somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শিশু রাজন হত্যায় বাংলার মানুষের এতো ক্ষোভ কিন্তু অতীতে আরো হত্যা হয়েছে সেখানে ক্ষোভ কই?

১৫ ই জুলাই, ২০১৫ দুপুর ১২:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মোহাম্মদ আসাদ আলী বলেছেন-

এত শোকের মাতম, প্রতিবাদ, চিৎকার-চেচামেচি কিছুই হতো না যদি ভিডিওটা প্রকাশিত না হতো। খেয়াল করুন তো, প্রতিদিন কত নৃশংস খুনের বর্ণনা পত্রিকায় পড়ে থাকেন, ওইসব খুনীর উপর এতটা ক্ষোভ জাগে? না। কারণ ওসব ক্যামেরায় ধারণ করা হয় নি, আপনি দেখেন নি কেবল পড়েছেন শুনেছেন বা জেনেছেন। বস্তুবাদ কাকে বলে বুঝেছেন তো?

সামসুল হুদা হেলাল বলেছেন-

সিলেটে শিশু শেখ সামিউল আলম রাজনকে (১৩) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলার অন্যতম আসামি কামরুল হাসানকে সৌদি আরবের জেদ্দা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ খবর নিশ্চিত করেছেন সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহ। এর আগে ১০ই জুলাই দুপুর ২টায় কামরুল হাসান নামের ওই ব্যক্তি সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে সৌদি আরবে যান। রাজন হত্যা মামলার এজাহারের তিন নম্বর আসামি এই কামরুল ইসলাম। গত ৮ জুলাই সকালে সিলেট শহরতলির কুমারগাঁওয়ে চোর সন্দেহে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয় শিশু রাজনকে। পরে লাশ গুম করার সময় স্থানীয় লোকজন হাতেনাতে আটক করে কামরুলের ভাই মুহিত আলমকে। পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এ ঘটনায় মুহিত, তাঁর ভাই কামরুল ইসলাম, আলী হায়দার ও স্থানীয় চৌকিদার ময়না মিয়া লালকে আসামি করে হত্যা মামলা করা হয়। মামলার আসামি সিলেট সদর উপজেলার শেখপাড়া গ্রামের কামরুল হাসান দীর্ঘদিন ধরে সৌদি প্রবাসী। কিছুদিনের জন্য দেশে এসেছিলেন তিনি। তবে শিশু রাজনকে পিটিয়ে হত্যার একদিন পরই আবার বাংলাদেশ ছেড়ে সৌদি আরব চলে যান তিনি।

