




আজ অবাক বিস্ময়ে দেখলাম, ফারুক তার পূর্বের জায়গা বিমান বন্দর রেল স্টেশনে হুইলচেয়ার নিয়ে ফেরত এসেছে। জিগ্যেসাবাদে বলল, তার মা নাকি তাকে চট্টগ্রাম থেকে তূর্ণা নিশীতা ট্রেনে তুলে দিয়েছে। মনে অনেক কষ্ট পেলাম। আমি অনেক কষ্ট করেছি ছেলেটার জন্য। হেরে গেলাম সর্বনাশা মাদকের কাছে। এদের সাথে মিশে যা আমি হাঁডে হাঁডে টের পায় মাদক যে কি সর্বনাশা? সবগুলো পথশিশুই পথে থাকতে থাকতেই আসক্ত হয়ে পড়ে। তাদের বড় প্রয়োজন মাদকের চিকিৎসার। প্রয়োজন সে রকম চিকিৎসা সম্বলিত আবাসিক বাসস্থান। নতুবা এ পরিণতিই হবে! ছেলের এ অবস্থা ম্যানেজ করতে না পেরে আদরের একমাত্র ছেলেকেও মা ছুডে ফেলে দিয়ে থাকতে চাই। গরীব মা বাসায় কাজ করে নীজের পেটে ভাত জুটিয়ে চলে। এর মধ্যে এ অশান্তি সহ্য করতে না পেরে প্রিয় ছেলেকে আবার পথেই ছেড়ে দিয়েছেন। মূল কারন হলো মাদকের নেশা। নেশা আজ বড় সর্বনাশা। তথাপিও মন মানছিল না অসুস্থ অন্য পা টি এখনো একটু একটু কাঁচা ফলোআপ ট্রিটমেন্ট এর জন্য আবারও পংগু হাসপাতালে পাঠানোর চিন্তা করছি। এভাবেই সত্য সঠিক কেয়ারের অভাবে অনেক অসহায় এতিম শিশু পথে আসে আর মাদকাসক্ত হচ্ছে। তাদের জীবনের পরিনতি সমাজের জন্য ভয়ানক ও বিভীষিকাময়। বড় দুঃখের! প্রয়োজন এ সকল শিশুদের জন্য সরকারের যথোপযুক্ত প্রকল্প হাতে নেয়া।
দয়াপূর্বক!
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




