ছোটবেলার থেকে পেপার কিংবা সাপ্তাহিক পত্রিকা গুলার ব্যাপারে আমার একটা আলাদা আসক্তি ছিল। এতটাই পত্রিকা ভক্ত ছিলাম যে, আমার জন্য বাসাই ৩ টা পত্রিকা নিতে হতো।
অদ্ভুত একটা ব্যাপার হলো এই পত্রিকা গুলো পড়তাম ঠিকই কিন্তু প্রায় অনেক রকম শব্দের সাথে আমি পরিচত ছিলাম না কিন্তু বুঝতাম এগুলো খারাপ তবে সে খারাপের পাল্লা যে কত ভারি সেটা বুঝতে পেরেছিলাম সেটা আরও পরে।
ধর্ষণ, এসিড সন্ত্রাস, ইভটিজিং প্রতিদিনের পাতায় থাকতো , এই শব্দ গুলো যখন বুঝতে শিখেছি তখন আপন মনে লজ্জা, ঘেন্না এবং অপমান বোধ জাগ্রত হতো।
ভাবতাম সমাজ ব্যবস্থা এমন কেন? সমাজের মূল অর্থ গুলো কি? এইসব প্রগতিশীল চিন্তাভাবনা খুব অনেক আগে থেকে কাজ করতো।
গন্ধ যুক্ত সমাজ ব্যবস্থার কারণে আজ বলি হতে হলো ছোট একটি মেয়ের। মেয়েটি এস.এস.সি পরীক্ষার্থী আর মাত্র ৩টি পরীক্ষা বাকি ছিল। আর পরীক্ষার আগের রাতই তার মুখ ঝলসে গেল গন্ধযুক্ত সমাজের এক গন্ধকারীর হাতে।
দোষ খালি তার একটাই তার অন্যায় প্রস্তাবে সাই কেন সে দেই নি।
এখন সে ঢাকা মেডিকেলে কাতরাচ্ছে , গন্ধযুক্ত সমাজের নিচ চিন্তাভাবনা বলি নতুন কিছু নয়। যথারীতি সেই গন্ধযুক্ত কীটকে আর পাওয়া যাচ্ছে না। আর এই কীটগুলো কিছুদিন পর ফিরে এসে হইতো আবার কারও জীবন গুলোকে নষ্ট করবে। এটাই এখন বাংলার সমাজের রীতি হয়ে উঠেছে ।
স্বপ্ন দেখার চোখ ২ টি এখনও নুয়ে পরে নি। স্বপ্ন এখনও আছে সুন্দর একটি সমাজ গঠনে।
নতুন সূর্য উঠার সাথে সাথে জীবন জাগ্রত হই নতুন এক উদ্দীপনায়।
ভয় খালি একটাই এই গন্ধ সমাজের গন্ধ যেন আমাকে যেন স্পর্শ করতে না পারে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




