প্রসঙ্গ: ব্লগার নীলয় হত্যা
প্রথমে নাম দেখলে বুঝতেই পারবেন না যে তিনি মুসলিম নাকি হিন্দু। ফেচবুকে ছদ্ম নাম Niloy Neel কিন্তু তার আসল নাম #নীলাদ্রী_চট্টপাধ্যয়।
তার ফেচবুক আইডি https://www.facebook.com/Niloy.Neeel
নীলাদ্রী নিলয় হিন্দু ধর্মের অনুসারী হয়েও দীর্ঘদিন ধরে তিনি ইসলাম ধর্ম নিয়ে উসকানী দিয়ে যাচ্ছিল যাকে এক কথাই বলে ধর্মী অনুভূতিতে আঘাত।
ইসলাধ ধর্ম নিয়ে কথা বলার নিলয় কে তিনি তো একজ হিন্দু?
সে যদি ধর্ম বিজ্ঞানী হবে তবে তার ফেচবুকে হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধদের নিয়েও আক্রমনত্ত্ব লেখা থাকার দরকার ছিল কিন্তু সে শুধুমাত্র ইসলাম ধর্ম নিয়েই চুলকিয়ে যাচ্ছিল। এই চুলকানির কারন একটাই ফেচবুকে সবার নজরে আসা।
it's very important for all নাস্তিক এবং ধর্ম গবেষকদের জন্য যে চুলকানি একমাত্র কেনো ইসলাম ধর্মকে নিয়ে, অন্য ধর্মকে নিয়ে কেনো এরা চুলকাই না?
উত্তরে আমি বলবো: বর্তমান যুগে সব জায়গাতে (ফেচবুক এবং মিডিয়াতে) বিখ্যাত/কুখ্যাত হোওয়ার দুটি সহজ মাধ্যম হলো:
১. ইসলাম ধর্মকে নিয়ে বাজে কথা বলা
২. নিজেকে অশ্লীল হিসেবে পরিচিত করা।
এই দুইটা মাধ্যম যে কোন সাধারন মানুষকে খুব দ্রুত টাইম লাইটে আনতে পারে। লিলয় ব্যাচারা টাইম লাইটে ঠিকই এসেছে কিন্তু আসলে তার টাইম আউট হোয়ার পর এসেছে।
নিলাদ্রী নিলয় হিন্দু হয়েও মুসলিম ছদ্মবেশে ইসলাম ধর্মকে নিয়ে ফেচবুকে বিভিন্ন আপত্তিকর লেখা ও কার্টুন পোস্ট করত এছাড়া বিভিন্ন অশ্লীল ছবি তার timeline এ রয়েছে, এছাড়া তিনি সমকামীদের পহ্মে কথা বলতেন।
ইচ্ছা করলেই আপনারা তার id তে যেয়ে দেখতে পারেন। আর অনেকেই জানত না যে সে একজন হিন্দু।
তার লেখাগুলো অন্যান্য মৃত নাস্তিক ব্লগার গুলোর চেয়ে অনেক আলাদা ছিলো। আগের মৃত ব্লগার গুলো সবাই সরাসরি ইসলামকে নিয়ে শত্রুতা করত আর নিলয় তার আক্রমনত্ত্বক ভাষা ব্যবহার করে ইসলাম ধর্মকে আঘাত করত।
নিলয় যে ধর্ম নিয়ে লেখালেখি করত এটা তার পরিবার এবং আত্নীয় সজন কেউ জানত না, তার লেখালেখি ছিলো গোপনে এবং ছদ্মবেশে। মানুষ যখন অপরাধ করে তখন সে বিভিন্ন ছদ্মবেশ ধারন করে আর নীলয় এমনটাই করে আসছিলো।
সব শেষে কিছু কথা..
নিলয় নাস্তিক কিনা সে প্রসঙ্গে না যেয়ে আমার যতটুকু মনে হয়েছে সে ইসলাম বিরোধী ছিলো এবং ইসলামকে চুলকিয়ে মজা নেওয়াটাই তার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল।
তার টাইমলাইনের বেশির ভাগ পোস্টে ইসলামকে বিকৃত করে উধাহরন দেওয়া হয়েছে।
আমি অনেক আগেই বলেছিলাম যে "আপনি নাস্তিক হবেন এটা আপনার ব্যাপার কিন্তু নাস্তিক হয়ে ইসলাম ধর্ম নিয়ে বাজে কথা বলার অধিকার খালেদা, হাসিনা কিংবা তাদের পুত্র কিংবা কেউই আপনাকে দেই নি। অযথা এই অধিকার নিয়ে কথা বলতে গেলে আপনার উইকেট পড়ার সম্ভবনা বেরে যাবে ছাড়া আর কিছুই হবে না।"- নিলয়ের হ্মেত্রেও এটাই হয়েছে। বেশি চুলকাতে গিয়ে নিজেই বোল্ড আউট।
আর এই চুলকানো এবং বোল্ড হোয়ার জন্য আমি দায়ী করব একমাত্র এদেশের আইনকে।
এ কেমন আইন যে ধর্ম নিয়ে খারাপ কথা বললে তাকে বিচারের মুখোমুখি করা হয় না? এই ঠুনকো মার্কা আইন যতদিন থাকবে ততদিন বিচার কাজ মানুষ নিজের হাতেই তুলে নেবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই আগস্ট, ২০১৫ বিকাল ৪:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


