somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জীবন যেখানে যুদ্ধ দিয়ে শুরু

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৮:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জীবন যেখানে যুদ্ধ দিয়ে শুরু

বিজ্ঞান বলে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ পুরুষ একবার সহবাস করলে যে পরিমান বীর্য নির্গত হয়। তাতে ২০-৩০ কোটি শুক্রাণু থাকে, (নারীদের গর্ভে যদি সেই পরিমান স্থান পেতো তাহলে ২০-৩০ কোটি বাচ্চা তৈরী হতো)
এই ২০-৩০ কোটি শুক্রাণু, মায়ের জরায়ুর দিকে পাগলের মত ছুটতে থাকে; মাত্র ৩০০-৫০০ শুক্রাণু জীবিত থাকে। আর বাকিরা এই "ছুটে চলার" পথে ক্লান্ত অথবা পরাজিত হয়ে মারা যায়।
এই ৩০০-৫০০ শুক্রাণু
যেগুলো ডিম্বানুর কাছে যেতে পেরেছে।
তাদের মধ্যে মাত্র একটি মহাশক্তিশালী শুক্রাণু ডিম্বানুকে ফার্টিলাইজ করে, অথবা ডিম্বানুতে আসন গ্রহন করে।
সেই ভাগ্যবান শুক্রাণুটি হচ্ছেন আপনি কিংবা আমি অথবা আমরা সবাই কখনও কি এই মহাযুদ্ধের কথা মাথায় এনেছেন?

আপনি যখন দৌঁড় দিয়েছিলেন"
তখন ছিলোনা কোন চোঁখ, হাত, পা, মাথা, তবুও আপনি জিতেছিলেন।

আপনি যখন দৌঁড় দিয়েছিলেন"
তখন আপনার ছিলনা কোন সার্টিফিকেট, ছিলনা মস্তিষ্ক তবুও আপনি জিতেছিলেন।

আপনি যখন দৌঁড় দিয়েছিলেন"
তখন আপনার ছিলনা কোন শিক্ষা, কেউ করেনি সাহায্য তবুও আপনি জিতেছিলেন।

আপনি যখন দৌঁড় দিয়েছিলেন"
তখন আপনার একটি গন্তব্য ছিলো এবং সেই গন্তব্যের দিকে উদ্দেশ্য ঠিক রেখে একা একাগ্রচিত্তে দৌড় দিয়েছিলেন এবং শেষ অবদি আপনি জিতে ছিলেন।

আর আজ......??

আপনি কিছু একটা হলেই ঘাবড়ে যান, নিরাশ হয়ে পড়েন,
কিন্তু কেন?
কেন আপনি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন?

এখন আপনার বন্ধু বান্ধব, ভাই বোন, সার্টিফিকেট, সবকিছু আছে।
হাত-পা আছে, শিক্ষা আছে, প্ল্যান করার মস্তিষ্ক আছে,
সাহায্য করার মানুষ আছে,
তবুও আপনি আশা হারিয়ে ফেলেছেন।

যখন আপনি জীবনের প্রথম দিনে হার মানেন নি।
৩০ কোটি শুক্রাণুর সাথে মরণপণ যুদ্ধ করে ক্রমাগত দৌঁড় দিয়ে কারো সাহায্য ছাড়ায় প্রতিযোগিতায় একাই বিজয়ী হয়েছেন।

সেখানে আজ....
আপনি কেন হারবেন?

কেন হার মানবেন?
আপনি শুরুতে জিতেছেন, শেষে জিতেছেন, মাঝপথেও আপনি জিতবেন ইনশাআল্লাহ।
নিজেকে সময় দিন,
মনকে প্রশ্ন করুন কি প্রতিভা আছে তার?
মনের চাওয়া কে সব সময় মূল্য দিন,আর সব সময় আল্লাহকে স্বরণ করুন।
বিরামহীন লেগে থাকুন- ভরসা করুন আল্লাহ্ কে
আপনি জিতবেন।

(কারণ আপনার জন্ম সৃষ্টির লক্ষ্যে আপনাকে আল্লাহই জিতিয়েছেন)
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৮:৫৪
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

স্বপ্ন যখন মাঝপথে থেমে যায়: ঢাকার জলপথ ও এক থমকে যাওয়া সম্ভাবনার গল্প

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৮:২৫

ঢাকার যানজট নিয়ে আমরা অভিযোগ করি না এমন দিন বোধহয় ক্যালেন্ডারে খুঁজে পাওয়া যাবে না। অথচ এই যানজট নিরসনের চাবিকাঠি আমাদের হাতের নাগালেই ছিল—আমাদের নদীগুলো। সম্প্রতি বিআইডব্লিউটিএ ঘোষণা করেছে যে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

কেন আমি ইরানের বিরুদ্ধে-২

লিখেছেন অর্ক, ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:১৪



ইরান বিশ্বসভ্যতার জন্য এক অভিশাপ; এক কলঙ্ক। কাঠমোল্লারা ক্ষমতা পেলে একটি রাষ্ট্রের যে কি পরিণতি হয়, তার জ্বাজ্জল্যমান উদাহরণ ইরান। সম্পূর্ণরূপে অসভ্য বর্বর অসুস্থ রাষ্ট্র গড়ে উঠেছে সেখানে। যেখানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভাগাভাগি

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৭

ভাগাভাগি
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

এলাকায় এক ইফতার মাহফিল-এ
দাওয়াত পাই আর যথাসময় চলে যাই।
অনেক মানুষ পড়ছে দোয়া দুরুদ
ঘনিয়ে আসছে রোজা ভাঙার সময়।

তখন সবার সামনে বিলিয়ে দিচ্ছে বিরিয়ানি
আমার ভাবনা- হয়ত কেউ ভাবছে
যদি একসাথে খাওয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০২৩ এ ওয়াকআউট করেছিলেন, ২০২৬ এ তিনিই ঢাবির ভিসি ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২২


২০২৩ সাল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সভা চলছে। একজন শিক্ষক দাঁড়িয়ে বললেন, হলগুলোতে ছাত্রলীগের গেস্টরুম নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। কথাটা শেষ হতে না হতেই তৎকালীন ভিসি জবাব দিলেন, "গেস্টরুম কালচার... ...বাকিটুকু পড়ুন

এপস্টেইনের এলিট: ইসরায়েলের মিডিয়া নিয়ন্ত্রন এবং প্রপাগাণ্ডা

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৭ ই মার্চ, ২০২৬ ভোর ৬:৩৮


ইতিহাসবিদ ইলান পাপে বলেছেন, "ইসরায়েল অবৈধ বসতি স্থাপনকারী, ঔপনিবেশিক শক্তির একটি প্রজেক্ট। এটি ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় গড়ে ওঠা স্বাভাবিক রাষ্ট্র নয়, বরং রাজনৈতিক ও সামরিক শক্তির দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি ব্যবস্থা"। এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×