somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

» গ্রামাকাশের ছB (মোবাইলগ্রাফী-৩৯)

২০ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



গ্রামের পরিবেশ সব সময়ই ভালো লাগে আমার। কারণ গ্রামেই বড় হয়েছি। চাকুরীর সুবাদে ২০০১ সালে ঢাকা আসছি। আর তেমনভাবে থাকা হয়নি গ্রামে গিয়ে। বছরে একবার শ্বশুরবাড়ী আর একবার বাপের বাড়ী। কোনোদিনও এক সপ্তাহের বেশী না। আর বেশীরভাগই যাওয়া পড়ে শীত সিজনে। শুষ্ক রুক্ষ পরিবেশ গ্রামের তখন। মরা ঘাস, গাছপালায় মরা পাতা, খরখরে মাটি। সজীবতা বলতে কিছুই থাকে না। আকাশের অবস্থায়ও যাচ্ছে তাই ফিকে বিবর্ণ।

শীত সিজনের ছবি তেমন সুন্দর আসে না আকাশের কারণে। সাদা আকাশের কাছে সব ছবিই ম্লান হয়ে যায়। তবে এবার ব্যতিক্রম হয়েছে। বাবার বাড়ী গিয়েছিলাম জুলাই মাসে। সে সময় প্রকৃতি অনেক সুন্দর ছিলো আর আকাশটা মাগো মা। কী যে সুন্দর মান অসহ্য সুন্দর। আর গাছ লতা পাতা, ঘাস সবই সবুজ। কারণ তখন বৃষ্টির সিজন। মোবাইল ক্যামেরায় যা-ই তুলি অদ্ভুত সুন্দর আসে ছবিতে। স্নিগ্ধ আর সবুজাভ ।

তারপরের মাসে মানে আগস্ট মাসে শ্বশুর বাড়ী যাই । সে সময়ের প্রকৃতিও আলহামদুলিল্লাহ অদ্ভুত সুন্দর। চারিদিকের আকাশ একেকরকম। পুবে গেলে দেখি শুভ্র মেঘ ভর্তি আকাশ। পশ্চিমে গেলে দেখি দলছুট মেঘেরা ভেসে বেড়াচ্ছে আকাশে। । ক্ষেতের পানিতে আকাশের সব মেঘে নুয়ে আছে যেনো। এই অদ্ভুত সুন্দর প্রকৃতি তুলে এনেছি স্যামসাং এস নাইন প্লাস মোবাইল ক্যামেরায়। ইনশাআল্লাহ আপনাদের ভালো লাগবে আশাকরি। একেকটা ছবিই যেনো আমার কবিতা। এই একেকটির ছবির সাথেই অসংখ্য কবিতা লেখা হয়ে যায় যদিও আমি বলি অকবিতা। কারণ আমি জানি ছন্দ কাব্যিকতা বেশীর ভাগই আমার লেখায় থাকে না। তবুও লিখি মনের আনন্দে লিখি। যতদিন হাতের জোর আছে ইনশাআল্লাহ লিখে যাবো। অনুভূতিগুলো বন্দি করে রেখে যাবো দুনিয়ায়। কেউ না কেউ কোনো একদিন যাতে বলে এই বদ মেয়েটায় নেট জগত ভরাইয়া রাইখা গেছে ছাইফাস লেখা দিয়ে হাহাহা। তাতেই আমার আনন্দ তাতেই আমার সুখ। ভালো থাকুন সবাই ফি আমানিল্লাহ।

১।



২্।



৩।



৪।



৫।



৬।



৭।



৮।



৯।



১০।



১১।



১২।



১৩।



১৪।



১৫।



১৬।



১৭।



১৮।



১৯।



(পোস্ট টি নীল আকাশ ভাইয়াকে উৎসর্গ করা হলো)
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:১৫
২৬টি মন্তব্য ২৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আওয়ামী লীগ ফিরতে পারে, তবে…

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:২০




১। ২০১২ থেকে সংঘটিত আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১২ বছরের গু/ম, খু/ন, অ*পশাসন, গণতন্ত্র হ*ত্যা, নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বং*স, দুর্নী*তি, বাকস্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকার হরণের মাত্রা এমন চরমই ছিল যে, শুধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

মহাসাগরের ধারের সেই ছোট্ট দ্বীপ সামোয়া এবং বিশ্বকাপ ফুটবল

লিখেছেন হাসান মাহবুব, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৩২

বিশ্বকাপের এই মৌসুমে ফুটবল নিয়ে একটা দারুণ হার্ট লিফটিং মুভি দেখে ফেললাম - "Next Goal Wins"
গল্পটা আমেরিকান সামোয়ার জাতীয় ফুটবল দলকে নিয়ে। ২০০১ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৩১-০ গোলে হেরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাস্তায় পড়ে থাকা একপাটি জুতো

লিখেছেন সাব্বির আহমেদ সাকিল, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৫২



রাস্তায় চলার পথে এমন দৃশ্য আমার মাঝেমধ্যেই চোখে পড়ে। আজও বাসায় ফেরার সময় ঠিক এমনই একটা দৃশ্য দেখে থমকে দাঁড়ালাম—রাস্তার একপাশে নিথর হয়ে পড়ে আছে একটি শিশুর একপাটি জুতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিনেমা-গান-খেলাধুলা

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ২:১৭

আইন সমাজ নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি নয়। আইন দৃশ্যমান, প্রতিরোধযোগ্য। সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো মানুষকে নিজেই নিজের আনন্দ নিষিদ্ধ করতে শেখানো। জীবন থেকে আনন্দের উচ্ছেদ ঘটানো। এই কাজটি বাংলাদেশে গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রতি বছর জুলাই আসলেই কি কাউয়া ক্যাচাল লাগতে হবে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:৫০


জুলাই মাসটা আবার ঘুরে ফিরে আসতেই দেশের রাজনৈতিক পাড়ায় পারদ চড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে যারা গত দুই বছর আগের আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলেছেন, তাদের কাছে এই জুলাইয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×