বিজ্ঞানি আইনস্টাইনের এমন একটা উপমা ছিল
“science without religion is lame, religion without science is blind’
” আর্থাৎ ‘ধর্মহীন বিজ্ঞান খন্জ্ঞ আর বিজ্ঞান হীন ধর্ম হল অন্ধ।’ সেইথেকে হইচে, সে একজন আস্তিক, ধর্ম ভিরু....., আমাকে একজন বলে বসলেন সে ইসলাস গ্রহন করেছিলেন, মরার আগে আল্লাহের নাম নিয়ে মরেছে!!!!!!!!!!!
যাই হোক এই গুলি মুক্ত-মনার লেখক দিগন্ত সরকার এর বিজ্ঞান ওধর্ম আলকার্ট আইনস্টাইন ইবুক হতে নেয়া।
“আমার ধর্ম-পীতি নিয়ে যা শোনা যায় তার সবটাই মিথ্যা ও উদ্দেশ্য মূলক ভাবে প্রচারিত। আমি কোন ব্যাক্তি ঈশ্বরে বিশ্বাস করি না এবং এটা আমি স্পষ্টভাবে বার বার জানিয়ে এসেছি। আমার মধ্যে ধর্ময় ভাব বলতে শুধু আছে এই আসীম রহস্যময় মহাবিশ্বের বিশলতার প্রতি এক বিস্ময়।”
- Albert Einstein, in a letter March 24, 1954; from Albert Einstein, the Human Side, Helen Dukas and Banesh Hoffman, eds., Princeton, New Jersey, Princeton University Press, 1981, p 43
“ব্যক্তি ঈশ্বরের দারনা আমার কাছে একেবারেই ভিন দেশি, এবং ক্ষেত্রবিশেষ খুবই সরল”
- Albert Einstein in a letter to Beatrice Frohlich, December 17, 1952; from The Expanded Quotable Einstein, p. 217.
“আমি বলতে পারি গভীরভাবে ধর্মনিষ্ট অবিশ্বাসী। এটাকে বলা যেতে পারে এক শ্রেণীর নতুন ধর্ম।”
- Albert Einstein in a letter to Hans Muehsam, March 30, 1954; from The Expanded Quotable Einstein, p. 217.
“ব্যক্তি ঈশ্বরের ধারনা আমার কাছে কল্পনার নারত্বরোপ ছাড়া কিছু নয়, আর এটাকে আমি এত গুরুত্ব সহকারে নিতে পারি না। আমি মানবীয় বৃত্তের বাইরে কোন ইদ্দেশ্য এবং গন্তব্য কল্পনা করতে পারি না। আমার চিন্তাধারা অনেকটা স্পিনোজার দর্শনের কাছাকাছি- সৌন্দর্যের প্রতি যার ছিল প্রগাড় প্রশস্তিবোধ, আর শৃংখরার সরল যুক্তির উপর ছিল- একে আমরা আস্বাদন করতে পারি বিনম্র চিত্তে কিন্তু আসম্পূর্ণভাবে।”
- Albert Einstein, 1947, from Banesh Hoffmann, Albert Einstein: Creator and Rebel, New York: New American Library, 1972, p. 95.
“কেন আপনি ভাবছেন ঈশ্বর ইরেজদের শাস্তি দেবে – এই ধারনা আমি সমর্থন করব? আমার ঈশ্বর কিংবা ইংরেজ-এ দুজনের কারও সাথে কোন সস্পর্ক নাই। আমার শুধু খারাপ রাগে এ কথা ভেবে যে, ঈশ্বর তার অগনিত সন্তানদের ইচ্ছামত দিতে পারেন তাদের নির্বুদ্ধিতার জন্য, আথচ যে সব নির্বুদ্ধিতার মূল কারণ আসলে সে নিজে- এটা আযুহাতেই তিনি তা তেকে মক্তি পেতে পারেন, আর তা হল তার অনস্তিত্বী।”
- Albert Einstein, letter to Edgar Meyer, a Swiss colleague, January 2, 1915, from The Expanded Quotable Einstein, p. 201.
