
গতকাল রাতে অারটিভিতে শ্যামল দত্তের উপস্থাপনায় টক শোতে আম্লীগ নেতা জনাব ফারুক খান বললেন- ‘বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত নির্বাচন করবে নিবার্চন কমিশন,সরকার করবে না।’ ভাল কথা।
নির্বাচন কমিশনের অধীনে-ই ইলেকশন হোক,তবে সকল ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া হোক। সে জন্য নির্বাচন কমিশনকে সব ক্ষমতা প্রয়োগের সুযোগ দিয়ে আগামী দুই মাসের মধ্যে প্রয়োজনে আইন পাশ করা হোক। কথায় কথায় ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কথা বলা হয়। ভারতের নির্বাচন কমিশনের যে ক্ষমতা আছে ,সেই ক্ষমতা কি আমাদের নির্বাচনের কমিশনের আছে? নির্বাচন কমিশনকে প্রধান উপদেষ্টা ঘোষনা দিয়ে প্রধানউপদেষ্টা -কাম- নিবার্চন পরিচালনা' বললে সংবিধানিক কি সমস্যা ? সরকারের হাতে সব ক্ষমতা রেখে ইলেকশন করলে সেটা নিরপেক্ষ ইলেকশন হবে না। কারন সরকার কখনও ক্ষমতার বাইরে থাকতে চাইবে না। ১৫৪ আসনে বিনা ভোট অন্যন্য আসণে ৫% ভোট নিয়ে যে সরকার ৫ বছর ক্ষমতায় থাকায় রেকর্ড করে ফেলেছে সেই সরকারকে বিম্পি বা জনগন কিভাবে বিশ্বাস করবে যে ,তারা আসলে নিরপেক্ষ? যে ইলেকশন কমিশনারের সামান্য সেনাবাহিনী নিয়োগ করার ক্ষমতা নাই,সেই কোমড় ভাংগা নির্বাচন কমিশন দিয়ে কি কোন নিরপেক্ষ ইলেকশন আশা করা যায়? সহায়ক সরকার বা তত্বাবধায়ক সরকার যে যোক্তিক কারন দেখিয়ে বিম্পি(বিএনপি) দাবী করছে,সেই চাহিদা পূরক করলেই তো সমাধান। বিম্পি চাইছে নিরপেক্ষ রেফারি। রেফারি যে কেউ হতে পারে। বর্তমান নির্বাচন কমিশনই সেই কাংক্ষিত রেফারি হতে পারে,যদি রেফারিকে বাঁশি বাজিয়ে ক্ষমতা প্রয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়। ফাউল করলে মাঠ থেকে বাহির করে দেওয়া সহ লাল কার্ড দেখানোর ক্ষমতা থাকে। রিমোর্ট কন্ট্রোলের রেফারি নয়। ঠিক রিমোট কন্ট্রোলের নিবার্চন কমিশনও নয়। ক্ষমতা দিয়ে তাকে প্রধান উপদেষ্টা ঘোষনা দিলে আম্লীগ অথবা বিম্পি এর কোন সমস্যা থাকার কথা নয়।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




