somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আবেগ প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম "রাগ"

১২ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ৮:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মনের প্রতিক্রিয়া প্রকাশের একটা স্বাভাবিক মাধ্যম হল রাগ। মনের এই প্রতিক্রিয়াটি কখনো নেগেটিভ বা পজিটিভ ভাবে প্রকাশ হয়ে থাকে। এই প্রতিক্রিয়াটির উচ্চ প্রকাশ ঘটে প্রিয় মানুষের সাথে। প্রিয় মানুষটির জন্য ভালবাসার সমান্তরাল রাগও উচ্চ হয়ে থাকে। রাগের প্রকাশের পর রাগ মোচনে মনটা শান্ত হয়। তখন ভালবাসার মানুষটির দ্বিগুণ প্রেম অনুভব করে থাকে। একথা স্বীকৃত যে, “মর্দনের পর হয় যেমন ঘর্ষণ, তেমনি বিরহের পরে আসে মিলন”। আবেগের উত্তেজনার প্রকাশের মুহূর্তে প্রিয় জন হোক বা অন্য কেউ হোক একটা মিতস্ক্রিয়া ঘটে থাকে।

আবেগের উত্তেজনার প্রকাশ অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী এ দু’ভাবেই হয়ে থাকে। রাগের প্রকাশ বহির্মুখী না হয়ে অন্তর্মুখী হলে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে। ভেতরে ভেতরে রাগ পুষে না রেখে তার প্রকাশ ঘটানো ভালো। রাগ দমনে মানুষ মনমরা হয়ে যায়। মনের ভেতর রাগের নানা প্রতিক্রিয়া ঘটে থাকে। রাগ প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত ব্যক্তিটি মনের অস্বস্তিতে ভোগেন। রাগের অন্তর্মুখী অনুভূতি জীবনকে বিষময় করে তোলে। হতাশা-বিষাদ, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা তার মনকে সংক্রমিত করে ফেলে। রাগের কারণে উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদরোগের মতো শারীরিক অসুবিধা দেখা দিতে পারে। হার্ট অ্যাটাকের মতো ঘটনাও ঘটে থাকে রাগের কারণে। রাগের সময় শরীরে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। স্নায়ুতন্ত্র উত্তেজিত হয়ে পড়ে। ঘুম নষ্ট হয়। ক্রিয়াশীল মানুষ নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। স্বাস্থ্য, অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রাগ হলে রাগ দমন না করে প্রকাশ করা ভালো।

রাগের এই প্রকাশের মাধ্যমও ভিন্ন; ইতিবাচক আর নেতিবাচক। ২০০৯ সালের এক জরিপে দেখা যায়, ৯০ শতাংশের অধিক মানুষের রাগের প্রকাশ ঘটে নেতিবাচক ভাবে। এই নেতিবাচকতার একটা গ্রহণীয় মানদণ্ড খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে নিরাশার কথা হলো বিজ্ঞানীরা আজও এই নিয়ে স্ববিরোধীতায় আছেন। তবে বিজ্ঞানীরা রাগের প্রকাশ যতটুকু ইতিবাচক হয় তার উপর গুরুত্বারোপ করেন। কারণ রাগের ইতিবাচক প্রকাশ স্বাস্থ্যের জন্য যেমন ভালো তেমনি সমাজের জন্যও অধিক মঙ্গলজনক। যেমন রাগ করে কেউ পড়াশোনা বেশি করলে তার ফলাফল ভালো হবে। তবে সবার মধ্যে রাগের প্রতিক্রিয়াটি ইতিবাচক হয়ে দেখা দেয়না। রাগের সময় মানুষ তার স্বাভাবিক জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। কারণ এটাই রাগের চরিত্র।
২টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আত্মহনন ও পক্ষপাতিত্ব

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:২৮


রবীন্দ্রনাথ কি বাংলাদেশের নাগরিক ??!! শুধুমাত্র জাতীয় সংগীতের রচয়িতা এবং বাংলাদেশে কিছু সুশীলদের (ভালো নাপিত) তাকে নিয়ে নানা রকমের কলহ-বিবাদ-বিভক্তি তৈরী ব্যতিত; বাংলাদেশে তার আর অবদান কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

তারা ভারতের এই সফট টুলস রবীন্দ্রনাথকে রক্ষা করবে।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৩


কয়েকদিন আগে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জাতীর পিতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলা হলো, সেখানে তো গ্রেপ্তার দেখলাম না! সেখানে কি পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবণতির শঙ্কা ছিলো না? পাকিস্তানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপি হল অথর্ব আর ইডিয়েটদের দল। বর্তমানে এদের দেশ পরিচালানার করার কোন যোগ্যতা ই নেই।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:২৩

রবীন্দ্রনাথের ছবিতে কালি দেয়াটা নিন্দনীয় কিন্ত তার বিচার হবে কিসে? রাষ্ট্রদ্রোহিতা মামলায়?? রিমান্ডে নিয়ে?

চৈতালি চক্রবর্তী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, সে আইন বুঝে। প্রায় প্রতিদিন জুলাই, আবু সাইদ, বাংলাদেশ সব কিছু সম্পর্কে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এআই মন্তব্যের পর ব্লগারগণের পোষ্ঠ ভালো বুঝে আসে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২০



চাঁদগাজী/সোনাগাজী বলতেন অনেক ব্লগার গরুর রচনা এবং অনেক ব্লগার গার্বেজ লেখেন। তাঁর এমন মন্তব্যের কারণে তাঁর বিরোধী ব্লগার সংখ্যা বেড়ে যায়। ফলে তিনি বার বার ব্যানের শিকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

=মনে রং নেই আর=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৫২


মন তো ছিল গোলাপী রঙ আভায় বন্দি, মন ছিল চন্দ্র মল্লিকা,
মন আর সেই মন নেই, মনের চারিপাশে এক সমুদ্দুর কুহেলিকা;
মন যেন পাথর হয়ে আছে, নেই অফুরন্ত ফুরসত
মন গোলাপী রঙ নয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×