পেপাল আগে থেকেই আমাদের দেশে বন্ধ।অনেক কাজেই অনলাইন ট্রান্সেকশন করা দরকার পরে।তাই,ব্র্যাক ব্যাংকের ডুয়াল কারেন্সি ইউনিভার্সাল কার্ড করিয়ে নিয়েছিলাম।কার্ড টা থাকায় অনলাইন ট্রান্সেকশনের জন্য ভার্সিটি এডমিশন,জিআরই সেন্টার এদের উপর নির্ভর করে থাকতে হয়নি।আজ ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধ করতে গিয়ে ব্যাংকে গিয়ে শুনলাম সীমিত আকারে যে অনলাইন ট্রানসএকশন করতে পারতাম বাংলাদেশ ব্যাংক তাও বন্ধ করে দিয়েছে। কতটা হাস্যকর একটা লক্ষ্য আমাদের-ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলা!!!!
যতদূর জানি ক্রেডিট কার্ডে অনলাইন ট্রান্সেকশনে বাংলাদেশ ব্যাংকের ইন্ডোরসমেন্ট রুল(৫০০০ ইউএসডি সার্কের বাইরে ১ বছরের লিমিট) ফলো করতো ব্যাংক গুলো।প্রতিটা ট্রান্সেকসন ডিটেইলস ব্যাংকগুলোর ডাটাবেইসে থাকতো;চোখের আড়ালে তাই অবৈধ কিছু করা মোটামুটি অসম্ভবই ছিল। সাধারণ গ্রাহক ক্রেডিট কার্ডের বিল দিতে ব্যাংকের কমন টাকা জমা/তোলার লাইনে ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে বিল দিত।সেটাও এখন থেকে আর পারা যাবেনা।
খালি বাইরে থেকে টাকা ঢুকতে পারবে,দেশ থেকে এক টাকাও বাইরে যেতে দিবনা:এইটা খুব একটা স্মার্ট মুভ না। কিছু অহেতুক ঝামেলা কে দূর করে জীবনকে কিছুটা সহজ করার জন্য যারা এ ধরণের কার্ড ব্যবহার করত; এই কূপমন্ডুকতা তাদের অনেকের জীবনেই অঝথা কিছু দুর্ভোগ বয়ে আনবে।
ড: আতিয়ার রহমান কে অন্য অনেকের চেয়েই একটু অন্য চোখে দেখতাম;তিনিও হতাশ করে যাচ্ছেন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


