শুরুতে পুলিশের প্রভূ ছিল বৃটিশরা (যারা এ বাহিনী তৈরী করেছে) এর পর পাকিরা এখন আওয়ামী জোট আর বিএনপি জোট । আজ সাতকানিয়ায় যে পুলিশ শিবির প্রতিরুধ করতে গিয়ে শিবিরের গুলিতে (?) মরার পথে অতীতে সে একই পুলিশ বহুবার ছাত্রলীগ প্রতিরুধ করতে গিয়ে ছাত্রলীগের বন্দুকের নিশানা হয়েছে । আগামীতেও এটি চক্রাকারে হতে থাকবে । কেননা বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনী সৃষ্টির গোঁড়ায় গলদ রয়েছে একে যদি সংশোধন করা না হয় তাহলে যেই কদু সেই লাউই থাকবে । অর্থাত্ এদেশের পুলিশ বাহিনীকে সেবার মানসিকতা সম্পন্ন করে তৈরী করা হয়নি । বরং একে তৈরী করা হয়েছেই মূলত একটি ভীতিকর বাহিনী হিসেবে যারা প্রভূর স্বার্থ রক্ষার জন্য লাঠিয়ালের ভূমিকা পালন করবে জনমানুষের সেবার জন্য পাহারাদারের কর্তব্য নয় ।
তাই কাঁদা ছুড়াছুড়ি আর একে অন্যকে গালাগালি থেকে কোন সমাধান আসবেনা বরং সমাধান হচ্ছে ঘৃণ্য রাজনৈতিক কতৃত্বকামী কালো হাতের নিয়ন্ত্রণ থেকে পুলিশকে মুক্ত করে স্বাধীনভাবে তার দায়িত্ব পালন করতে দেয়া ।
পুলিশ যে আইনের আলোকে পরিচালিত হয় তা সামাজ্যবাদী বৃটিশ কতৃক ১৮৬৩ সালে প্রণীত ২০১৩ সালে যা অচল । কিন্তু এটি এখনও বাতিল না করে ঘষামাজার মাধ্যমে চালানো হচ্ছে শুধু মাত্র ঘৃণ্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের লক্ষ্যকে সামনে রেখে । ফলে পুলিশ জনগনের সেবক না হয়ে বরং উত্পীড়কে পরিণত হয়েছে । যার দরুণ পুলিশ গণমানুষের বন্ধু হতে পারেনি ।
যে এক্টের লক্ষ্যই ছিল বৃটিশ সাম্রাজ্যবাদকে টিকিয়ে রাখা যা স্বাধীন রাষ্ট্র ও আমাদের জাতীয় স্বার্থের সম্পূর্ণ বিরুধী হওয়া সত্ত্বে এখনও কি করে বলবত থাকে তা এক অশ্চর্যের বিষয় ।
যতদূর জানা যায় বিগত মইন-ফখরের আমলে আইজিপি নূর মোহাম্মদের প্রচেষ্টায় এক্টটি সংশোধনের একটি পদক্ষেপ নেয়া হয় যা শুধু অনুমোদনের বাকি ছিল কিন্তু কতৃত্বকামী অদৃশ্য আঙ্গুলের ইশারায় তা আর আলোর মুখ দেখেনি অথচ এক্টটির সংশোধন খুব জরুরী ।
প্রচলিত পুলিশ এক্টটি বাতিল করে অথবা দ্রুত সংশোধন করে স্বাধীন রাষ্ট্র ও জাতিস্বত্তার উপযোগী একটি পুলিশ এক্ট তৈরীর পাশাপাশি পুলিশের জন্য সুযোগ সুবিধা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি করা ছাড়া কাংখিত পুলিশী সেবা পাওয়া অসম্ভব । তাই আসুন একে অপরকে দোষারুপ না করে গোঁড়ায় হাত দেই । অর্থাত্ স্বাধীন রাষ্ট্র ও জাতিসত্তার উপযোগী একটি পুলিশ এক্ট তৈরীর জন্য আওয়াজ তুলি এবং সরকারের উপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করি

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




