এমনি একটি বিকাল অনেক দিন পর।বাসা থেকে বের হায়েছি স্কুলে এসে একটু পড়াশুনা করব, বাসা থেকে স্কুল 10 মিনিটের পথ। আসতে আসতে ই মন টা ভাল হয়ে গেল। এমনি বাতাসে চুল উড়িয়ে দিতে বেশ লাগে মোর। তা করা হায় নি । পুরো রাস্তা জুড়ে আচ্ছন্ন ছিলাম পুরোনো কথা মনে করে।
ঠান্ডা নেই তেমন, গরম ও না। শুধু বাসন্তি বাতাস। এখানে চারদিকে ফুল নেই, তেমন সবুজ ও না, আমাদের মত বাংগালীর জন্য শীতএ খন ও শেষ হয়নি, তবে মাঝে মাঝে ই বসন্ত এসেছে জানিয়ে দেয় এই বাতাস। কাল হয়ত আবার ঠান্ডা পড়বে , তাতে কি ? আজ তু দারুন বাংলাদেশ বাংলাদেশ মনে হচ্ছে।
আমার স্কুলের শেষ যেখানে , সেখানে এলিযাবেথ নদীর কূল। যেতে ইচ্ছে করছিল খুব। একটু খানি বসতে মন চাইলো খুব করে। তা আর হয়ে উঠল না, কাজের চিন্তায়।কত বদলে গিয়েছি!! পরিক্ষার আগের দিন ও ঘন্টা হিসাবে রিকশা নিয়ে ঘুরতাম সারা ঢাকা শহর। সারা দিন কাটিয়ে দিতাম কার্জন হলের পুকুর ঘাটে একা একা।পুর্নিমা রাত এলে চলে যেতাম মাফস্বলে নিজ বাড়িতে। নদীর জলে জোছনার খেলা দেখব বলে।কোথায় ক্লাশ, কোথায় পরীক্ষা....
ডিপার্মেন্টের সামনে এসে মনে হল, নিদী তীর এ যাইনি তু কি হয়েছে, এই যে ছোট্র একটা লেক , চার দিকে বেনচ পাতা , কোনো গাছে ই পাতা নাই, মালির অতি যত্নে বেড়ে উঠা কিছুঘাসে ফুল ফুটে আছে , একটু বসে যাই না এখানে..
এখন ও আমি বনচে বসে অভ্যস্থ হয়ে উঠতে পারি নি...ঘাস দেখলে ঘাসে বসে পরি, ফুটপাথ দেখলে ফুটপাতে....নিজেকে খুব মাটির কাছা কাছি লাগে ..নিজের কাছা কাছি লাগে...বসে পড়লাম ঐ লেকের পাড়।
সবাইকে এই দুরন্ত বাতাস , (জানেন তো বাসন্তের নিজের একটা গন্ধ আছে, যা সে এই বাতাসে ছড়িয়ে দেয়?চোখ বন্ধ করে নি:শ্বাস নিয়েই দেখুন না.)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



