
চাঁদগাজী/সোনাগাজী বলতেন অনেক ব্লগার গরুর রচনা এবং অনেক ব্লগার গার্বেজ লেখেন। তাঁর এমন মন্তব্যের কারণে তাঁর বিরোধী ব্লগার সংখ্যা বেড়ে যায়। ফলে তিনি বার বার ব্যানের শিকার হন। ব্যান হতে হতে তাঁর নিক সংখ্যা নাকি দেড় ডজন হয়ে পড়ে। অবশেষে তিনি ওমর খৈয়াম হয়ে পিছনের পাতায় লেখেন।ব্লগারগণের পোষ্ট না বুঝায় আমার অনেক পোষ্টে মন্তব্য করা হয়ে উঠে না। অনেক পোষ্টে অতি নিরিহ মন্তব্য করার পরেও ব্লগারগণের তেড়ে ফুড়ে আসতে দেখা যায়। কিন্তু এআই মন্তব্যের পর ব্লগ পোষ্ট বুঝতে দারুন সুবিধা। বিষয়টি আমি বেশ উপভোগ করি। আর এআই মন্তব্যে ব্লগারগণকে তেড়ে-ফুড়ে আসতেও দেখা যায়নি। শুধু একজন অনুযুগ করে বলেছেন, এআই মন্তব্য না দিয়ে আমি নিজে এক লাইন মন্তব্য দিলেও তিনি বেজায় খুশী হতেন। অথচ নিজ মন্তব্য দেওয়ার পর ঠাকুর মাহমুদ আমাকে মাইনকা চিপায় ফালায়া বহুত ঝাড়ি মেরেছেন। পান থেকে চুন খসলে এতে আর নিম্তার নাই। কিন্তু এআই মন্তব্যে পান থেকে চুন খুব একটা খসে না। তবে শুধু সেদিন এআই দিয়ে সেরা ব্লগারের একটা তালিকা তৈরী করে বেকায়দায় পড়ে ছিলাম। ব্যাটারে কইলাম তোমার তালিকায় এম এ আলী নাই কেন? ব্যাটা অমনি তালিকা সংশোধান করে এম এ আলীকে এক নম্বর স্থান দিয়ে দিল। কাজী ফাতেমা ছবি নাই কেন বলাতে সে তাঁকে শায়মার উপরে স্থান দিল। আরেকজনের তালিকায় মোটে আমারেই রাখে নাই। কারণ কি জিজ্ঞাস করাতে সে বলল বিভিন্ন ক্যাটগরিতে নম্বর দিয়ে তালিকা তৈরী করায় আমি বাদ পড়েছি। প্লেন তালিকা হলে আমাকে রাখা যেত। সে যাই হোক মানুষ মাত্রই ভুল আছে সে জন্য মানুষের তৈরী এআইতেও ভুল আছে। মন্তব্য করতে গিয়ে ব্যাটকে বিভিন্ন পোষ্ট পড়াচ্ছি। তারপর কয়েক মাস পরে তাকে একটিভ ব্লগারের সেরা তালিকা করতে দেব। দেখি চোরায় কি করে?
আমার দপ্তরের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) ঘ্যাচাং করে আমার ডিউটির চার ঘন্টা কেটে ঐ সময়ে আমাকে এআই শিখতে বললেন। তিনি বললেন অচিরেই আমার ট্রেনিং কারিকুলামে এআই যোগ হবে। তো বিষয়টা আমিই যদি বালো না বুঝি তাহলে আমি এর টেনিং কিভাবে প্রদান করব? অনেক বৈজ্ঞানিক তাঁর গবেষণার পরিক্ষা চালিয়েছেন ইঁদুরের উপর। সে ক্ষেত্রে আমি সেরা বুদ্ধিমান ব্লগারগণের উপর আমার গবেষণার পরীক্ষা চালাচ্ছি। কাজটা ভালো হচ্ছে কি মন্দ হচ্ছে সেটা এখনো বুঝতে পারছি না। তবে হালকা অনুযোগ ছাড়া এখনো কেউ তেড়ে ফুঁড়ে আসেননি এটাই বরং ভালো। শেষে পোষ্টে একটা এআই মূল্যায়নও যোগ করছি। আশাকরি সবাই আমার অপরাধ ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
# পোষ্টের এআই মূল্যায়ন-
আপনার পোস্টটি পড়ে বেশ উপভোগ করলাম। হাস্যরসের আড়ালে আপনি ব্লগিং, মন্তব্যের সংস্কৃতি, ব্লগারদের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সীমাবদ্ধতা নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেছেন। আমার কাছে পোস্টটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো, আপনি এআই ব্যবহার করে শুধু মন্তব্য লিখছেন না; বরং মন্তব্যের মাধ্যমে নিজের বোঝাপড়া বাড়ানো, লেখার বক্তব্য বিশ্লেষণ করা এবং ব্লগারদের প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করার একটি পরীক্ষাও চালাচ্ছেন।
