somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী কে দু:খী তাও দেখেনা ।



হাম, পোলিও ও যক্ষ্মাসহ ৬ ধরনের টিকার মজুদ শেষ :
জন্মের পর থেকে ১৫ মাস পর্যন্ত বয়সী শিশুর ১২টি রোগ প্রতিরোধে দেওয়া হয় ৯ ধরনের টিকা। এসব টিকার মধ্যে হাম-রুবেলা, পোলিও, যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ডিপথেরিয়া-ধনুষ্টার, হেপাটাইসিস-বি এর মজুদ শেষ হয়েছে। যদিও অধিদপ্তর বলছে, মাঠ পর্যায়ে এসব টিকা রয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অপারেশনার প্ল্যান (ওপি) বাতিল হলে টিকা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।
তথ্য বলছে, রাজধানীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে চলতি বছর প্রায় ৫০০ শিশু হাম নিয়ে ভর্তি হয়েছে। এদের মধ্যে ১৯ শিশু মারা গেছে। হাসপাতালটির সেবা তত্ত্বাবধায়ক ডা. তানজিনা জাহান কালের কণ্ঠকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গত ১১ দিনে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৩৩টি শিশু মারা গেছে। এর মূল কারণ ছিল ভেন্টিলেটরের অভাব বা যান্ত্রিক ত্রুটি। আমি এবং আমার সচিব, প্রতিমন্ত্রী বিষয়টি আগে জানতে না পারায় অত্যন্ত দুঃখ প্রকাশ করছি।’
এদিকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দিন দিন বাড়ছে হাম আক্রান্ত শিশু রোগীর সংখ্যা। চলতি মাসে এই রোগে আক্রান্ত ১০৬ জন ভর্তি হয়েছে; তাদের মধ্যে পাঁচ শিশু মারা গেছে।



নূরজাহান বেগম গ্রামীণ ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং গ্রামীণ শক্তি, গ্রামীণ শিক্ষার মহাব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি ইউনূসের মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ছিলেন এবং ব্যাংকিং ও সামাজিক উদ্যোগে অগ্রগণ্য অবদান রেখেছেন। তাঁর নিযুক্তি স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হিসেবে যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, কারণ তাঁর প্রধান ক্ষেত্র ছিল আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও সামাজিক উদ্যোগ।

সামুর ব্লগার সৈয়দ কুতুব বলেছেন: প্রথম আলোতে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে এখন পর্যন্ত ৪১জন মারা গেছে হামের, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হিসেবে ইউনূস সরকার যাকে বসিয়েছিল তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূরজাহান বেগম। নুরজাহান বেগমের আন্ডারে থাকা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কি করেছে জানেন? স্বাস্থ্য জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচিতে থাকা মাধ্যমে টিকা কেনার যে ব্যবস্থা ছিলো সেটা বাতিল করে দিয়েছে! ফলে এখন আমাদের কাছে কোনো টিকা নাই। নূরজাহান বেগম, আপনি যে হামের থেকে শুরু করে বাকি ভ্যাক্সিনগুলো কেনার ব্যবস্থাটার দফারফা করে দিলেন, এতে আপনার কি লাভ হলো?
এখন এতগুলো শিশুর জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলায় আপনার পার্টসিপেশনকে আমরা কি হিসেবে দেখবো?
আপনার মতো মানুষরা যাতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব না পায়- সেজন্য আমাদের সাধারণ মানুষদের কোন টিকাটা নিতে হবে?


বাংলাদেশে কোন রোগের জন্য কোন টিকা?