আসিফ আজিম বলেছেন-
"মৃত্যুর আগে একটু পানি খেতে চাইছিলো ছেলেটা ... তাকে বলা হইছেঃ "পানি নাই, ঘাম খা" ১৩ বছরের ছোট্ট ছেলেটা সবজি বেঁচতো বাজারে ... তাকে চুরির সন্দেহে খুঁটির সাথে বেঁধে লোহার পাইপ দিয়ে ২৮ মিনিট ধরে তিলে তিলে নখে, মাথা ও পেটে লোহার পাইপ দিয়ে আঘাত করে মারা হইছে ... এক সময় বাঁ হাত ও ডান পা ধরে মোচড়ানোসময় বাঁ হাত ও ডান পা ধরে মোচড়ানোও হইছে !! কয়েক মিনিটের জন্য রাজনের হাতের বাঁধন খুলে রশি লাগিয়ে হাঁটতে দেয়া হয় ... "হাড়গোড় তো দেখি সব ঠিক আছে, আরও মারো…" - এই বলে রাজনের বাঁ হাত খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রেখে আরেকদফা পেটানো হয় ... একসময় মাটিতে নিস্তেজ হয়ে পড়ে যায় রাজন !! যে ভিডিও ধারণ করার কাজটি করছিল, তাকে নির্দেশ করে নির্যাতনকারীরা জানতে চায়- ঠিকমতো ভিডিও ধারণ হচ্ছে কি-না ... ওপাশ থেকে সে হাসতে হাসতে বলেঃ "ফেসবুকে ছাড়ি দিছি, অখন সারা দুনিয়ার মানুষ দেখব…" ... ... ... আমি জীবনে কোনদিন মানুষ খুন করি নাই, খুন করার মত ইচ্ছাও হয় নাই, সাহসও হয় নাই ... আমি প্রথমবারের মত মানুষ খুন করতে চাই ... একটা লোহার পাইপ দিয়ে পিটায়ে চারটা মানুষ খুন করতে চাই !! আচ্ছা, ওরা তো মানুষ না ... ওদেরকে অনেকে পশু বলতেছেন, শুয়োর, কুকুর বলতেছেন ... আচ্ছা পশুকে দেখছেন এরকম করতে ?? ... এরা পশু না ... পশু অনেক ভালো !! প্লিজ পুলিশ, ওদেরকে ছেড়ে দেন ... আপনাদের এই "আইন" , "তদন্ত" , "রিমান্ড" , "শাস্তি" - এই সস্তা শব্দ আর কথাগুলা এখন আর কেউ বিশ্বাস করে না ... প্লিজ বইলেন নাঃ "দেশে আইন আছে ... আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে !!" ভাই, যখন ২৮ মিনিট ধরে বাচ্চা ছেলেটাকে পিটানো হইছে, কোথায় ছিলো আপনার আইন ?? তারা ২৮ মিনিটে খুন করে ফেললো একটা নিরীহ ছেলেকে ... আপনারা ২৮ ঘন্টা, ২৮ দিন, ২৮ মাসেও আপনাদের আইন দিয়ে খুনিদের কিছুই করতে পারবেন না !! "তদন্ত চলছে" - টাইপের বুলশিট কথাবার্তা শুনাবেন ... এইখানে তদন্তের কি আছে ?? ... ভিডিওতে সবার মুখ দেখা যাচ্ছে, কন্ঠ শোনা যাচ্ছে, হাতেনাতে ধরছেনও ... আর কি লাগবে আপনাদের শাস্তি দিতে, বলেন ?? নাকি অপেক্ষা করাবেন আমাদের কিছুদিন ?? ... তারপর সবাই ভুলে যাবে ... কেস শেষ !! ছেড়ে দেন ওদের ... প্লিজ ... ফাঁসি দিলেও অনেক কম হবে ওদের ... ওদের খুন হইতে হবে ... যন্ত্রণা দিয়ে মারতে হবে ওদের !! এই মূহুর্তে চোখে পানি নিয়ে বলতেছি, আমি ঠান্ডা মাথায় লোহার পাইপ দিয়ে পিটায়ে চারটা মানুষ কে খুন করতে চাই ... আমার ধারণা, আমি একা না ... অবশ্যই আমি একা না !! ... ... ... ভালো থাকিস রাজন ... আমাদের মাফ করে দিস ... তুই অসহায়ের মত কাঁদছিলি, কিন্তু কোন কাজ হয় নাই ... আমরাও এইরকম কাঁদতেছি, কিন্তু কোন কাজ হবে না ... এই বাংলাদেশে হায়েনার মত হাসতে থাকা পিশাচগুলাই জিতে যায় ... আমি, তুই, আমরা কাঁদতে কাঁদতে হেরে যাই ... বারবার হেরে যাই !! মাফ করে দিস রাজন ... মাফ করে দিস........


রনি বলেছেন-
রাজনের মাকে বলছি, মা জানিনা তোমার ছেলের খুনের বিচার এই দেশে হবে কিনা। মা তোমাকে বুজানোর ক্ষমতা আমাদের কারও কাছে নেই। মা আজ তুমি বড় অসহায়। তারচেয়েও বড় অসহায় আমরা। ক্ষমতার যাতাকলে পড়ে আজ আমরা নির্বাক। সভ্যতার বুলি আউড়িয়ে ক্ষমতার লোভে পাপকে পাপ মনে করিনা। ইতিমধ্যে আমরা জানতে পেরেছি যারা তোমার ছেলেকে হত্যা করেছে তারা নাকি শাসক দলের লোক। তাহলে মা তোমার আর আমাদের বুজার বাকি নাই যে এই হত্যার ন্যায় বিচার আদৌ আমাদের দেশে পাওয়া যাবে কিনা? যারা ক্ষমতার দন্দ্ব্বে নিজ দলের একজন ভাল ভদ্র নেতাকে দিনে দুপুরে হত্যা করে আগুন দিয়ে জ্ব্বালিয়ে দেয়। এরাই সভ্য, এরাই অসভ্য, এরাই জাতির কলংক, আবার এরাই সোনার ছেলে!!! কি চমৎকার তাইনা মা!!! মা আল্লাহর কাছে দোয়া করি আল্লাহ যেন তোমার ছেলেকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করেন আমীন।।।। মা তুমি ধৈর্য ধর আর আল্লাহর কাছে দোয়া কর আল্লাহ যেন আমাদের দেশে একজন ভাল শাসকের জন্ম দেন। যিনি তোমার ছেলে সহ এ দেশের প্রত্যেকটি খুনের সঠিক ও সুষ্ঠু বিচার করতে পারবেন। মা তুমি আমাদের অভিশাপ দিওনা। আমরা লজ্জিত, পরাজিত এবং কলংকিত। মা তুমি আমাদের ক্ষমা করে দিও। আল্লাহ তোমায় দুঃখ সইবার তৈফিক দান করুন। আমীন।।।


