somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বাধীনতাবিরোধীদের অবস্থান চিত্র:

৩১ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১০:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মতিউর রহমান নিজামী
পাবনা ১ আসনের চারদলীয় জোট মনোননিত প্রার্থী ছিল

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান আমির। একাত্তরে তার ভূমিকার জন্য এলাকার লোকজন তাকে মইত্যা রাজাকার বলে চেনে। আল বদর বাহিনীর প্রধান হওয়ার ফলে নিজের এলাকা পাবনার সাঁথিয়ায় সে ভয়ঙ্কর প্রভাব বিস্তার করে। তার প্রত্যক্ষ সহায়তায় পাক বাহিনী সাঁথিয়া-বেড়া এলাকায় প্রায় ১২শ মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করে এবং এলাকার মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ওপর লোমহর্ষক অত্যাচার নির্যাতন চালায়।

মাওলানা আবদুস সোবহান
পাবনা ৫ আসনে বিএনপি-জামাত মনোনীত প্রার্থী ছিল

মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান ছিলো সে। তার নেতৃত্বে ফরিদপুর উপজেলার ডেমরারর বাউশগাড়ী খালে চলে নির্মম গণহত্যা। এখানে প্রায় ৩শ নারী-পুরুষকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। পাবনার নাজিরপুর এলাকায় ১৯৭১-এর ১ ডিসেম্বর তার নেতৃত্বে চালানো গণহত্যার কথা বলতে গিয়ে এলাকার লোকেরা এখনো শিউরে ওঠে। পাবনার এডওয়ার্ড কলেজেও পাকবাহিনীর গণহত্যার নেতৃত্ব দেয় সে ।

আলী আহসান মুজাহিদ
ফরিদপুর ৩ আসনে জোটের হেভিওয়েট প্রার্থী ছিল

মুক্তিযুদ্ধেও সময় সে ছিলো ইসলামী ছাত্রসংঘের ঢাকা মহানগর সভাপতি এবং ঢাকার আল বদ;ও বাহিনীর কমান্ডার। ফকিরাপুলের ফিরোজ মিয়া ওরফে ফেরু মেম্বারের সাহায্যে সে ৩০০ সদস্যেও এক সশস্ত্র স্কোয়াড গড়ে তোলে। তার নেতৃত্বে এই স্কোয়াড মতিঝিল, ফকিরাপুল, নয়াপল্টন, পুরানা পল্টনসহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক হত্যা, লুণ্ঠন, নারী নির্যাতন পরিচালনা করে।

সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরী
চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৬ আসনে চরদলীয় জোটের প্রার্থী ছিল

এুক্তিযুদ্ধেও সময় তার বয়স ছিলো ২২। তাদের বাসভবন গুডস হিল মুক্তিযুদ্ধের সময় ছিলো কসাইখানা। ১৭ জুলাই ১৯৭১-এ ছাত্রনেতা ফারুককে ধরে এনে পাকবাহিনীর সহায়তায় সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরী হত্যা করে। চট্টগ্রামের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, শ্রী কুন্ডেশ্বরী ঔষধালয় এবং কুন্ডেশ্বরী বিদ্যাপীঠের প্রতিষ্ঠাতা দানবীর বাবু নূতন চন্দ্র সিংহের হত্যাকান্ডের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সাকা।চট্টগ্রামের একজন শহীদ সন্তান শেখ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর গণতদন্ত কমিশনকে জানান, তার বাবা শহীদ শেখ মুজাফফর আহমদ ও ভাই শহীদ শেখ আলমগী কে সালাউদ্দীন কাদেও চৌধুরী ও তার সহযোগীরা পাকিস্তান বাহিনীর সহযোগীতায় হাটহাজারী ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে তাদের মেরে ফেলা হয়।

গিয়াস কাদের চৌধুরী
চট্টগ্রাম ৫ আসনে জোট প্রার্থী ছিল

তার বিরুদ্ধে ভাই সালহউদ্দীন কাদের চৌধুরীকে মুক্তিযোদ্ধা নিধনে সহায়তার অভিযোগ রয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য অনুযায়ী গিয়াস কাদের চৌধুরীও তাদের গুডস হিলস্থ বাসভবনে মুক্তিযোদ্ধা নির্যাতনে অংশগ্রহণ করতো।

