হুট করে ফেসবুকও বন্ধ করে দিয়েছি। আই মিস য়্যূউ মা ফেসবুকি! আবার কবে রি-একটিভেট করবো-ঠিক নাই। এক সপ্তাহের জন্য অফ রাখবো ভেবেছিলাম, কিন্তু মনে হচ্ছে আরো বেশীদিন ডিএকটিভেট থাকবে এবার। এইটা ব্যাপারনা।ব্যাপার হলো ফেসবুক থাকলে সময়গুলা সাফল্যের সাথে নষ্ট করতে পারতাম, এখন তা্রও উপায় নেই। রিসেন্ট সব মুভীও দেখে ফেলছি।
হাউটু ট্রেইন ইয়োর ড্রাগন মুভিটা ভাল করে নাই, খারাপও করে নাই।গত-বাধা সিন-সিনারি তারপরেও দেখতে পারেন। তবে ফর্রেষ্ট গাম্প মুভীটা ভাল। টম হ্যাঙ্সএর। ১৯৯৪ সালের মনে হয়। মন উদাস উদাস করে দেয়। তবে চরম মজা পেয়েছি সিইজ আউট অফ মাই লিগ মুভীটা দেখে। পারলে এইটা দেখেন।
এপ্রিলে ফুল হবো না হবো না করেও হয়ে গেলাম।কাহিনী হলো সময় হুট করে এক ঘন্টা আবার পিছিয়ে দিয়েছে।কাজে যাবার জন্য বাস স্যান্ডে গিয়েই ধরা। এক ঘন্টারও বেশী বসে থেকে একটা ট্যাক্সি নিয়ে গেলাম কাজে। ট্যাক্সি ভাড়া দেবার সময় ফাজিল ট্যাক্সি ড্রাইভার বলে আর দুইটা মিনিট বেশী ওয়েট করলে বাস পাইতে। সময় যে এক ঘন্টা পিছায় দিছে, খোজ রাখোনা? আমি বল্লাম, তুমার উচিত ছিলো এইটা আমাকে আগে বলা।এইভাবে আমারেতো তুমি ফুল বানাইতে পারোনা! ট্যাক্সি ড্রাইভার মিচকি হেসে বলে এপ্রিল মাসে দুই-চারবার ফুল হওয়া ব্যাপার না। কি আর করা! ব্যাপার না।
ইষ্টারের বন্ধ পুরা এলাকা ধরে, আর আমাদের দোকান খোলা। রাগে মুখ কট মট করে দোকানে ঢুকতেই বস তিনটা ইষ্টার এগ হাতে ধরায়ে দিল। আমিতো পুরা অবাক! ডিম আবার লাল হয় ক্যামনে! বসকে বল্লাম, বস্, বস্ আমি জীবনে মোটামুটি আজিব চিজ দেখছি, কিন্তু লাল ডিম কখোনোই দেখি নাই। এই ডিমগুলা কি মুরগীতে পাড়ছে? বস হাসতে হাসতে বলে, আমি রঙ করছি। এখন যা করতে হবে তা হলো একটা ডিম হাতে নিয়ে অন্য একজনের হাতে ধরা আরেকটা ডিমে ধাক্কা দিতে হবে।যারটা ভাঙবে, সে হারবে। এমনে তিনটা ভিতর যার বেশী ডিম আস্ত থাকবে, সে জিতবে। আমি এইটা শুনে, তিনটা ডিমই সাথে সাথে ভেঙ্গে খাওয়া শুরু করে দিলাম। বস হায় হায় করতে করতে জিজ্ঞাসা করলো গেম খেলবা না? আমি ডিম খেতে খেতে বাংলায় বললাম, তোমার গেমের খেতা পুড়ি।
ধুর ভাল্লাগেনা! সময় নষ্ট করে পড়ছেন এই জন্য থাঙ্কু। ব্যাপারনা। নিচে ইষ্টার এগ্গুলা কেমন ছিল একটা ছবি দিলাম

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