নিলয় বিশ্বাস বলেছেন-
আমি হিন্দু। তবুও
রমজান মাসের গুরুত্ব আমিও বুঝি।
তাইতো রমজান মাস এলে কোনো মুসলমান এর সামনে কোনো খাবার খাই না। কারন তারও খাবার খেতে ইচ্ছা হতে পারে। রোজাও ভাংতে পারে।
আমি হিন্দু হয়ে তোদের রোজার কথা ভাবি। আর তোরা মুসলমান হয়ে রোজার মাসে আর এক মুসলমানকে হত্যা করলি।
একজন রোজাদার মানুষকে একটা চিমটি দেওয়া যায় না।
আর তুই একটা 13 বছর বয়সী মুসলিম রোজাদার বাচ্চাকে 28 মিনিট ধরে তিলে তিলে হত্যা করলি।
কিভাবে তুই নিজেকে মুসলমান বলিস??
আমি জানতাম ইসলাম মানে শান্তি।
কিন্তু তোরা ইসলামের মান রাখতে পারলি না।

আমি মানুষ। আমি রাজন হত্যার বিচার চাই।।।।


চন্দন বিশ্বাস বলেছেন-
রাজনের দেহে ৬৪ টা দাগ পাওয়া গেছে তা শুধু রাজনের দেহের দাগ নয়। বাংলাদেশে ১৬ কোটি মানুষের দাগ। তাই এই পশুরা যেন আগের মতন ছাড় পেয়ে না যায়।



রানী অপু বলেছেন-
রাজন! রাজন! রাজন! প্রতিবেদনটা সবাই এবার বন্ধ করেন প্লিজ! আর কত! সহ্য হচ্ছে না! দুদিন যাবত এই একটা বিষয় নিয়ে তুলপাড় এই ফেসবুক পাড়া! যতবার পড়ছি হৃদয়টা ক্ষত বিক্ষত হয়ে যাচ্ছে অজানা কষ্টে! খুব মনে পড়ছে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এর লেখা সেই লাইন গুলি, ♣ অবাক পৃথিবী অবাক করলে তুমি, জন্মেই দেখি ক্ষুব্ধ স্বদেশ ভুমি!!!! কিন্তু তাও ভুল ক্ষুব্ধ ভুমি না হে গুনী মানব ক্ষুব্ধ আমার মত কিছু নিষ্কর্মা মানুষ যাদের কিছুই করার ক্ষমতা নেই! ধিক হাজার বার এদেশের আইন আর আইন নামক এক নিয়মরেখাকে! যে রেখা আদৌ কারো সহায়ক নয় যারা আমারই মত ক্ষমতা হীন! ছোট্ট ছেলেকে মৃত্যুরর বিন্দু বিন্দু যন্ত্রনা ওরা ৪ জন অমানুষ মিলে ভোগ করালো! কিন্তু আমার দৃষ্টিতে ৪ জন নয় অগনিত! রাজনের খুনি ৪ জন হতেই পারেনা! ২৮ মিনিট ধরে একটা বাচ্চা ছেলেকে তিলে তিলে খুন করা হলো অথচ আর কেউ দেখলো না? হাস্যকর!!!! এই দেশে মানুষ আছে না শুধুই নামধারী মানুষের জনজট??? আশেপাশে কি একটা মানুষ ছিলনা যে এই ছেলেটার জন্য নূন্যতম দায়িত্ব পালন করতে পারলোনা? হায়রে দেশ আর দেশের আইন? আরও হাস্যকর আইনের রক্ষক গুলা! কেউ জানলোনা শুধু ঐ ৪ জন ই জানলো রাজন ধিককার দিতে দিতে অবশেষে চলে যাবে? খুব কষ্ট হচ্ছে এটা ভেবে যারা ২৮ মিনিটে নিষ্পাপ, নিষ্কলঙ্ক ছেলেটাকে মৃত্যুর দুয়ার দেখালো আমরা হয়ত ২৮ মাসেও তার খুনিদের মৃত্যু কেন নাগাল ও পাব না! অচেনা একটা ছেলে অথচ কত আপন জনকে হারিয়েছি লাগছে! কিন্তু ভাবুন তো ওর পরিবারের কথা!!! রাজন এই দেশের সমাজ আর আইনীব্যবস্থাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ধিক্কার দিতে হারালো আর বলে গেল দরিদ্রতাই বেঁচে থাকার অন্তরায় এই দেশে! মা হয়ত বসে ছিল সেদিন রাজন কখন ফিরবে সব্জি বিক্রি করে, আর তারপর হয়ত ওদের চুলোয় আগুন জ্বলত অথচ কখন যে পিশাচগুলা ওর জীবন বাতিই নিভিয়ে দিল পৃথিবী ও সেটা চোখ মেলে দেখলো!! এবার দেখি এই দেশের ক্ষমতা.... যারা এত সাহসে ভিডিও ক্লিপ তৈরি করে রাজন কে ওদের এন্টারটেইনমেন্ট হিসেবে ইউজ করলো আমি চাই তাদেরকে নিয়ে এন্টারটেইনমেন্ট হোক!!! করে দেখান যদি সত্যি মানবতা থাকে! নতুবা আমার মমত প্রতিটা দরিদ্র পরিবারকে বলছি, যাদের টাকা নাই চাহিদা পূরন করবার! আপনারা ছেলে মেয়ে গুলোকে নিজ হাতে মারুন তবুও আমরা এত ব্যথা পাব না যতটা ব্যথা এই পিশাচগুলা দিল!! যে দেশে বেঁচে থাকার লড়াইয়ের আরেক নাম মৃত্যু!!! রাজন তুই আমার অনেক ছোট তবে তুই আমার আইডল আজ হতে... আজকের পর কেউ যেন আর বেঁচে থাকার অনুরোধ না করে.... তবে যে তোকে অপমান করা হবে.... তুই বেঁচে থাকবি আজীবন আর কলংকিত রব আমরা যারা তোকে বাঁচাতে পারিনি। আমি একটা মেয়ে তাই আমার এই আর্তচিতকারে অনেকেই দেখবি সমালোচনার ঝড় তুলবে কিন্তু জানিস দুদিন থেকে এত্ত কষ্ট পেয়েছি যা লিখার ভাষাহীন! এই বর্বর পৃথিবী তোকে বাঁচতে দিলনা ফাঁসি চাই না ভিডিও সহ জনসম্মুখ এ অনুরুপ মৃত্যু চাই ওদের!!! ♣♣অকর্মণ্য এক মানবীমাত্র তোর জন্য যার কিছুই করার নেইরে♣

