আইনের অভাব রে ভাই, আইনের অভাব।
আজ যদি আইন করা হয় ধর্ষন করা হলে ধর্ষককে জনসম্মুখে হত্যা করা হবে তাহলে দেখবেন একটা লোকও ধর্ষনের কথা ভাবতে সাহস পাবে না।
আজ যদি আইন করা হয় বিয়ের পূর্বে মেয়েদের কুমারী পরীহ্মা করতে হবে তাহলে দেখবেন একটা মেয়েও রাস্তাঘাটে প্রেম করবে না, রুমে যাবে না কিংবা কেউ অশ্লীলতা করার সাহসও পাবে না।
শুধুমাত্র আইনের অভাবে দেশে নারীদের উপর আজ অরাজকতা শুরু হয়েছে।
পর্দা করে কখোনই ধর্ষন বা ইভটিসিং রোধ যাবে না, যাবে না, যাবে না।
অনেকেই বলে থাকে যে মেয়েদের আপত্তিকর পোশাকের জন্য এবং পর্দাহীনতার জন্য বেশির ভাগ সময় মেয়েরা ধর্ষণ এবং ইভটিসিংসের শিকার হয়। এমন চিন্তা সব হ্মেত্রেই কিন্তু ঠিক নয়।
২ বছরের শিশু সেও এদেশে ধর্ষন হয়। এর কারন কি পর্দা? কখনই কিন্তু তা নয়।
এমন কাজ একজন বিকৃত মস্তিষ্ক এবং মনমানসিকতার ছেলেদের দ্বারাই সংগঠিত হতে পারে। আমার মতে এরা কখোনই সুস্থ হতে পারে না। এরা অসুস্থ, এদের চিকিৎসা দরকার।
২বছরের শিশু সে যৌনতার কি বোঝে? পোশাকেরই বা কি বোঝে?
আমি অনেক দেখেছি এবং আপনারা অস্বীকার করতে পারবেন না যে একটা সুন্দর মেয়ে সে বোরখা পড়বে, শরীর ঢেকে রাখবে কিন্তু তার মুখটা যদি আংশিক পরিমানও খোলা রাখে তবে তার অপর ১০০% নজর দেবে ছেলেরা, প্রেমের প্রস্তাব পাঠাবে অনেকে, অনেক ছেলেই তার পিছনে লাগবে অর্থাৎ মেয়েটির সুন্দর মুখ দেখেই সবাই মেয়েটির উপর নজর দিচ্ছে বা টার্গেট করছে।
এখানে মেয়েটির মুখ আংশিক খোলার কথা বর্ননা করলাম। মেয়েটির মুখটা খোলাও কি তাহলে অপরাধ?
এবার দেখুন আর একটি মেয়ে তার মুখটাও পর্দা করা, শুধুমাত্র তার চোখ দুইটা, হাত এবং পায়ের পাতা দেখা যাচ্ছে। তার কাজল দেওয়া চোখ দেখে কিংবা মেয়েটির পায়ের সৌন্দর্য্য কিংবা হাতের সৌন্দর্য দেখেই কিন্তু অনেক ছেলে মেয়েটির পিছনে লেগে যাই, প্রেমের প্রস্তাব দিবে তাকে এবং বলবে তাকে না দেখেই সবাই ভালবেসে ফেলেছে ঈত্যাদি ঈত্যাদি ভাবে মেয়েটিকে বিরক্ত করা হবে। তাহলে এই মেয়েটি এখন কি করবে?
এখানে আমি যে দুইটা মেয়ের উদাহরন দিয়েছি তার প্রমান একটা নয়, অনেকগুলো আছে আমার কাছে এবং এটা কেউই অস্বীকার করতে পারবেন না।
পর্দাটা মূল বিষয় নয়। শুধুমাত্র সঠিক আইন না থাকার কারনে আজকাল পর্দা করেও অনেক মেয়ে নোংরা কাজ করছে। একটি মেয়ে পর্দা করলেও তাকে কোন ছেলে বিরক্ত করবে না বা পর্দা করা মেয়েটি যে ভালো হবে এমন গ্যারান্টি কেউ দিতে পারবে না এই যুগে।
তাই ধর্ষন বা ইভটিসিং বা অশ্লীলতা দমনের জন্য দরকার কঠোর আইন। কঠোর আইনের বিকল্প আর কিছুই নেই।
উপরের বর্নিত সাজা দুটি যদি এদেশে কার্যকর হয় তবে আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি ৯৫% ধর্ষন বা ইভটিসিং বা অশ্লীলতা রোধ হবে এদেশ থেকে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



