somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মুখ বন্ধ! হাসা-হাসি নিষেধ

২৮ শে নভেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


সর্দারজি গেছেন কম্পিউটার কিনতে
সর্দারজি: আপনার দোকানের কম্পিউটারগুলো ভালো হবে তো?
বিক্রেতা: স্যার, খুবই ভালো। নতুন মডেলের এই কম্পিউটার আপনার অর্ধেক কাজই কমিয়ে আনবে।
সর্দারজি: বলেন কী! এই একটি কম্পিউটারই অর্ধেক কাজ করে ফেলবে!
বিক্রেতা: হ্যাঁ, স্যার।
সর্দারজি: তাহলে বাকি অর্ধেক বাদ থাকবে কেন? তাহলে দুটো কম্পিউটারই প্যাকেট করে দিয়ে দেন।


সর্দারজি ট্রেনে চেপে এক জায়গায় যাচ্ছেন। ট্রেনে হাঁটতে হাঁটতে সর্দারজি একটি কামরায় গিয়ে বসে পড়লেন। কিছুক্ষণ পর টিকিট চেকার এসে সর্দারজিকে বললেন, ‘কি ভাই, চোখে দেখতে পারেন না নাকি!’ সর্দারজি বললেন, ‘কেন, হয়েছেটা কী?’ টিকিট চেকার রেগে বললেন, ‘কেন, বড় করে লেখাটা দেখছেন না যে, এটা মহিলাদের কামরা?’ ‘দুঃখিত। আমি তো আপনাকে দেখেই এই কামরায় ঢুকেছি। আর আপনাকে দেখে তো মনে হয়েছিল আপনি পুরুষ। কিন্তু...।’ সর্দারজির জবাব।


ক্লাসে সর্দারজি ও শিক্ষকের মধ্যে কথা হচ্ছে—
শিক্ষক: আচ্ছা, তুমি বলো তো, পৃথিবীতে সবচেয়ে প্রাচীন পশুর নাম কী?
সর্দারজি: স্যার, জেব্রা।
শিক্ষক: বলো কী! তা জেব্রাকে কেন তোমার প্রাচীন পশু মনে হলো?
সর্দারজি: স্যার, প্রাচীনকালে সবকিছুই তো সাদা-কালো ছিল। যেমন টিভি, মোবাইল ফোন। এখন সেই সাদা-কালোর বদলে হয়েছে রঙিন। কিন্তু জেব্রা তো এখনো সেই সাদা-কালোই রয়ে গেছে। তাহলে তো জেব্রা প্রাচীনকালেরই পশু হওয়ার কথা, স্যার!


সর্দারজি পুলিশ স্টেশনে ফোন করেছেন—
সর্দারজি: স্যার, ফোন করে আমাকে এক ব্যক্তি বারবার হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। এর কিছু একটা বিহিত আপনাদের করতেই হবে।
পুলিশ: তা আপনাকে ফোনে কে এই হুমকি-ধমকিগুলো দিচ্ছে?
সর্দারজি: স্যার, টেলিফোন অফিস থেকে একই ব্যক্তি কয়েক দিন থেকেই ফোন করে বলছে, আগামী ১৫ তারিখের মধ্যে বকেয়া বিল পরিশোধ না করলে আপনার ফোনের লাইন কেটে দেওয়া হবে। কত্ত বড় হুমকি, একবার ভেবে দেখুন, স্যার!


সর্দারজি গেছেন ১০০ মিটার দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে। দৌড় প্রায় শুরু হয়ে যাবে। এমন সময় রেফারি ১, ২, ৩ বলে বাঁশিতে ফুঁ দিতেই সবাই দৌড় শুরু করে দিলেন। কিন্তু সর্দারজি তাঁর জায়গাতেই ঠায় দাঁড়িয়ে রইলেন। সর্দারজির দাঁড়িয়ে থাকা দেখে রেফারি বললেন, ‘কী ব্যাপার, সবাই দৌড়াচ্ছে, কিন্তু আপনি দাঁড়িয়ে আছেন কেন?’ আপনি তো ১, ২, ৩ বলে বাঁশিতে ফুঁ দিয়েছেন। আর আমি তো ৪ নম্বর প্রতিযোগী। আমার নম্বর তো আপনি বলেননি, তাই আমি দৌড়াব কেন?’ সর্দারজির জবাব।


সর্দারজি তাঁর ঘরের দরজা পুরোটাই ভেঙে কাঁধে করে কোথাও নিয়ে যাচ্ছেন। রাস্তায় সর্দারজির এই দরজা নিয়ে যাওয়া দেখে তাঁর বন্ধু সান্তা জিজ্ঞেস করলেন, ‘সর্দারজি, ঘটনা কী? ঘরের পুরো দরজা নিয়ে যাচ্ছ কোথায়? সর্দারজি বললেন, ‘আর বলিস না, দরজাটায় একটু সমস্যা হয়েছে। তাই তালাওয়ালার কাছে যাচ্ছি।’ সান্তা বললেন, ‘দরজায় সমস্যা হলে তো মানুষ কাঠমিস্ত্রির কাছে যায়। কিন্তু তুই বোকার মতো তালাওয়ালার কাছে যাচ্ছিস কেন, বুঝলাম না তো!’ সর্দারজি বললেন, ‘আরে, দরজার চাবিটা কোথায় যেন হারিয়ে ফেলেছি। তালা খুলে তো ঘরে ঢুকতে হবে নাকি! তাই পুরো দরজা খুলে তালাওয়ালার কাছে নিয়ে যাচ্ছি তালা ভাঙার জন্য। বুঝলি এবার?’


সর্দারজি আর তাঁর বন্ধু হিরালাল একসঙ্গে রাস্তা দিয়ে হাঁটছে। একসময় হুট করে সর্দারজি দাঁড়িয়ে হিরালালকে বললেন, ‘দোস্ত, এই পথে আর হাঁটা যাবে না। এখান থেকে তাড়াতাড়ি সটকে পড়তে হবে।’ হিরালাল বললেন, ‘কেন, হুট করে তোর আবার এই পথে কী হলো? সর্দারজি বললেন, ‘আরে বোকা, দেখছিস না, সামনে আমার বউ আসছে আর আমার বউয়ের পাশেই যে মেয়েটাকে দেখছিস, ও তো আমার প্রেমিকা। একসঙ্গে দুজনই আমাকে দেখলে আজ একটা অঘটন ঘটে যাবে।’ হিরালাল সামনের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে বলল, ‘আরে বাবা, তাড়াতাড়ি এখান থেকে পালাই। আমারও তো ভাই একই ঘটনা!’


সর্দারজি গভীর মনোযোগ দিয়ে একটি বরফের টুকরোর মধ্যে কী যেন খুঁজছেন। অনেকক্ষণ ধরে বরফের টুকরো নিয়ে নাড়াচাড়া করতে দেখে সর্দারজির এক বন্ধু বললেন, ‘কিরে, বরফের টুকরো নিয়ে এত নাড়াচাড়া করার কী আছে?’ সর্দারজি বললেন, ‘একটা জিনিস খুঁজছি। কিন্তু কিছুতেই সেটা বের করতে পারছি না।’ সর্দারজির বন্ধু বললেন, ‘তা কী সেই জিনিস?’ ‘আরে বোকা, দেখছিস না, বরফের টুকরোটা দিয়ে অনবরত পানি ঝরছে। কিন্তু কিছুতেই এই পানি ঝরার ছিদ্রটা খুঁজে পাচ্ছি না রে!’ সর্দারজির জবাব।


প্রথম আলোর ছুটির দিনে প্রকাশিত।
৯টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×