বাংলাদেশে ১২ টি রোগের জন্য ৯টি টিকা দেওয়া হয়৷
রোগগুলো হলো- ১. যক্ষ্মা, ২. পোলিও, ৩. ডিপথেরিয়া, ৪. হুপিং কাশি, ৫. ধনুষ্টংকার, ৬. হেপাটাইটিস-বি, ৭. হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি, ৮. নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া, ৯. হাম, ১০. রুবেলা, ১১. টাইফয়েড ও ১২. হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস
(জরায়ুমুখের ক্যানসার প্রতিরোধে)৷
টিকাগুলো হলো- ১. বিসিজি : যক্ষ্মা প্রতিরোধে, ২. ওপিভি : পোলিও প্রতিরোধ, ৩. আইপিভি : পোলিও প্রতিরোধে, ৪. পেন্টাভ্যালেন্ট টিকা : এতে ৫টি রোগের (ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি) প্রতিষেধক থাকে, ৫. পিসিভি : নিউমোনিয়া প্রতিরোধে, ৬. এমআর : হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে, ৭. টিসিভি : টাইফয়েড প্রতিরোধে, ৮. টিডি : কিশোরী/প্রাপ্তবয়স্ক মহিলাদের জন্য ধনুষ্টংকার ও ডিপথেরিয়া, ৯. এইচপিভি : জরায়ুমুখের ক্যানসার প্রতিরোধে (নির্দিষ্ট বয়সের মেয়েদের জন্য)৷

বৈষম্য কোথায় নয় ?

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান প্রফেসর ড. মুহম্মদ ইউনূসের সঙ্গী হলেন নিজ এলাকা চট্টগ্রামের চারজন। তাঁরা হলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের আলোচিত অভিযান চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরে ‘অপারেশন জ্যাকপটে’ অংশ নেওয়া নৌকমান্ডো ফারুক-ই আজম বীর প্রতীক, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির ড. আ ফ ম খালিদ হোসাইন, কৃষি বিষয়ক গবেষণা সংস্থা উবিনীগের নির্বাহী পরিচালক চন্দনাইশের ফরিদা আখতার, গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক এমডি ও গ্রামীণ শিক্ষার এমডি হাটহাজারীর নুরজাহান বেগম। এছাড়া পাহাড় থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান সুপ্রদীপ চাকমা রয়েছেন ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে।

কোটা চাইনা , বৈষম্য হবেনা এই চটকদার কথা বলে পাবলিকের সাথে প্রতারনা করে একটি চলমান সরকার অচল করে
হালুয়া রুটি খেলেন হাতে গোনা কয়েকজন । আবার বৈষম্য করে উপদেষ্টা নিয়োগ দিলেন ? কেন বাংলাদেশে
আর কোন অন্চলে যোগ্য লোক ছিলনা ?



তথ্যসূত্র বলছে : বাংলাদেশে প্রতি বৎসর :-
১) কুকুর ,বিড়াল বা জলাতংকে প্রায় ৫ লক্ষ জনসাধারণ চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যায়।
২) সাপের কামড়ে এন্টিভেনোম প্রয়োজন পড়ে প্রায় ৬ লক্ষ রোগীর জন্য ।
এসবের যথাযথ ব্যবস্হা না থাকাটাকে সরকারের অপরাধ বিবেচনায় কতটুকু ? আপনি নির্নয় করুন ।

০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০
আমরা গোলামী আর প্রতারনা পসন্দ করি !
গোলামের পুত! গোলামী করেই জীবনটা পার কর!!!

০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০

সর্বশেষ ফিরে দেখা : স্বাস্হ্য অধিদপ্তর থেকে বক্তব্য :-----

সংক্রমণ বৃদ্ধির মধ্যে বাংলাদেশ হামসহ অন্তত ১০টি রোগের টিকার ঘাটতির সম্মুখীন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য পরিষেবা বিভাগের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী।
"সরকার টিকা সংগ্রহের জন্য ইউনিসেফকে ইতিমধ্যে ৬০৪ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে এবং শীঘ্রই সরবরাহ পাওয়ার আশা করছে," আজ (৩১ মার্চ) বিকেলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (আরএমসিএইচ) পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
"ডোজগুলো এসে গেলেই টিকাদান কর্মসূচি পুনরায় শুরু হবে।
তিনি আরও বলেছেন, দেশজুড়ে হাম-প্রবণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করতে এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করতে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। হামের প্রকোপ বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে, কর্তৃপক্ষ হাম-বহির্ভূত শিশু রোগীদের চিকিৎসার জন্য ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনসহ অন্যান্য হাসপাতাল ব্যবহারের কথা বিবেচনা করছে।
সচিব বলেছেন, হামের নতুন কোনো ধরন শিশুদের আক্রান্ত করছে কি না, তা নির্ধারণের জন্য তিন বিশেষজ্ঞের
একটি উচ্চ-পর্যায়ের দল কাজ শুরু করেছে।