শাহ মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস
খুলনা-৬ আসনে ৪ দলীয় জোটের প্রার্থী ছিল

১৯৬৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় নিখিল পাকিস্তান ছাত্রসংঘের সাধারণ সম্পাদক হয় সে। ১৯৭১ সালে সে বাগেরহাটের রামপালের একটি কলেজের অধ্যক্ষ্য হিসেবে চাকরি শুরু করে। ঐ কলেজে শিক্ষকতার সময় রাজাকার বাহিনীর নেতা হিসেবে বাগেরহাটে মুক্তিযোদ্ধা বিরোধী কাজে অংশগ্রহণ করে। পাকিস্তান আর্মিকে সহায়তা, নারী ধর্ষণ, লুটতরাজের সাথে সে সরাসরি যুক্ত ছিলো।


আবু সালেহ মুহাঃ আব্দুল আজিজ মিয়া
গাইবান্ধা-১ আসনে বিএনপি-জামাত জোট মনোনীত প্রার্থী ছিল

’৭১ সালে গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ত্রাস সৃষ্টি করেছিলো এই কুখ্যাত রাজাকার। বর্তমানে সে জামায়াত ইসলামীর নিবেদিত সদস্য।

এ এম রিয়াছাত আলী
সাতক্ষীরা-৩ আসনে বিএনপি-জামাত জোট মনোনীত প্রার্থী ছিল

মুক্তিযুদ্ধের সময় সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় শান্তি কমিটির সেক্রেটারি ছিলো সে। শ্যামনগর ও কালীগঞ্জ থানায় মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যার নেপথ্য নায়ক ছিলো এই রাজাকার। কালীগঞ্জের বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ইউনুসকে এই ঘাতক হত্যা করে বলে প্রত্যক্ষ্যদর্শীরা জানায়।

মোঃ হাবিবুর রহমান
চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপি-জামাত জোট মনোনীত প্রার্থী ছিল

মুক্তিযুদ্ধের সময় সে ছিলো চুয়াডাঙ্গা শান্তি কমিটির সদস্য। এলাকায় ত্রাস সৃষ্টিকারী এই রাজাকার দালাল আইনে শাস্তিপ্রাপ্ত ৭৫২ জনের একজন। জিয়াউর রহমান দালাল আইন রহিত করলে সে জেল থেকে মুক্তি পায়।

মাওলানা ফরিদউদ্দীন চৌধুরী
সিলেট-৫ আসনে বিএনপি-জামাত জোট মনোনীত প্রার্থী ছিল

সিলেট আল বদর বাহিনীর কমান্ডার এই মাওলানা মুক্তিযোদ্ধা নির্যাতন, হত্যা ও হিন্দুদের সম্পত্তি লুটপাটে সক্রিয় অংশ নেয়। একাত্তরে সে সিলেটের খাদিমপাড়ায় অবস্থিত ৩১ পাঞ্জাব রেজিমেন্টের হেডকোয়ার্টারে সে থাকতো। সিলেটের কানাইঘাটে সে সবচেয়ে বেশি ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। দেশ স্বাধীন হবার পর সে আত্মগোপনে চলে যায়। জিয়াউর রহমানের আমলে সে পুণরায় ফিরে আসে।

ফজলুর রহমান সুলতান
ময়মনসিংহ-১০ আসনে বিএনপি-জামাত জোট মনোনীত প্রার্থী ছিল

১৯৭১ বাহিনীতে যোগ দেয়া এই লোক গফরগাঁওয়ের চর আলগা ইউনিয়ন-এর গণহত্যার জন্য দায়ী। এছাড়াও তাকে অসংখ্য হত্যা, লুটতরাজের জন্য অভিযুক্ত করা হয়। বর্তমানে সে বিএনপির জেলা কমিটির সহসভাপতি।