“যতই মানব সভ্যতা সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, ততই আমি খুব নিশ্চিতভাবে বুঝতে পারিছি যে, সত্যিকারের (মানবিক) ধর্মপরায়নতা কখনই জীবন কিংবা মৃত্যুভয়ে ভীত থাকতে পারে না, আন্ধ বিশ্বাসে নিমজ্জিত থাকতে পারে না, বরং এটি যৌতিক জ্ঞানের পেচনে ধাবিত হবে।”
- Science, Philosophy and Religion, A 1934 Symposium, published by the Conference on Science, Philosophy and Religion in their Relation to the Democratic Way of Life, Inc., New York, 1941.
“আমি সে রকম দারনাকে মন থেকে মেনে নিতে পারি না যার ভিত্তি গড়ে উঠেছে মৃত্যু থেকে কিংবা অন্ধবিশ্বাসের কাধে ভর করে।”
-Albert Einstein, from Einstein: The life and Times, p. 622.
“আমি স্পিনোজার ঈশ্বরে বিশ্বাসী যে ঈশ্বর মহাজাগতিক ছন্দে নিজের ধারনা দেন, আর সেই ঈশ্বরে আমি বিশ্বাস রাখতে পারি না যে মানুষের কতৃকর্ম নিয়েই ব্যস্ত থাকে।”
- Albert Einstein, following his wife's advice in responding to Rabbi Herbert Goldstein of the International Synagogue in New York, who had sent Einstein a cablegram bluntly demanding "Do you believe in God?"
“কিছুকিছু ক্যাথলিক সংস্থার আচার – আচারণ ক্যাথলিক ধর্মাবলম্বীদের পক্ষে কুবই ক্ষতিকর। সারা পৃথিবীতে যখন জনসংখ্যা বৃদ্ধির সমস্যা পৃথিবীর শান্তি বিঘ্নিত করতে চলেছে, সেইসময় তারা জন্মনিয়ন্ত্রনের বিরোধিতা করে চরেছে।”
- Albert Einstein, letter, 1954
“আমি মনে করি অমরত্বের বিশ্বাসী নই। আমি মনে করি নৈতিকতা মানুষের জন্য ভাল কিন্তু এটা ব্যাখ্যা করার জন্য কোন অতি প্রাকৃতিক শক্তির কল্পনা করার প্রয়জন নেই।”
- Albert Einstein, letter to a Baptist Pastor, from Albert Einstein: The Human Side, edited by Helen Dukas and Banesh Hoffman, Princeton University Press
“বৈজ্ঞানিক গবেষণার ভিত্তি হচ্ছে প্রাকৃতিক নিয়ম কানুনের সাহায্যে ব্যাখ্যা দেয়া। কাজেই এটি কার্যকারনের সাথে যুক্ত। সে কারনে, একজন বৈজ্ঞানিক গবেষক বিশ্বাস করেন না যে প্রার্থনার মাধ্যমে কোন কিছু প্রভাবিত হয়, কিংবা কোন অলৌকিক সত্তার ইচ্ছা-আনিচ্চায় কিছু ঘটে।”
- Albert Einstein in response to a child who had written him in 1936 and asked if scientists pray; from Albert Einstein: The Human Side, edited by Helen Dukas and Banesh Hoffman, Princeton University Press, p 32.
“মানুষের নৈতিকতার জন্য তো ধর্মের কোন দরকার নেই, দরকার মানবিকতা, সহমর্মিতার, শিক্ষা আর সামাজিকতার। মানুষ যদি পরকালের শাস্তির কথা ভেবে নৈতিক হয়, সে নৈতিকতার মহাত্ত্ব কোথায়।”
- Albert Einstein, Religion and Science, New York Times Magazine, 9 November 1930

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


