somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পদকের লড়াইয়ে শুরু থেকেই যথারীতি যুক্তরাষ্ট্রের দাপট অলিম্পিক ২০১৬

০৮ ই আগস্ট, ২০১৬ রাত ১১:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ব্রাজিল সময় রবিবার রাত ১২টায় স্বর্ণ পদকের শেষ লড়াইটা ছিল পুরুষ ৪ল্প১০০ মিটার রিলের। শেষটায় বাজিতাম করে পদক তালিকায় চীনকে পেছনে ফেলে শীর্ষে ওঠে যায় যুক্তরাষ্ট্র। রাতের শেষ স্বর্ণ পদকটি জিতে ফেলপস বাহিনী। যার নায়ক তো জলদানব ফেলপসই। তবে অন্য তিন সতীর্থকেও খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। দলীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতার সাফল্যে কৃতিত্বের দাবিদার সবাই। তবে ফিনিশিংটা ছিল ফেলপসকে দিয়ে। আর এ কারণে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠলেন তিনি। রিলের এই স্বর্ণ পদক জয়ের মধ্যে দিয়ে মাইকেল ফেলপস শুরু করলেন তার অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনের মিশন। রিও হচ্ছে তার ক্যারিয়ারের শেষ অলিম্পিক। এমনিতেই ২২ পদক শোকেসে তুলে রেকর্ড বুকে নাম লিখে রেখেছেন এই আমেরিকান। সেটা আরও আলো ঝলমলে করে তুলতে জীবনের শেষ তকমাটা দেখাতেই মুখিয়ে আছেন রিওতে। যাত্রাটাও অসাধারণ। ফিনিশিং মার্ক স্পর্শ করার সঙ্গে সঙ্গে পানির মধ্যেই দু’হাতে জয়ের অনুভূতিটা তিনি প্রকাশ করলেন বেশ আবেগের মধ্যে। অন্যদিকে গ্যালারিতে মার্কিন দর্শকদের মুহুর্মুহু করতালি। উৎসবে মাতোয়ারা দর্শকদের উদ্দেশ্যে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করতেও দেখা গেল ফেলপসকে। তবে একটা বিষয় পরিষ্কার বয়স মানুষের জীবনের চাওয়া পাওয়ার বড় একটা ফ্যাক্টর। ৩১ বছর বয়সী ফেলপসকে দেখে সেটা আরও পরিষ্কার হলো। রিলের হিটে কোয়ালিফাই করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র দলে ছিলেন না তিনি। দল অবধারিত কোয়ালিফাই করায় খেলছেন সরাসরি স্বর্ণ পদকের জন্য। খোদ মার্কিন সাংবাদিকরাই বলছিলেন, শক্তি জমিয়ে রাখতেই হিটে অংশ নেননি ফেলপস। কারণ বয়স, বিষয়টা ফেলপস নিজেও উপলব্ধি করেছিলেন। চোখের সামনে সাঁতারের এই মহাতারকা পানি থেকে ডাঙ্গায় ওঠার পর দেখা গেল শরীরের, হাতের মাংসপেশি আগের মতো নেই। অনেকটা ভাঁজ পড়েছে, সুঠামদেহী বুকের চামড়ার মধ্যেও কিছুটা খাঁজকাটা ভাঁজ, ঝুলে গেছে শক্ত-সবল পেশি। অর্থাৎ মুখম-লসহ সবকিছুতেই বার্ধক্যের ছাপ। ফেলপস নিজেও মানছেন বয়স হয়েছে। আর এ কারণেই ক্যারিয়ারের ইতি টানতে প্রস্তুত রিওতে।

সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই আগস্ট, ২০১৬ রাত ১১:৫৭
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরো...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫২

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরোচ.....

বিপ্লবের লক্ষ্য কী- পরিবর্তন, নাকি প্রদর্শন?
বাংলাদেশে জেন-জি স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে; কিন্তু প্রশ্ন- স্বৈরাচার গেছে, স্বৈরাচারী মানসিকতা কি গেছে?
যে তরুণ প্রজন্ম গণতন্ত্র, অধিকার ও মর্যাদার দাবিতে রাজপথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

রম্য: পর্নের সেকাল একাল!

লিখেছেন গেছো দাদা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৬

গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক নিয়ে অনেকদিন ধরে লিখব লিখব করছিলাম। সময় হচ্ছিল না। আজ এই গভীর রাতে মনে হলো, লিখেই ফেলি। কেন মনে হলো, সে আলাপে আর না যাই। টপিক হলো:... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশভাগ এবং ধর্ম- অধর্ম

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪



শীতের শেষে সমস্ত গাছের পাতা ঝরে পড়ে।
তখন পাতা ছাড়া গাছ একদম রুগ্ন মনে হয়। শুকনো পাতা দিয়ে মাটির পথ ঢেকে যায়। সেই পথ দিয়ে কোনো পথিক হেটে গেলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিরো থেকে হিরো (মহাজগৎ সংক্রান্ত) - পর্ব-১

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫০




কোন কিছুর অস্তিত্ববিহীন অসীম শূন্যে উদ্ভব ঘটেছে সকল বস্তু ও শক্তি উপাদানের। তাতে কোন স্থান না থাকায় উক্ত বস্তু ও শক্তি উপাদান সমূহ একে অপরের স্থান হয়েছে। সুতরাং... ...বাকিটুকু পড়ুন

শব্দের শক্তি, ভাষার মাধুর্য....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:৫২

এমিরেটস, কাতার এয়ার লাইন্স ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট রিক্রুটমেন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে গ্রুপ ডিসকাশন। গ্রুপ ডিসকাশনের সারমর্ম হচ্ছে—৬-৮ জন কয়েকটি গ্রুপে একটি নির্দিষ্ট টপিক নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করবে। নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×