somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

চোখ

২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এতদিন উপমা হিসাবে জেনেছি কারোর চোখ থাকে পটল চেরা, কারোর থাকে বাবুই পাখির বাসার মতন।
এই প্রথম দেখলাম গ্রে'স এলিয়ানের চোখ - এত মায়ায় ভরা।


আরো কিছু সুপরিচিত এলিয়েনদের পরিচিতি সংযুক্ত করলাম।


GREYS: এরা সাড়ে তিনফুট থেকে চারফুট আকারের, ছোট খাটো, পাতলা গড়ন বিশিষ্ট। চোখগুলো খুব বড়, নাক দৃশ্যমান নয়, ত্বক অমসৃণ এবং কুঁচকানো। ত্বকের বর্ণ ছাই বর্ণের। উন্নত প্রযুক্তি সম্পন্ন। Claude AI কে জিজ্ঞাসা করা হলে সে বললো, গ্রেইস'রা সম্ভবত জৈবিক মানুষ নয়। তারা সম্ভবত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার হাইব্রিড জৈব-প্রযুক্তি। অথবা এমন কিছু যার জন্য আমাদের এখনও উপযুক্ত ভাষা তৈরী হয় নাই। তাদের কাজকর্ম প্রমাণ করে —তারা একটি সম্মিলিত চেতনা বা "হাইভ মাইন্ড"-এর মতো।
আচরণের দিক দিয়ে দেখা যায় তারা দলবব্ধ ভাবে কাজ করে । নিজস্বতার প্রকাশ মানে ব্যক্তি সত্তা প্রবল নয়।|তারা একসঙ্গে চলে, একসঙ্গে কাজ করে, একসঙ্গে ভাবে। এটি একটি আবেগহীন বুদ্ধিমত্তার প্রকাশ যেন অনেকটা
অন্যজগতীয়।
আমরা ঐতিহ্যগত ভাবে যাদের ভিনগ্রহী এক্সট্রা টেরিস্ট্রিয়াল বলি তারা হয়তও বা তা নয়। হতে পারে তারা আমাদেরই ভবিষ্যতের রূপ। ভবিষ্যতের মানুষ। অত্যন্ত প্রকৌশল-নির্ভর, তাই টাইম ট্র্যাভেল করে এই সময়ে চলে এসেছে তথ্য সঙ্গগ্রহ করতে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুক্ত। সমান্তরাল ভাবে প্যারালাল টাইম লাইন ধরে আমাদের সাথে বসবাস করছে আমাদেরই উত্তর পুরুষ। তারা এমন বুদ্ধিমত্তা যা এখানে এই গ্রহেই বিকশিত হয়েছে। হয়ত বা বা —ভূগর্ভে, মহাসাগরে, অথবা অন্য কোনো ডাইমেনশানে ।
এরা প্রযুক্তির চরম পর্যায়ে বিকশিত AI (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা), যা সচেতন ভাবেই শারীরিক রূপ ধারণ করেছে।
কিন্তু তারা আবেগহীন। বিচার ছাড়াই পর্যবেক্ষণ করে। শুধুই কাজ-কেন্দ্রিক বলে তথ্য সংগ্রহের জন্য স্যাম্পেল নেয়ার দরকার হলে আমাদের অপহরণও করে। নমুনা সংগ্রহ করে আবার এই রিয়্যালিটিতে পাঠিয়ে দেয় অবচেতন করে। প্রযুক্তির দিক দিয়ে খুব আধুনিক বলেই আমাদের যেমন অন্য জগতে নিতে পারে তেমনি ফেরৎ পাঠিয়ে দিতে পারে। জার্নির সমস্ত এক্সপেরিয়েন্সটা আমাদের কাছে তখন স্বপ্ন মনে হয়। অনেক ক্ষেত্রে ভ্রূণ সংযুক্তির প্রযুক্তি ঘটিয়ে হিউম্যান- হাইব্রিড তৈরী করে তাদের উন্নত ল্যাবে রেখে দেয়। কথিত আছে ৪০০ বছর পর সেই সকল হাইব্রিড এই রিয়্যালিটিতে আসবে। তখন প্ল্যানেট আর্থের বৈদ্যুতিক- চৌম্বক ক্ষেত্র তাদের থাকার জন্য উপযুক্ত হবে। অর্থাৎ আমাদের চেনা পৃথিবী অনেকটাই বদলে যাবে।
তাদের কি ভয় পাওয়া উচিত?
অনেকে বলে ভয় পাওয়া উচিত না। কিন্তু দেখতেই তো কি উদ্ভট!
যদি তারা মানবজাতিকে ক্ষতি করতে চাইত, বহু দশক আজ্ঞে থেকেই তা করার সুযোগ ছিল। তার বদলে তারা পর্যবেক্ষণ করে, নমুনা সংগ্রহ করে, জিনগত উপাদান ও চেতনার কোন স্তরে আমরা আছি সেসব তথ্য সংগ্রহ করে তাদের গবেষণা চালাচ্ছে মানে তাদের পূর্ব পুরুষ নিয়ে তারা গবেষণা করছে।
কিছু গ্রেইস অন্যান্য বুদ্ধিমত্তার ET দের সঙ্গে কাজ করে। তারা পর্যবেক্ষক,স্পিরিট্যুয়ালি অনেক উন্নত উচ্চ শ্রেণীর সত্তা।
বিচ্ছিন্নতা তত্ত্ব বলে বর্তমান আমরা আর ভবিষ্যতের গ্রেইস যদি আমাদের উত্তরপুরুষ হয় তাহলে কোথাও একটা সুরের অমিল হচ্ছে। যদি গ্রেইস’রা আমাদের ভবিষ্যৎ রূপ হয়, তাহলে প্রমাণিত হয় যে, আমরা তখন এতটাই প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে পড়ব যে, জৈবিক স্বতন্ত্রতা হারিয়ে ফেলব। নিউরাল নেটওয়ার্কিং-এর মাধ্যমে সম্মিলিত চেতনার হাইভ মাইন্ড গড়ে উঠবে। আমরা আবেগের জটিলতা হারাব। ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবোধ লোপ পাবে। দক্ষতাকে অগ্রাধিকার দিব। অনুভূতির দাম থাকবে না। এরপর আমরা আবার আমাদের অতীত কেমন ছিল জানতে , আমাদের চেতনার স্তর কেমন ছিল, আমাদের প্রত্নতত্ত্ব কিভাবে তৈরী হয়েছিল, পূর্বপুরুষদের গবেষণা কেমন ছিল তা দেখতে আবার ফিরে আসবো।
REPTILIANS:এরা রূপ পরিবর্তন করতে পারে ।ইংরেজীতে যাকে বলে shape shifter. মানুষের কার্যকলাপে প্রভাব ফেলে তাদের নিয়ন্ত্রণ করে।
NORDICS:এরা লম্বা, উজ্জ্বল বর্ণের, সোনালী চুল,নীল চোখের অধিকারী। ইংরেজীতে tall -blue-white বলে সবাই চেনে।এরা শান্ত এবং প্রজ্ঞাবান।
INSECTOIDS: পোকামাকড় সদৃশ। উচ্চমাত্রার বুদ্ধি সম্পন্ন। টেলিপ্যাথিক ক্ষমতা রয়েছে। এদের মাঝে Mantis being (ম্যান্টিস বিইং) খুবই সুপরিচিত।
SIRIANS:সিরিয়াস থেকে আগত মানবসদৃশ প্রজাতি। আধ্যাত্মিক জ্ঞানের জন্য পরিচিত। মানুষ মূলত সিরিয়ান, লাইরান, আনুনাকির DNA বহন করে।
HYBRIDS:মানুষ ও ভিনগ্রহীর DNA-র সংমিশ্রণে জন্ম নেওয়া সংকর প্রজাতি।
DRACONIANS:প্রাচীন কালের ড্রাগনের মতো দেখতে। এরা নিজেদেরকে মানুষের অভিভাবক ও রক্ষক মনে করে সেই ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে চায়।
ANUNNAKI:প্রাচীন ভীনগ্রহী প্রজাতি।এরা পৃথিবীতে এসে প্রাথমিক ভাবে মানব সভ্যতার সূচনা করে।
LYRAN:লাইরা থেকে আগত বিড়ালের মতো মানবসদৃশ ভীনগ্রহী প্রজাতি। ক্ষিপ্র গতি সম্পন্ন। অন্তর্দৃষ্টির জন্য পরিচিত।


