আবার এসেছি আমি। বসে আছি তোমার উঠোনেঃ
প্রোথিত শিকড় নিম্নেঃ উর্ধে তরু, পাতার প্রতীকে
ধুঁকে ধুঁকে আমি আজো অবকাশ, বসন্তবাতাস, ঋতু, সবুজ ঝালর
জানিনা কিসের কান্নাঃ শিকড়ে ও সঘন বাকলে
তবু চলে স্ববিরোধ,- যদি চাই ভ্রুনমাটি.- অন্তরীণ আঘাতে লবণ
তখোন আমাকে দেয় অনাবৃষ্টি, ক্ষনমৃত্যু, বৈশাখের বিলোল দহন!
ভিতরে দ্বিধার ক্ষেত্রঃ বাইরে তাই একা একা যতদূর পারি
নিজেকে নিবিষ্ট করি, শব্দে শূন্যে স্বভাবে ও অভাবে একক
তোমাতে স্থির হই- কিন্তু নীচে ভিন্নদেশ আমাতে চঞ্চল!
চেপে যাই, তবু একি অস্থিরতা, অন্তরালে একি ঝড় বয়!
ভাঙ্গে, খণ্ড খণ্ড করে যেনো সব নিয়ন্ত্রিত গোপন বিন্যাস
আমাতে লুকিয়ে ছিলঃ আজ তারা অকস্মাৎ এদিকে ওদিকে
খুলে পড়ে, পাখি, বীজ, অমরতা, লৌহবোধ, শক্তির বিকাশ!
আর আমি পড়ে থাকি একা একা দ্রবীভুত আত্মার কানন,
আমাকে দেখেনা কেউঃ না পুষ্প না ফলশ্রুতি- অদৃশ্য হাওয়ার
সেচ্ছাচার ধীরে ধীরে গিলে খায়- নিয়তিও আমাকে অস্থির
বধির বিনাশে রেখে ধাবমান, দ্যাখো ঐ, ঐ ধাবমান!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


