এই আতনকিত ঢাকার নির্বাক ও ভীত বিহবল সাক্ষি আমরা।পাক সেনাবাহিনী শুধু আওয়ামিলীগ এর বড় নেতা নয়, তার সাথে ছাত্র নেতা, বিশ্ববিদ্যালয়এর শিক্ষক দের তালিকা করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে গুলি করে হত্যা করেছে।এই তালিকায় অনেক নির্বাচিত প্রতিনিধির নাম ও ছিল।পাক বাহিনীর সহায়তায় অবাঙ্গালী মুসলমানরা গরীব ও হিন্দু বাঙ্গালীর উপর আক্রমন চালায়। ঢাকার রাস্তায় হিন্দু বাঙালীর রক্ত বন্যায় ভেসে যায়।অন্য বাঙ্গালীরা ঢাকা ছেড়ে পালাচ্ছে।এই যে কারফিউ, তাও বাংলার মানুষ কে দাবিয়ে রাখার জন্য ই।
এমনি ছিল ঢাকার বর্ননা, সেই সময়কার এখানে নিয়োজিত আমেরিকান কানসিলর এর।
সে ও এই ভিবৎষতা স হ্য করতে পারে নি, সেও জানতো এই বিভিষিকাময় নৃশংসতা কোন দিন অপ্রকাশিত থাকবে না, এই দেশের মানুষ ও বেশীদিন তা মেনে নিবে না, সারা দেশের মানুষ জেগে উঠবে ।সে তার বিবেকের তাড়নায় লিখেছিলেন তার সরকারকে, যাতে পাকিস্থান সরকার কে কোন স হায়তা না করে।অন্তত ব্যাক্তিগত ভাবে হলেও যাতে পাকিস্থানকে বুঝায়।
সেই টেলিগ্রাম গুলো পড়ছি আর ভাবছি, একজন বিদেশী কুটনৈতিক তার চাকরী হারাবার আশংকা জেনে ও একটা পদক্ষেপ নিয়েছে। অথচ আমারা দেশী রা কি করেছি।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


