উৎসবের ঘনঘটা শুরু হলো বলে- ঈদ,পরপরই পূজা।উৎসব শব্দটাতেই কেমন একটা সার্বজনীন আমেজ আছে। যদিও ধর্মীয় উৎসবের সার্বজনীনতা প্রশ্নসাপেক্ষ, তবুও অসাম্প্রদায়িক বাঙালী তার চরিত্রগুণেই তা ছাপিয়ে গেছে। আর উৎসবকে ঘিরে কতোনা আয়োজন…সেই সাথে বাড়ি ফেরার তাড়না-পত্রিকার ভাষায় ‘নাড়ীর টানে ঘরে ফেরা’।এই যে দূর থেকে কাছে আসা-শেকড়ে ফেরা এগুলো দেখে ইদানিং খুব নস্টালজিয়ায় ভুগছি। ছোটবেলার ছুটিগুলোতে মায়ের কাছে অনবরত মামার বাড়ি যাবার অবাধ্য আবদার, কৈশোরে বন্ধুদের সাথে আড্ডা,ময়মনসিংহে ব্রহ্মপুত্রের তীরে বিকেলভর গুলতানি,ঈদের দিন এই বাড়ি,সেই বাড়ি ঘুরে ঘুরে খাওয়া, আমাদের অহেতুক হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরে যাওয়া-সব কিছুই যেন বেশী বেশী।
পড়াশুনার চাপ তো ছিলই,এর মধ্যেও টিফিন পিরিয়ডে স্কুল পালিয়ে নদীর ধারে পার্কে যাওয়া,সমরেশ স্যার-তুষার স্যার এর বাসায় প্রাইভেট, রা্জনীতির প্রথম পাঠ,আবার বিকেলে আড্ডা-আহা ‘সেই যে আমার নানা রঙের দিনগুলি’!! সেই বন্ধুরা এখনও আছি পাশে পাশেই সাক্ষাতে-পেশাতে-সামাজিকতায়-রাজনীতিতে, শুধু সময়টাই যেন রেখে এসেছি সেই চেনা নদীটির কাছে।সবার বাড়ি ফেরার এই আকুলতা মায়ের কাছে-পরিবারের কাছে-জন্মস্থানের কাছে, মনে হয় এ যেন নিজের শৈশব-কৈশোর-যৌবনের পথেই উল্টো যাত্রা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


