কিছু সময় মানুষ নস্ট করে স্বপ্ন দেখে। আমি ও করতাম। যখন ই স্বপ্ন গুলু একটা জায়গায় এসে থেমে যেত অনিয়াম এর বেড়া জালে,তখন শুরু হত এই অনিয়মের সূত্র ধরে এগুনো, কোথায় এর শুরু?
সমাধান? আমার হাতে নেই। সেই টিনের মধ্যে বসবাস কৌশরের আমি প্রচন্ড ভাবে অনুভব করি একটা অশ্রের প্রয়োজনিয়তা । কিন্তুকোথায় পাব? আর এটা ও তো অপরাধ। সিদ্ধান্ত বড় হয়ে টাকা হলে প্রথমে তাই কিনব। সে স্বপ্ন এখন আর নেই। বাস্তব করার ইচ্ছা ও নেই আর। আর ইচ্ছা থকলে ও অসহায়। কারন , অনিয়ামের সপক্ষে এখন সব অস্র ব্যব হিত, এই ভিড়ে আমার সেই ছোট বেলার অবেগ হাস্যকর কৌতুক।তবু কিছুস্বপ্ন আজও বয়ে বেড়াই, আগের মতই আবেগ নিয়ে।স্বপ্ন দেখি বাস্তবায়নের।আজ স্বপ্নের একটা অংশ আপনাদের (যারা আমার মত একই স্বপ্ন দেখেন)সাথে ভাগা ভাগি করতে চাই।
এই ব্লগে এখন ধর্ম আর সাইন এর জোয়ার । এই জোয়ারে আমার এই মানবতাবাদী আবেদন কিছুটা হলেও হালে পানি পাবে তা জানি । কারন সবার উপর এটা সত্য ,আমরা আমাদের ভালবাসি, ভালবাসি মানুষ।বাংলাদেশী হলে তো কথা ই নেই। অথচ,একটু চিন্তা করে দেখেন দেশের মানুষের কি অবস্থা। বিশেষ করে শিশুদের।কত শিশু সুজোগের অভাবে আপনার আমার মত এই অবস্থায় আসতে পরছে না। সঠিক পরিবেশ পেলে তারা আপনার আমার চেয়ে ও বেশি সমাজসচেতন, ভাল গবেষক হতে পারে। কিন্ত এই সুজোগ কে দিবে? তারা তো ঠিক মত খেতে ও পায় না। আর ও আছে অনাকাঙ্খিত শিশু। যে শিশুকে সঠিক ভাবে বেড়ে উঠার পরিবেশ দিতে পারব না, সেই অনাকাংখিত। যে শিশু এই বাংলার আলো বাতাস পেল, তাই তাকে খাদ্য,সঠিক শিক্ষা, বাসসথান, চিকিৎসা , বস্র দেয়ার দায়িত্ব আমাদের।
এখন আসি সরকারের ভূমিকা নিয়ে।সরকার একটা শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা অবৌতনিক করেছে। শিক্ষার মান কেমন তা না হয় নাই বললাম। কিন্তু যে শিশু বাসায় ফিরে দেখে তারা একবেলার খাবার দেয়ার জন্য মা দুই বেলা না খেয়ে আছে , বা ফিরেই বাবা মা কে আর্থিক সাহায্যের জন্য বাকী সব সময় টাই দিয়ে দিতে হচ্ছে , তার শিক্ষার মান কি হবে? বেচে থাকা আগে না শিক্ষা আগে? প্রচন্ড স্বার্থপর ও যদি হয় সে শিশুটি, তবুও তাকে নিজের খাদ্যের চিন্তা করতে হবে। শুধু আমাদের শিশু বেলা আর ওদের টা একটু কমপেয়ার করলে ই অনেকটা ফকফকা হায়ে যাবে।
আর এই শিশু রা যে আমাদের ভবিষ্যতের জন্য কি তা আমাকে নতুন করে বলতে হবে না। আমরা নিসচয় আর ও মুরগ ীমিলন, কালা জাহাঙ্গির, বা আধুনিক যে বোমাবাজ হচ্ছে তা চাই না? রাজনীতি সুবিধা বাদী না মাত্রই চাইবেন না এই ভবিষ্যত। কারন একটু খেয়াল করলেই দেখবেন এরা সাধারন মানুষের ঘাড়েই ছড়ি ঘুরাচ্ছে। ক্ষতির স্বিকার হচ্ছে আমার আপনার মত মানুষ। তাই এই ধারাবাহিকাতা রোধ কারার দ্ায়িত্বও আপনার আমার ই নিতে হবে।
আর একটা সমস্যা, হল আমারা অধিকাংশ মধ্যবিত্ত মানুষ। জীবন যাপনের সব কিছু ঠিক কানায় কানায় আমরা পেতে পারি। কোন কিছু উপচে পড়ার মত আমাদের নেই।প্রয়োজন মিটাতে পারি কোন রকম ,তার উপর আছে রোগ বালাই। এই রোগবালাই যদি বড় মাপের কোন অসুস্থতা হয় তাহলে ই আমরা পরে যাই বিপদে। আমাদের এত টাকা নাই নিজের চিকিৎসা কারাব, সরকারী ভাবে আমাদের কোন স্বাস্থবীমা নাই। এই আইন ও নাই। বাইরে যেমন এই বীমা প্রত্যেকের অবশ্যই থাকতে হবে।এতে সুবিধা হল, সবার টাকা ই সবাই ব্যবহার করছে অসুস্থতায়। মাসে খুব ছোট অংকের টাকা দিচ্ছে, কিন্তু ভয়াবহ কোন প্রয়োজনে তার বীমাই তাকে সাহায্য করবে। আমাদের য েহতু এই ব্যাবস্থা নাই, সেহেতু আমাদের প্রায় ই পত্রিকার পাতায় বিভিন্ন রোগী, যাদের চিকিৎসার জন্য বড় অংকের টাকা লাগে, তাদের জন্য সাহায্যের আবেদন করা হয়।অনেকের দেবার ইচ্ছে হলে ও সেই মুহুর্তে টাকা না থাকায় হয়ত দিতে পারেন না। বা মাস শেষ হবে কবে, বেতন পাব কবে, এর জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন। অনেকে না দিতে পেরে মনকস্টে ভুগেন।
কিন্তু আমরা এর জন্য একটা সমাধানে আসতে পারি। অন্তত যারা আশে পাশের মানুষের জন্য ভালবাসা অনুভব করেন , যারা সুন্দর একটা ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখেন। কি করে????
হ্যাঁ আমি সমাধন ও বলব।আমার বুদ্ধিতে যা আসে।আপনারা নিজেদের চিন্তা জানিয়ে সাহায্য করলে খুশি হব.

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