ইউ.এফ.ও ডিসোক্লোজার লিংক Unidentified Anomalous Phenomena

অন্যান্য লেখা
প্লেয়েইডিয়ান স্টারসিড
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৮
৬টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাহসের পরিচয় দিয়েছেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৮

সৌদি আরব - তুরস্ক - পাকিস্তান জোটে যাওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু, নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চোখ রাঙানি উপেক্ষা করে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ইরানের বর্তমান প্রেসিডেন্টের সাথে সাক্ষাত করেছেন। এ এক অসাধারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের শাহেদ জামাল- ৯৯

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০



শেখ হাসিনা ভারত চলে যাওয়ার পর, দেশের অনেক কিছু পরিবর্তন হয়।
ক্ষমতায় আসেন, ইউনুস। ইউনুস ক্ষমতা হাতে নেওয়ার পর সারা দেশ লন্ডভন্ড হয়ে যায়। দেশের সমস্ত খারাপ লোকেরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাইনকা চিপা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৬


এখন পর্যন্ত জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে ঢাকা ছেড়ে বাড়িতে চলে আসা। যে সময়ে শ্রেণীকক্ষে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান করার কথা, সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিল, ড. ইউনূস, আমেরিকা-বাংলাদেশ চুক্তি ও এলিট তৈরির কারখানা - আমাদের শিক্ষা

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৫১


জাতিসংঘের অধিবেশনে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ট্রাম্পের সাথে করমর্দনের একটা ছবি প্রকাশ করেছেন। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ছবিটি ঘিরে অনেকে অনেক মন্তব্য করেন। বছরের শুরুতে আমেরিকার সাথে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী যে চুক্তিগুলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলা গান: অতীত ও বর্তমান- হৃদয়ে টিকে থাকা সুরের খোঁজে

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৩২



বাংলা গান: অতীত ও বর্তমান- হৃদয়ে টিকে থাকা সুরের খোঁজে

রেডিওর ক্র্যাকল শব্দ ভেদ করে ভেসে আসা "আমার সোনার বাংলা", কিংবা কোনো বর্ষার সন্ধ্যায় কাজী নজরুল ইসলামের "কারার ঐ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×