তৃতীয় বিশ্বের দেশে উন্নত পশ্চিমা বিশ্বের ন্যায় গনতন্ত্র নীজেদের মধ্যে হানাহনি, শত্রুতা, রক্তপাত ও চরম বৈষম্যই সৃষ্টি করে! অনুন্নত এ সকল দেশের উন্নয়নের জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা একমাত্র এবং একান্ত জরুরী। এ পৃথিবীতে গনতন্ত্র যে পরিমান রক্ত ঝরিয়েছে স্বৈরতন্ত্র তার চেয়ে অনেকাংশে কম রক্ত ঝরিয়েছে। ১৩০ কোটি মানুষের চায়নাতে যদি গনতন্ত্র থাকতো তা হলে আমার মনে হয় অনেক অনেক রক্তপাত যেমন হতো এবং এত বড় রাষ্ট্র হয়ে কখনো থাকতে পারতো না এবং অর্থনিতীও এত সবল হতো না। বৈজ্ঞানিকভাবে তা গবেষনা করে দেখুন।দেশ যতদিন পশ্চিমাদের মত উন্নত এবং ৯০% শিক্ষিত হবে না ততদিন আব্রাহাম লিংকনের এ গনতন্ত্র অনুন্নত দেশে রক্তপাতই বাড়াবে আর সে কারনে কখনো উন্নত যেমন হতে পারবে না তেমনি উন্নত বিশ্বকে জ্বী হুজুর জ্বী হুজুর করেই চলতে হবে। উন্নত বিশ্ব তা চায় বলে এদেরকে গনতন্ত্র মানার কথা বলে যাতে সারাজীবন তাদের কাছে মাথানত করে থাকে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ছিল বলে আরব মুসলিম দেশগুলো স্বনির্ভর হয়ে উঠেছিল যা পশ্চিমা বিশ্ব বা উন্নত বিশ্বের সহ্য হয়নি। তাই তারা গনতন্ত্রের কথা বলে তাদেরকে ধুলিস্যাত করে দিল। কোটি কোটি মানুষ আজ রক্তাক্ত।বাকী আছে ইরান তাকেও ধরার বিভিন্ন প্রচেষ্টায় লিপ্ত।পেটে ভাত না থাকলে গনতন্ত্র হয় না টাকার বিনিময়ে ভোট বিক্রি হয়ে যায়। এ কথা একেবারেই সত্য। মানুষ অশিক্ষিত হলে গনতন্ত্রের গভীরতা বুঝে না। এ দুটোই অনুন্নত বিশ্বে নেই তাই সেখানে পশ্চিমা গনতন্ত্র আজ পুরাপুরিভাবে ব্যার্থ। আগে পেটে ভাত তারপর অন্যকিছু। আর ধর্মও গনতন্ত্রের কথা বলেনি। সাম্য ও মানবতায় হলো সকল ধর্মের মূলমন্ত্র। ধনতান্ত্রিক এ গনতন্ত্র অনুন্নত বিশ্বের জন্য আজ বড় অভিশাপ। সেখানকার মানুষ আজ ছিন্ন বিচ্ছিন্ন, রক্তাক্ত এবং খেয়ে না খেয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছে। দলগত কারনে এক ভাই আরেক ভাইয়ের চরম শত্রু! আর সেই সুযোগে বিচার, অস্ত্র ব্যবসা ও সম্পদ দখল করতে আসে হায়েনা পশ্চিমা বিশ্ব।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৪:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