তাজুল ইসলাম
কুড়িগ্রাম-২ আসনে বিএনপি-জামাত জোট মনোনীত প্রার্থী ছিল

কাঠালবাড়ি ইউনিয়নে তাজুল ইসলামের নেতত্বে গণহত্যা চালানো হয়। ৭১ সালে তার এলাকায় সে ছিলো মূর্তিমান ত্রাস। বর্তমানে সে সক্রিয় বিএনপি কর্মী।

এস এ খালেক
ঢাকা-১৪ আসনে বিএনপি-জামাত জোট মনোনীত প্রার্থী ছিল

এস এ খালেক একজন চিহ্ণিত যুদ্ধাপরাধী। ঢাকার মিরপুর এলাকায় লোকজন এখনও তার অনেক কর্মকান্ডের স্বাক্ষী। হত্যা, লুটপাট, অপহরণসহ পাকবাহিনীর সম্সত দুষ্কর্মের সহযোগী সে। বর্তমানে বিএনপির সদস্য।

মুহম্মদ আবদুল গনি
রংপুর-১ আসনে বিএনপি-জামাত জোট মনোনীত প্রার্থী ছিল

১৯৭১ সালে সে তার এলাকায় পাকিস্তানী বাহিনীকে সাহায্য করার মাধ্যমে বাংলাদেশ বিরোধী কাজে ল্পিত হয়। এলাকায় সে ভয়ংকর ত্রাস সৃষ্টি করে। বর্তমানে জাময়াত ইসলামীর সদস্য।

মো. আবদুল হাকিম
ঠাকুরগাঁও-২ আসনে বিএনপি-জামাত জোট মনোনীত প্রার্থী ছিল

আবদুল হাকিম ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাবিরোধীদের দলে যোগ দিয়ে এলাকায় ব্যাপক লুটতরাজ চালায়।বর্তমানে জাময়াত ইসলামীর সদস্য।

আবদুল আলীম
জয়পুরহাট-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিল

নিজ দল বিএনপি ও জামাতের সঙ্গে বিরোধের জের ধরে বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে জয়পুরহাট-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিল হয়েছেন আরেক ঘাতক আবদুল আলীম। মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিকামী বাঙালিদের সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে নিজের হাতে গুলি করে হত্যা করেছিলেন তৎকালীন জয়পুরহাট মহকুমার শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান এই নরঘাতক। গত ৪ নভেম্বর সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের অভিযুক্ত যুদ্ধাপরাধীর তালিকাতেও আবদুল আলীমের নাম আছে। আছে একাত্তরের ঘাতক দালালরা কে কোথায় বইয়ে তার কর্মকাণ্ডের চিত্র। কেবল তাই নয় শহীদ জননী জাহানারা ইমামের আন্দোলনের ফসল জাতীয় গণতদন্ত কমিশনের রিপোর্টে যে আট শীর্ষ ঘাতকের নৃশংসতার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে তার মধ্যেও আছে এই নরঘাতকের নাম।

মিয়া গোলাম পরওয়ার
খুলনা-৫ আসন থেকে ৪ দলীয় জোটের প্রার্থী ছিল

সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম প্রকাশিত ৫০ যুদ্ধাপরাধী ও স্বাধীনতা বিরোধীদের তালিকায় আছে একাত্তরের এই রাজাকারের নাম। ৭১ এ তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ ছিলো এলাকার লোকজন। ২০০১ এর নির্বাচনে নির্বাচিত হয়েই আইন ও প্রশাসনকে থোরাই কেয়ার করে তিনি রাজাকার, আল-বদর ও আল-শামস বাহিনীর আদলে গড়ে তোলেন কুখ্যাত বাহিনী ‘জিহাদী পার্টি’। জিহাদী বাহিনীর মাধ্যমে ৭১ এর মতোই হাজার হাজার বাড়িঘর লুট, নারী ধর্ষণ, জমি দখল ও জোরপূর্বক লাখ লাখ টাকা আদায় করে সংখ্যালঘু স¤প্রদায়সহ পুরো অঞ্চলের মানুষের কাছে রীতিমতো দানবে পরিণত হয়েছেন গোলাম পরওয়ার।