চাঁদগাজী/সোনাগাজীর প্রসঙ্গটি আপনার লেখায় বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। ব্লগে কোনো লেখাকে ‘গরুর রচনা’ কিংবা ‘গার্বেজ’ বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়তো সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছে নিজের বক্তব্যের দৃঢ়তা প্রকাশের উপায়, কিন্তু এ ধরনের ভাষা অন্যের কাছে অপমানজনক হয়ে উঠতে পারে। তখন মূল লেখার গুণগত মান নিয়ে আলোচনা পিছনে পড়ে যায়, সামনে চলে আসে ব্যক্তিগত বিরোধ। ফলে একজন লেখকের যুক্তি যতই শক্তিশালী হোক, তাঁর প্রকাশভঙ্গি যদি অন্যকে অকারণে আঘাত করে, তাহলে সেই যুক্তির গ্রহণযোগ্যতা কমে যেতে পারে। আপনার বর্ণনা অনুযায়ী, চাঁদগাজীর বারবার ব্যান হওয়া এবং একাধিক নিকে লেখার বিষয়টি এই সমস্যার একটি ব্লগীয় উদাহরণ। তবে তাঁর ব্যান হওয়ার সুনির্দিষ্ট ইতিহাস কিংবা নিকের সংখ্যা সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হলে আলাদা তথ্য যাচাই প্রয়োজন।
আপনার নিজের অভিজ্ঞতার যে জায়গাটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তা হলো—অনেক সময় অন্যের পোস্ট ভালোভাবে বুঝতে না পারার কারণে আপনি মন্তব্য করতে সংকোচ বোধ করেন। আবার নিরীহ মন্তব্য করেও কখনো বিরূপ প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হয়েছেন। এটি শুধু আপনার একার সমস্যা নয়; অনলাইন আলোচনায় অনেক সময় লেখকের বক্তব্য, মন্তব্যকারীর উদ্দেশ্য এবং পাঠকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা একে অন্যের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ফলে একটি সাধারণ মন্তব্যও ভুলভাবে ব্যাখ্যা হতে পারে। এআইয়ের সাহায্যে পোস্টের বক্তব্য, যুক্তির কাঠামো এবং অন্তর্নিহিত তাৎপর্য বিশ্লেষণ করে নেওয়া আপনার জন্য সেই অনিশ্চয়তা কমানোর একটি কার্যকর উপায় হয়ে উঠেছে।
তবে এখানে একটি সূক্ষ্ম পার্থক্য আছে। এআইয়ের তৈরি মন্তব্য পড়ে কোনো পোস্ট ভালোভাবে বুঝতে সুবিধা হতে পারে, কিন্তু এআইয়ের মন্তব্যই পোস্টটির একমাত্র সঠিক ব্যাখ্যা—এমন ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। এআই কখনো লেখকের বক্তব্যের অন্তর্নিহিত ইঙ্গিত ধরতে পারে, আবার কখনো এমন অর্থও আরোপ করতে পারে, যা লেখক আদৌ বোঝাতে চাননি। তাই এআইয়ের মন্তব্যকে একটি সম্ভাব্য পাঠ বা বিশ্লেষণ হিসেবে গ্রহণ করে মূল পোস্টের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি। এতে আপনি শুধু মন্তব্য করার সুবিধাই পাবেন না, নিজের বিশ্লেষণী ক্ষমতাও বাড়াতে পারবেন।
ঠাকুর মাহমুদের সঙ্গে আপনার অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গটি ব্লগীয় সম্পর্কের আরেকটি দিক তুলে ধরে। আপনি বোঝাতে চেয়েছেন, নিজের ভাষায় মন্তব্য করতে গিয়ে কখনো কঠোর প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হয়েছে, অথচ এআইয়ের তৈরি মন্তব্যে এখন পর্যন্ত সেই ধরনের প্রতিক্রিয়া তুলনামূলকভাবে কম দেখেছেন। এর একটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা হলো, এআই সাধারণত সংযত, ভারসাম্যপূর্ণ এবং ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে ভাষা তৈরি করে। কিন্তু এটিকে এমন কোনো নিয়ম হিসেবে দেখা যাবে না যে এআইয়ের মন্তব্যে কখনো ভুল বোঝাবুঝি হবে না। কোনো মন্তব্যে লেখকের বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা, অপ্রাসঙ্গিক প্রশংসা কিংবা অনিচ্ছাকৃত সমালোচনা থাকলে সেটিও বিরক্তির কারণ হতে পারে। আপনার অভিজ্ঞতার মূল্য এখানেই যে, আপনি মন্তব্যের ভাষা ও প্রতিক্রিয়ার সম্পর্কটি বাস্তবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
