somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মানবিক সমপর্ক: কিছু ভাবনা

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৫ সকাল ১১:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

(প্রথম প্রকাশ পায় এপ্রিল 3, 2005, আড্ডার ইংরেজী ভার্সনে) মানবিক সম্পর্ক নিয়ে লিখব তা বেশ ক'দিন থেকেই ভাবছি। বিষযটা একটু জটিল। এটা নিয়ে ভাববার সুযোগ আর সময় কারো হাতে নেই। আমি জানি, গত এক দশকে আমাদের সমাজে একটা ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। পরিবতর্নটা লক্ষণীয়ভাবে উপলদ্ধি করা গেলেও এটা নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা তেমন একটা দেখা যায় না। আমাদের বসবাস একটা পরস্পরনির্ভর সামাজিক জীবণধারায়। আমি সমাজ বিজ্ঞানী নই, মনোবিজ্ঞানীও নই। তারপরেও, চারপাশ তাকিয়ে সমাজে আমাদের মানবিক সম্পর্কের শিথিলতর ধারা প্রত্যক্ষ করে আমি আতংকিত হয়ে পড়ি। জানি, গত এক দশকে জীবণে ব্যস্ততা বেড়েছে বহুগুণ, মধ্যবিও জীবণধারায় জীবণ সংগ্রাম হয়েছে আরও জটিলতর। আমার ব্যক্তিগত উওরণও হয়েছে মধ্যবিও জীবণধারা থেকে। ওটা আমার শিকড়। আমার শিকড় আঁকড়ে রয়েছে আমার পরিচয় আর আমার ভিওি, যা অস্বীকার করলে আমি অসমপূর্ণ। তাই পরিচিত পরিসরে যখন বৈষয়িক ও আর্থিক সমৃদ্ধি সম্পর্কগত সানি্নধ্য ও উষ্ণতার নিণর্ায়ক হয়, তখন আমি অবাক হই না, উৎকন্ঠিত হয়ে পড়ি। কারণ, বৈষয়িক ও আর্থিক সমৃদ্ধির সমান্তরালে বাড়ছে সম্পর্কগত দুরত্ম ও মানসিক দারিদ্র।

প্রয়োজনভিওিক সম্পর্ক সৃস্টি করছে টানাপোড়নে সম্পর্ক। মানবিকবোধ অতি নীরবে জীবণ থেকে নির্বাসিত হচ্ছে। যান্ত্রিকতায় চোখ ঝলসানো সমৃদ্ধি থাকতে পারে, তাতে মানসিক শান্তি নেই। প্রয়োজনভিওিক মানবিক সম্পর্কে মানবিক উওরণের সুযোগ নেই, প্রয়োজন ফুরিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে তা নিছক মূল্যহীন হয়ে পড়ে। এটা যখন সবাই অনুভব করতে শুরূ করে, তখন তা হয়ে দাঁড়ায় বিলম্বিত মোহভঙ্গ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মক্তব চালু করলে শিশুরা ফিরে আসবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৪২


ববি হাজ্জাজ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। মুসা বিন শমসেরের ছেলে। মন্ত্রী হওয়ার পর থেকে পুরো দেশ চষে বেড়াচ্ছেন। নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন, নতুন নতুন আইডিয়া দিচ্ছেন। মনে হয়,... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঁধনের কেন ফেমিকন লাগে !!!

লিখেছেন অপলক , ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৩৪



বাঁধন এখন বন্ধন মুক্ত। মিডিয়া পাড়ায় সরব উপস্থিতি। উপর মহলের ডাকে সারা দিতে হয়। কাজেই ফেমিকন লাগতেই পারে। মানে ফেমিকনের এ্যাড করা লাগতেই পারে। মিডিয়া আইকন হিসেবে জনসচেতনাতা বাড়াতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে ফিরে আসো

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৬


সময়ের সাথে সাথে নিজেকে বদলে নিতে হয়,
তোমার শরীর জুড়ে যখন
অভিজ্ঞতার গল্প পাঠের আসর,
তখনও ছেলে ভোলানো ছড়ায়
নিজেকে ভোলালে চলে?

আঁজলা ভরে সময়ের যন্ত্রণাকে পান কর,
পান কর সত‍্যকে।
পান কর... ...বাকিটুকু পড়ুন

“উন্নয়নের দুর্ভিক্ষে বাংলাদেশ”

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৮



বাং/লাদেশের মূর্খ জনগণ উন্নয়নের চেয়ে কথিত ফ্যাসিবাদকে বড় করে দেখেছে কিন্তু “উন্নয়নের দুর্ভিক্ষ” কি জিনিস তা দেখেনি।

দেখতে থাকুক….। আর ভাতের দুর্ভিক্ষ শুরু হলে বলে…..।

ফ্যাসিবাদ দূর করতে গিয়ে উন্নয়নই "নাই"... ...বাকিটুকু পড়ুন

সম্পত্তি

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:৪৭

সম্পত্তি
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

মায়ের কোলে থাকা অবস্থায়
বাবা ইন্তেকাল করেন।
দিগবিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েন মা
বাবার অর্জিত কোনো সম্পত্তি ছিল না।
ওয়ারিশ সূত্রে কিছু খণ্ড খণ্ড জমি
এখনও বিদ্যমান বা আছে।
শৈশবে দেখেছি একটি জমিতে
চার-পাঁচটি কদম গাছ,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×