আমরা অন্যের ব্যাথায় ব্যাথিত হতে পারি এটা জন্য আমাদের হয়ত সহমর্মিতা প্রকাশ হতে পারে কিন্তু যার উপর দু:খের আকাশ ভেংগে পড়েছে তার কাজে আসবে কি আমার সহমর্মিতা নামক প্রলেপ? না হয়তো সেটা সাময়িক। কিন্তু এই বিপদ যে আমাদের মাথার উপর আসবে না তার গ্যারান্টি কি? আজ বোন তনুর জীবন নিয়েছে ওরা কাল অন্য কোন বোনের ইজ্জতে হাত দিবে না ওটার কে জিম্মাদার হবে? সরকার না আমরা? মনে হয় আমাদেরই ভূল! কারণ আমদের বিবেক নামক বিচারাগার আজ অন্ধ প্রায়।আমরা সব বিষয়ে আন্দোলন করতে পারি এমনকি ধর্মের নামে নোংরা রাজনীতির খেল ও খেলতে পারি। নিজের স্বার্থের জন্য মানুষের বলি দিতেও কুন্ঠাবোধ করি না।
আজ যারা এই অপকর্মে লিপ্ত তারা কেউ হয়ত আমার আপনার ভাই,ছেলে,আত্নীয়,পাড়াপ্রতিবেশি,
নিজের অধীনস্থ কর্মচারী, বা নিজের দলীয় লোক।আজ এদের ছাড় দিচ্ছি অন্যের মেয়ে বা বোনের ইজ্জত ও জীবন চলে গেছে বলে কাল যে আমার ও আপনার বোন,প্রেয়সী ও জননীর উপর এই নিষ্টুরতা ওরা চালাবে না এর ভরসা কি?
আমি বিচার চাইবো না ! আমি এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মোহদয়ার কাছে আর্জি আপনি আমাদের জিম্মাদার আপনি এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যাবস্থা করে সর্বনিম্ন হলে ও একজন জননী, ভগ্নী ও নারীর দায়ীত্ববোধটুকু পালনে সাহসী পদক্ষেপ রাখতে আজ্ঞা হয়।
সর্বশেষ বলব বোন তুমার মৃত্যুর প্রতিশোধ হয়তো নিতে পারবো না কারণ এখানে কেউ কেসাস কায়েমকারী নেই বললেই হয়ে যাব মৌলবাদী কিংবা জংগী।কিন্তু উপর ওয়ালার দরবার তো আর বন্ধ নয়। তার ইনসাফ থেকে কেউ রেহাই পাবে না।আল্লাহ তুমাকে জান্নাতের উচ্চাসনে সামসীন করুন।আমিন।

সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ১:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