এআইয়ের তৈরি সেরা ব্লগারের তালিকা নিয়ে আপনার অভিজ্ঞতা অবশ্য আরও শিক্ষণীয়। আপনি এম এ আলীর নাম না থাকার কারণ জানতে চেয়েছেন, কাজী ফাতেমা ছবির অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, আরেকটি তালিকায় নিজের নাম না থাকায় ব্যাখ্যা চেয়েছেন। এরপর এআই আপনার আপত্তি অনুযায়ী তালিকা সংশোধন করেছে। এই ঘটনাগুলো এআইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমাবদ্ধতা দেখায়: তালিকা তৈরির আগে যদি মূল্যায়নের মানদণ্ড স্পষ্ট না করা হয়, তাহলে ফলাফল অনেকটাই নির্ভর করতে পারে প্রশ্নের ধরন, দেওয়া নির্দেশনা এবং এআইয়ের কাছে থাকা তথ্যের ওপর।
কোনো ব্লগারের সাহিত্যিক মান, জনপ্রিয়তা, মন্তব্যের সংখ্যা, ধারাবাহিকতা, মৌলিক চিন্তা, পাঠকের ওপর প্রভাব এবং বর্তমানে সক্রিয় থাকার বিষয়গুলো এক নয়। একজন ব্লগার সাহিত্যিক মানে এগিয়ে থাকতে পারেন, অন্যজন পাঠকপ্রিয়তায়, আরেকজন দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত লেখার কারণে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারেন। এই ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্যকে একত্র করে একটি তালিকা তৈরি করতে হলে আগে ঠিক করতে হবে, কোন বৈশিষ্ট্যকে কতটা গুরুত্ব দেওয়া হবে। তা না হলে তালিকাটি দেখতে যতই গোছানো হোক, তার পেছনের মূল্যায়ন পদ্ধতি দুর্বল থেকে যেতে পারে।
আপনার নিজের নাম প্রথম তালিকায় না থাকা এবং পরে ব্যাখ্যা অনুযায়ী তালিকা পরিবর্তনের ঘটনাটিও একই শিক্ষা দেয়। এআইয়ের তালিকায় কোনো নাম থাকা বা না থাকা দিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্লগারের প্রকৃত সাহিত্যিক মূল্য চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হয় না। আবার প্রশ্নকারীর আপত্তির পর কাউকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করাও তাঁর শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ নয়। প্রয়োজন হলো, নির্দিষ্ট মানদণ্ডে প্রাসঙ্গিক লেখা পর্যালোচনা করা এবং সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দেখানো। এআই এখানে বিচারক নয়; বরং তথ্য বিশ্লেষণ ও তুলনার একটি সহায়ক মাধ্যম।
আপনার দপ্তরের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) যখন আপনার দায়িত্বের সময় থেকে চার ঘণ্টা এআই শেখার জন্য নির্ধারণ করেছেন এবং ভবিষ্যৎ প্রশিক্ষণ কারিকুলামে এআই যুক্ত হওয়ার কথা বলেছেন, তখন আপনার এই ব্যক্তিগত পরীক্ষা-নিরীক্ষার বাস্তব গুরুত্ব তৈরি হয়েছে। একজন প্রশিক্ষক হিসেবে এআইয়ের ব্যবহারিক সুবিধার পাশাপাশি সীমাবদ্ধতাগুলোও জানা জরুরি। এআই কীভাবে প্রশ্ন বুঝে, কীভাবে উত্তর তৈরি করে, কোথায় ভুল করতে পারে, কীভাবে তথ্য যাচাই করতে হয় এবং কোন কাজে মানুষের নিজস্ব বিচারবুদ্ধি অপরিহার্য—এসব বোঝা ছাড়া অন্যকে কার্যকরভাবে এআই শেখানো কঠিন।
