> যিনি স্মোক করে বেশ ভালো আছেন? যার ফুসফুসে কখনো কোন সমস্যা হয়নি যার শ্বাস কষ্ট হয়নি, দীর্ঘদিন কাশি রোগে যিনি ভোগেন নি?
> কেন রে ভাই? এমন জিনিস আপনারা খান যাতে ক্ষতি ছাড়া ভালো কিছু হয় না! চোখের সামনে বেশ কয়েকটা চেইন স্মোকার কে ফুসফুসের ক্যান্সার জনিত রোগে ধুঁকে ধুঁকে মরতে দেখলাম! অথচ এদের ভাষ্য ছিলো এমন- “ খাওয়ার মধ্যে তো এই একটা জিনিস-ই খাই” ! কি আজিব নেশা!! মরণ এর ভয় ও যাদের সেই নেশা থেকে ছোটাতে পারে না!
>> গতকাল রাতে বাপির খুব কাছের এক বন্ধু ( হিন্দু) মারা গেছেন ধুঁকে ধুঁকে ! যিনি আমাদের পরিবারের সুখ- দুখের, বিপদের সাথী ও ছিলেন! চেইন স্মোকার ছিলেন তিনি! কেউ তার সেই নেশা ছোটাতে পারেন নি! বললেই তিনি বলতেন- খাওয়ার মধ্যে তো এই একটা জিনিস ই খাই! গত কয়েক মাস আগে তার ফুসফুসে ক্যান্সার ধরা পড়ে, এরপর গলা থেকে মাথা সব জায়গায় তা ছড়ায়! কি যে কষ্ট পেয়েছেন তা বলার মত নয়! প্রথমে ক্যামো এরপর রেডিও থেরাপি দেয়! মাস দেরেক আগে এক আঙ্কেলের মেয়ের বিয়েতে তাকে লাস্ট দেখেছি, তখন ও তার থেরাপি চলছিলো, তবুও তার চোখে মুখে তখন বাঁচার কি ইচ্ছে দেখেছি ... অথচ ভালোভাবে বেঁচে থাকার সমস্ত পথ তিনি নিজেই শেষ করে রেখেছিলেন!
>>> এর থেকে বড় কথা- ক্যান্সার এমন একটা রোগ, যা শুধু রোগীকে না তার আশে পাশের সবাইকে মাইরা রেখে যায়, যাদের ঘরে ক্যান্সারে কেউ মারা গেছে তারা এই চরম সত্যটা জানে!! এর থেকেও চরম সত্য- ক্যান্সারের রোগীর লাস্ট স্টেজ এতটা কষ্টের হয় যে তার পরিবারের লোকজন সেই কষ্ট দেখে - তার মরে যাওয়াকেই শ্রেয় বলে মনে করে! গত বছর নভেম্বরে আমার নানাকে এই রোগে হারিয়েছি ( খাদ্যনালীতে ক্যান্সার হয়েছিলো তার) ! শেষের দিকে এত কষ্ট পেয়েছে যে সবাই চেয়েছে আল্লাহ্ তাকে তুলে নিক!!
>>> এই কারনেই বলছিলাম- যারা চেইন স্মোকার তারা কতটা ভালো আছেন? কতটা ভালো থাকেন এই গু- গোবর খেয়ে? কেন নিজেদের ক্ষতি নিজেরা করেন+ অন্যদের ও ভোগান? দিনে ২/১ টা বিড়ি মুখে দিয়ে কিংবা একের পর এক বিড়ি খেয়ে যারা নিজেদের স্মার্ট মনে করেন আসলেই কি আপনারা স্মার্ট?
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




