বাসা থেকে বের হয়ে গাড়িতে উঠেই মনে পড়লো ব্লেজার পরা হয় নি।দেশে যাওয়ার উত্তেজনায় প্রায় সবকিছু ভুলতে বসেছিলাম। আবার বাসায় ঢুকে ব্লেজারটা গায়ে দিয়ে বের হতে না হতেই তোমার এসএমএস-
- ‘রওনা দিয়েছো? উফ! তাড়াতাড়ি করো! বের হয়েই আমাকে এসএমএস দিবে’।
এয়ারপোর্টে বোর্ডিং পাস নেবার সময় তোমার মেসেজ। ‘প্লেনে উঠেছো? দেশে এসেই কল দিবে কিন্তু’।
প্লেনে থাকতে তোমার কথা ভেবেছি। কতদিন পরে দেখা হবে! উফ! প্লেনটা এত আস্তে চলছে কেন?
একসময় জানলার বাইরে তাকাই। চারিদিকে হালকা নীল আকাশ আর সাদা সাদা মেঘ-কি সুন্দর!
অনেক রাত্রে দেশে পৌছুলাম। সারাটা পথই ফোনটা বন্ধ করে রেখেছিলাম। যখন ক্যাপ্টেন ঘোষনা করলেন সকল ইলেক্ট্রিকাল ডিভাইস বন্ধ করতে, আমরা ল্যান্ড করতে যাচ্ছি, আমি তখনি আমার ফোনটা খুলে তোমাকে মেসেজ করলাম- ‘এসে গেছি’।
রাত্রে কথা হলো। কাল দেখা করবো। তোমাকে বললাম, সেজেগুজে এসো, তুমি বললে, ‘পারবো না’। সারারাত ঘুম হলো না। সকালে দ্রুত সেভ করতে গিয়ে গাল কেটে ফেললাম। অনেকখানি রক্ত বের হলো। একটুও টের পাইনি!
তুমি আমার আগেই পৌছে গেছ। ফোনে কল দিচ্ছো আর আমি জ্যামে। অবশেষে পৌছুলাম। ওইতো তুমি! আমার প্রিয় রং এর ড্রেস পরে। তোমার কাছে গেলাম। অনেক লজ্জা পাচ্ছিলে তুমি।জিজ্ঞাসা করলাম, ‘এত লজ্জা পাচ্ছো কেন?’ তুমি বললে,- ‘এমনি’।
জানলার বাইরে চারিপাশে সাদা মেঘে ঘেরা নীল আকাশ দেখার অনুভুতিটা আবার হলো।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