এই দিক থেকে ব্লগারদের পোস্ট নিয়ে আপনার পরীক্ষা-নিরীক্ষা একটি অনানুষ্ঠানিক শিক্ষণপদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। বিভিন্ন ধরনের লেখা বিশ্লেষণ করিয়ে আপনি দেখতে পাচ্ছেন, এআই কোথায় বক্তব্য যথাযথভাবে ধরতে পারে, কোথায় ভুল করে এবং কীভাবে প্রশ্নের ভাষা বদলালে উত্তরও বদলে যায়। তবে আপনার পরীক্ষার ফলাফল থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে একটি বিষয় খেয়াল রাখা দরকার: যাঁদের পোস্ট বিশ্লেষণ করছেন, তাঁদের লেখা যেন কেবল এআইয়ের তৈরি মন্তব্যের মাধ্যমে বিচার না করা হয়। মূল লেখা, লেখকের বক্তব্য এবং প্রাসঙ্গিক তথ্যও বিবেচনায় রাখতে হবে।
আপনার ‘সেরা বুদ্ধিমান ব্লগারদের ওপর গবেষণা’ কথাটিতে হাস্যরস আছে, আবার একটি আত্মসমালোচনামূলক দিকও রয়েছে। আপনি নিজেই স্বীকার করেছেন যে কাজটি ভালো হচ্ছে, না মন্দ হচ্ছে, তা এখনো নিশ্চিত নন। এই স্বীকারোক্তি প্রশংসনীয়। কারণ নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রথমেই নিজের পদ্ধতিকে নিখুঁত মনে করার চেয়ে পরীক্ষা করা, ভুল শনাক্ত করা এবং প্রয়োজনে পদ্ধতি সংশোধন করা অনেক বেশি কার্যকর।
তবে ব্লগারদের প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে একটি নৈতিক দিকও বিবেচনায় রাখা যায়। এআইয়ের সাহায্যে মন্তব্য করা নিজে কোনো অপরাধ নয়; কিন্তু মন্তব্যটি নিজের উপলব্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এআই যদি এমন কোনো বক্তব্য তৈরি করে, যা আপনি নিজে পড়েও পুরোপুরি বুঝতে পারেননি কিংবা যার সঙ্গে আপনি একমত নন, তাহলে সেটি সরাসরি পোস্ট করার পরিবর্তে সম্পাদনা করা ভালো। এতে মন্তব্যটি আপনার নিজস্ব চিন্তার প্রতিনিধিত্ব করবে এবং লেখকের সঙ্গে প্রকৃত আলোচনার সুযোগও বাড়বে।
আমার মতে, আপনার পোস্টের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো—এআইকে ভয় পাওয়ারও প্রয়োজন নেই, আবার অন্ধভাবে বিশ্বাস করারও প্রয়োজন নেই। সঠিকভাবে ব্যবহার করলে এটি কঠিন লেখা বুঝতে, যুক্তি সাজাতে, ভাষা পরিমার্জন করতে এবং নিজের চিন্তার দুর্বলতা শনাক্ত করতে সাহায্য করতে পারে। কিন্তু তথ্য যাচাই, নৈতিক বিবেচনা, সাহিত্যিক মূল্যায়ন এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দায়িত্ব মানুষেরই থাকে।
সবশেষে বলব, আপনার এই উদ্যোগকে শুধু ব্লগে মন্তব্য করার কৌশল হিসেবে না দেখে এআই শেখার একটি ব্যবহারিক অনুশীলন হিসেবে দেখলে এর মূল্য আরও বাড়বে। আপনি যেহেতু ভবিষ্যতে এআই প্রশিক্ষণ দেওয়ার দায়িত্ব পেতে পারেন, তাই প্রতিটি পরীক্ষার ফল থেকে কী শিখলেন, এআই কোথায় ভুল করল এবং কীভাবে সেই ভুল সংশোধন করা যায়—এসব নথিবদ্ধ রাখলে তা আপনার প্রশিক্ষণ প্রস্তুতিতেও কাজে লাগবে।
আপনার পোস্টটি হাস্যরসাত্মক হলেও এর মধ্যে প্রযুক্তি, শিক্ষা, লেখালেখি এবং মানুষের পারস্পরিক আচরণ নিয়ে চিন্তার যথেষ্ট উপাদান রয়েছে। আশা করি, আপনার এই পরীক্ষা-নিরীক্ষা থেকে শুধু ব্লগারদের পোস্ট বোঝার সুবিধাই তৈরি হবে না; বরং এআইকে দায়িত্বশীল ও কার্যকরভাবে ব্যবহার করার একটি বাস্তব অভিজ্ঞতাও অর্জিত হবে।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




