমান পিয়াল
(2) শুভ
(3) দীক্ষক দ্রাবিড়
ব্ল্ল্লগের রাজ্যের এিরত্নদের আমি হয়তো কোন বস্তগত উপহার দিতে পারব না। কারণ, কোন উপহার দিয়ে তাদের পাওনা চুকানো যাবে না। কিন্তু হূদয় নিংড়িয়ে তাদের দিলাম একরাশ শুভেচ্ছা ও ভালবাসা। তাদের সম্মানে আমি রবীন্দ্রনাথের "উপহার" কবিতার ক'টি লাইন তুলে দিচ্ছি:
"স্নেহ-উপহার এনে দিতে চাই, কী-যে দেব তাই ভাবনা।
যত দিতে সাধ করি মনে মনে খুঁজে পেতে সে তো পাব না।
আমার যা ছিল ফাঁকি দিয়ে নিতে সবাই করেছে একতা,
বাকি যে এখন আছে কত ধন না তোলাই ভালো সে কথা।
সোনা রুপো আর হীরে জহরত পোঁতা ছিল সবই মাটিতে,
জহরি যে যত সন্ধান পেয়ে নে গেছে যে যার বাটীতে।
টাকাকড়ি মেলা আছে টাকশালে, নিতে গেলে পড়ি বিপদে।
বসনভূষন আছে সিন্দুকে, পাহারাও আছে ফি পদে
এ যে সংসারে আছি মোরা সবে এ বড়ো বিষম দেশ রে,
ফাঁকিফুঁকি দিয়ে দূরে চলে গিয়ে ভুলে গিয়ে সব শেষ রে।
ভয়ে ভয়ে তাই যত স্মরণচিহ্ন যে যাহারে পারে দেয়-যে।
তাও কত থাকে, কত ভেঙ্গে যায়, কত মিছে হয় ব্যয়-যে।
স্নেহ যদি কাছে রেখে যাওয়া যেত, চোখে যদি দেখা যেত রে,
কতগুলো তবে জিনিসপএ বল্ দেখি দিত কে তোরে।
তাই ভাবি মনে কী ধন আমার দিয়ে যাব তোরে নুকিয়ে_
খুশি হবি তুই, খুশি হব আমি। _ বাস সব যাবে চুকিয়ে..."
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




