একজন সাবেক শিবিরের আত্মকাহিনী - ১৮ (মেডিকেলে প্রথম দিন)
০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
যতদূর মনে পড়ে, আমাদের ক্লাস শুরু হয়েছিল রোজার মধ্যে। আমি উঠেছিলাম ফজলে রাব্বী হলের ১২৩ নম্বর রুমে। দোতলায় মসজিদ। তার উত্তর পাশে রুমটা ছিল ১২৩ নম্বর। রুমটি ছিল অনেক স্মৃতি বিজড়িত। শিবিরের এক সময়কার কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের এই রুমে থাকতেন। ঢামেকসুর তিনি জিএস ছিলেন। এই রুমের সামনে তাকে কিছু সন্ত্রাসী আক্রমণ করেছিল। তিনি মারাত্মক আহত হয়েছিলেন। তিনি গত সংসদে কুমিল্লার একটি আসন থেকে এমপি হয়েছিলেন। ২০০৫ এ তার সাথে একদিন সচিবালয়ে দেখা হয়েছিল। তখন আমি কৃষি মন্ত্রণালয়ে কাজ করতাম। অনেকদিন পরেও তিনি চিনেছিলেন।
কয়েকদিন পর ছাত্র ইউনিয়নের নেতা আমাকে তাহের ভায়ের কাহিনী বলে হুমকী দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, 'ঐ রুমের সামনে তোমাদের কেন্দ্রীয় সভাপতির রক্ত ঝরিয়েছি। সাহস থাকলে শিবির কোরো।' মেডিকেলের শেষ দিন পর্যন্ত সাহস করেই শিবির করেছি।
আমাদের ব্যাচে শিবিরের অনেক কর্মী ভর্তি হয়েছিল। ১৮-২০ জনের মত। প্রথম ক্লাসে আমরা শিবিরের পক্ষ থেকে কিছু গিফট দিলাম সকল ছাত্র-ছাত্রীকে। একটা কাগজের কলমদানী আর একটা ডেস্ক ক্যালেন্ডার। বিতরণ করেছিলাম আমি আর আবিদ। প্রথম দিনেই শিবির কর্মী হিসাবে পরিচিত হয়ে গেলাম।
চলবে ..
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির...
...বাকিটুকু পড়ুনএসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।
দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন
-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে...
...বাকিটুকু পড়ুন