জি, এম নজরল ইসলাম
সাতক্ষীরা-৪ আসনে থেকে ৪ দলীয় জোটের প্রার্থী ছিল

মহান মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডাররা যুদ্ধাপরাধীদের যে ৫০ জনের তালিকা প্রকাশ করেছিলেন তাতে প্রথম সারিতেই আছেন একাত্তরের আরেক ঘাতক ধর্মব্যবসায়ী জামাত নেতা গাজী নজরুল ইসলাম। ৭১ সালে অসংখ্য মানুষ হত্যাকারী এই নরপশু এখন জামায়াত ইসলামীর সক্রিয় সদস্য।

মুফতি আবদুস সাত্তার আকন
বাগেরহাট-৪ আসনে চারদলীয় জোটের প্রার্থী ছিল
তার অপকর্মের কথা বলতে গিয়ে এলাকার মানুষেরা আঁতকে ওঠে। এই চিহ্ণিত রাজাকার এখন জামাতের সদস্য।

আবু সাঈদ মোঃ শাহাদাৎ হোসাইন
যশোর-২ আসনে চারদলীয় জোটের প্রার্থী ছিল

একাত্তরের ঘাতক এই যুদ্ধাপরাধী ও জঙ্গিবাদী নেতা যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বাঁকড়া গ্রামের একটি স্বাধীনতাবিরোধী, প্রতিক্রিয়াশীল সা¤প্রদায়িক পরিবারের সন্তান এই মৌলবাদী ব্যক্তি ১৯৭১ সালে হত্যা, লুটপাট, ধর্ষণ, অপহরণের সাথে সরাসরি জড়িত ছিলো। বর্তমানে সে জামায়াত ইসলামীর সদস্য।

রফিকুল ইসলাম খান
সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে চারদলীয় জোটের প্রার্থী ছিল

১৯৭১ সালে সে রাজাকারদের দলে নাম লেখায়। এরপর থেকে সে পাকবাহিনীর সহযোগী হিসেবে এলাকায় ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপে মদদ যোগায়। বর্তশানে সে জামাত কর্মী।

শাহ মো. রুহুল কুদ্দুস
খুলনা ৬ আসনে বিএনপি-জামাত জোটের প্রার্থী ছিল

বর্তমানে জাময়াত ইসলামীর সক্রিয় সদস্য এই লোক ৭১ সালে তার ভূমিকার জন্য কুখ্যাত। অসংখ্য গণহত্যার সাথে সে সরাসরি জড়িত।

মীর কাশেম আলী
ঢাকা ৮ আসনে আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিল

মীর কাসেম আলী চট্টগ্রাম জেলা আলবদর বাহিনীর প্রধান রাজাকার বাহিনীর প্রধান ও আলবদর বাহিনীর কেন্দ্রীয় সংগঠক ছিল। ২ আগ¯ষ্ট চট্টগ্রামের মুসলিম হলে এক সমাবেশে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশ করে বএ, "গ্রামগঞ্জের প্রতিটি এলাকায় খুঁজে খুঁজে শত্রুর শেষচিহপ্ত মুছে ফেলতে হবে"।

মোশাররফ হোসেন শাহজাহান
ভোলা ১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিল

৭০ এ আওয়ামী লীগ থেকে প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচিত এই সদস্য ১৯৭১ সালে পাকবাহিনীর দোসর হিসেবে কাজ করেন। পরে বিএনপিতে যোগ দেন।

এনামুল হক মঞ্জু
কক্সবাজার ১ আসনে জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী ছিল

মুক্তিযুদ্ধের সময় চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ ইসলামী ছাত্রসংঘের সভাপতি ছিলেন ও আলবদরের প্লাটুন কমান্ডার ছিলো।

মাওলানা শাখাওয়াত হোসেন
যশোর ৬ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিল

এই রাজাকার ১৯৯১ সালে জামায়াতের প্রার্থী ছিল হিসেবে এ আসন থেকে জয়ী হন। কেশবপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, "সাখাওয়াত হোসেন একজন কুখ্যাত রাজাকার। মুক্তিযুদ্ধের সময় সে কেশবপুরের মানুষের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে, লুট করেছে”।

===========================x==========================
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×