***চলছে তৎপরতা , আরও আপডেট আসছে :
দেশে হামের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় সরকার এখন ৯ মাসের পরিবর্তে ছয় মাস বয়সী শিশুদের হামের টিকার প্রথম ডোজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে ন্যাশনাল ইমিউনাইজেশন টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি কমিটির বৈঠকে নতুন এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক হালিমুর রশিদ।
এতদিন দেশে ৯ মাস বয়সে শিশুদের হামের প্রথম ডোজ এবং ১৫ মাসে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হত।

অবশেষে স্বাস্হ্য দপ্তরের ঘুম ভাঙল, সকল স্বাস্হ্যকর্মীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে এবং রবিবার (৫ই এপ্রিল ) থেকে
সীমিতভাবে টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু করবে ।


সর্বশেষ এডিট : ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:২৯
১১টি মন্তব্য ১১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিএনপি সরকারের প্রথম ১০০ দিনের মূল্যায়ন....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৯ শে মে, ২০২৬ সকাল ৮:৪৮

বিএনপি সরকারের প্রথম ১০০ দিনের মূল্যায়ন....

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন Bangladesh Nationalist Party-BNP সরকারের প্রথম ১০০ দিনের মূল্যায়ন নিয়ে যতগুলো লেখা পড়েছি- সবই দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে করা হয়েছে- বললে ভুল বলা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমির+ওলামা বাদ দিয়ে কোরআন+হাদিস মানলে পার্থিব জীবনে হীনতা এবং কিয়ামতে কঠিন শাস্তি পেতে হবে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৯ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯



সূরাঃ ২, বাকারা। ৮৪ নং ও ৮৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
৮৪। (হে ইহুদী সম্প্রদায়) আমি যখন ওয়াদা নিয়েছিলাম যে, পরস্পর রক্তপাত করবে না এবং স্বীয় বাসস্থান থেকে আপন ব্যক্তিদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই ভুলে গেছে সবাই, শুধু জুলাই ভোলেনি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৯ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৮


জুলাই কোটা আন্দোলনের প্রায় দুই বছর পূর্ণ হতে চলেছে। গত দুই বছরে দেশে অনেক কিছু বদলেছে। সমাজের অনেক কুৎসিত দিক নতুন করে সামনে এসেছে। অনেক মানুষকে নতুন করে চেনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ ঈদের দ্বিতীয় দিন

লিখেছেন সামিয়া, ২৯ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:৩৬



হঠাৎ বৃষ্টি নামছে। ঈদের দ্বিতীয় দিন আজ।
আমি শ্বশুরবাড়ির বারান্দায় বসে আছি এক মগ কফি হাতে নিয়ে সামনে ভেজা আকাশ। বাতাসে কেমন কাঁচা মাটির গন্ধ। এই গন্ধটা অদ্ভুতভাবে মানুষকে অতীতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাতের আঁধারে কাঁদিছে যাঁহারা তাঁহাদের খোঁজ পিছে

লিখেছেন শ্রাবণ আহমেদ, ৩০ শে মে, ২০২৬ রাত ১২:৪১

বিত্তবানের সুখের সায়রে দুঃখের তরী মিছে।
তাঁরা, যাঁহাদের কাছে শত সুখ আছে তাঁহাদের দাম দিছে।
রাতের আঁধারে কাঁদিছে যাঁহারা তাঁহাদের খোঁজ পিছে।
তাঁরা, যাঁহাদের ঠোঁট হাসিতে মাতিছে তাঁহাদের খোঁজ নিছে।
— শ্রাবণ আহমেদ ...বাকিটুকু পড়ুন

×