ব্লগে চুলাচুলি দেখতে বিরক্ত লাগছে। সবাই উম্মাদ হয়ে গেছে খানিক সময়ের জন্য। এই ব্লগে এসে আমার বাংলা অশ্লীল শব্দজ্ঞান বাড়ছে চক্রবৃদ্ধি হারে। মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাবোধও কমছে ক্রমাগত। কিছু ব্লগ পড়ে বিরক্তিতে যখন মাথা ধরে এসেছে, তখন বাবা মায়ের মাঝে গিয়ে বসে পড়লাম। ইউনি থেকে টিউশনিতে গিয়েছি, সেখান থেকে বাসায় এসে খুব ক্লান্ত লাগছিল। রান্নাঘরে উঁকি দিয়ে দেখি মা রান্না করছে, বাবা শাক কেটে দিচ্ছে। টুকটুক গল্প করছে দু'জন। সুন্দর লাগছিল। আমি আস্তে করে সটকে পড়লাম। তখনই ব্লগে বসে বিরক্তিটা বাগিয়েছি। কি বলব, এক একজন সহব্লগার মনে এতো বিষ আর আজাইরা কুতর্ক নিয়ে ঘুমান ক্যামনে বুঝি না। এই বিরক্তি নিয়ে মা বাবার সাথে একটু খোচাখোচি করতেই মন:ব্যথা একটু কমলো। পুরোপুরি চলে গেল রাতের খাবার খেয়ে। মাই ডিয়ারেস্ট মাদার চমতকার পুঁই শাক আর ইলিশ মাছের ডিম রান্না করেছে। অসাধারন। খুব খারাপ লক্ষণ... ইদানিং বাঙালি খাবারের প্রতি টান বেড়ে গেছে। বাংলাদেশ থেকে এসে তবে শুটকি খাওয়া শিখেছি, আগে এক চোখেও দেখতে পারতাম না। লাউ রুই মাছ, ডাটা শুটকি, লাউ বীচির ভর্তা, টমেটো কেঁচকি, ঝিঙে ভাজি, শিম বীচির তরকারি... এগুলো ছাড়া বাঁচবো কি করে জানি না, কিন্তু গাঢ় সন্দেহ আছে আমি রাঁধলে এতো মজা হবে। আসলেই ধর্য্যই হবে না এতো কষ্টের। মায়ের সাথে থাকতে থাকতেই তাই খেয়ে নিতে হবে যতো পারি। মাঝে মাঝে তরকারিগুলো এতো মজা লাগে যে মাঝ রাতে নিজেকে আবিষ্কার করি ফ্রিজ খুলে তরকারি ভক্ষণরত অবস্থায়। আজকের রাতে আসবে পুঁই শাক আর ইলিশ মাছের ডিমের পালা...
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে মার্চ, ২০০৬ ভোর ৫:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