এ.কে.এম জাকারিয়া বলেছেন-
সবাই রাজন হত্যাকারীদের ফাঁসি দাবি করছে। আমি ওদের ফাঁসি চাই না। আমি চাই, ওরা যেভাবে-যেখানে রাজনকে হত্যা করেছে, সেখানে-সেভাবেই সারা দেশের মানুষের সামনে তাদেরকে মারা হউক। আর সেই ঘটনা ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হউক। তাহলে রাজনের আত্মা শান্তি পাবে।


হাবিব রহমান বলেছেন-

"ওরে পাষণ্ড জানোয়ার
তুই কিরে সীমার
কি বুকে মাছুম বাচ্চাটাকে
করলি এতো প্রহার .

মাগো মাগো কাঁন্দে রাজন
আঘাতে আঘাতে
তাই শুনিয়া উঠলি তোরা
উল্লাসে মেতে
মা বুঝি জন্ম দেয়নি
তোদের ওরে কুলাঙ্গার ||

কি বুকে মাছুম বাচ্চাটাকে
করলি এতো প্রহার ||

পানি পানি করে রাজন
পানি তো দিলেনা
ঘাম খাইতে নির্দেশ দিলে
ওরে এজিদ সেনা
তোরা কি মোসলমান ছিলেনা
ওরে কাফির কুফফার ||

কি বুকে মাছুম বাচ্চাটাকে
করলি এতো প্রহার ||

ভেবেছিলে পার পাইবে
কিছুই তোদের হবেনা
পাপে যে বাপকে ও ছাড়েনা
জানা বুঝি ছিলোনা
দেখ জেগেছে আজ সারা বাংলা
সবাই চায় তোদের বিচার ||

কি বুকে মাছুম বাচ্চাটাকে
করলি এতো প্রহার ||

সরকারের কাছে হাবিব
জানাই নিবেদন
দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে
ওদের করুন সমর্পণ
১৬ কোটি জনগণ তাই চায়
এ বিশ্বাস আমার ||

বাঙালী বাবু বলেছেন-
ছোট্ট এই জীবনে অনেক উত্থান পতন দেখেছি, নৃশংসতা সহমর্মিতা দেখেছি, নিজেও স্বচ্ছতা প্রতিকুলতার স্বীকার হয়েছি, হৃদয়ের সাময়িক আহাজারিতে প্রকৃতির সহযোগিতায় আবার কাটিয়েও উঠতে পেরেছি।

তবে আজ যে নৃশংসতা দেখলাম, সিলেটের কিশোর রাজন হত্যায়, কোনভাবেই মানতে পারছিনা মানতে পারবও না কোনদিন, অসহায় শিশুটির কান্না জড়িত বাঁচার আকুতি ক্ষনে ক্ষণেই স্তব্ধ করে দিচ্ছে হৃদস্পন্দন, আপ্লিত ব্যাথিত করে দিচ্ছে অন্তরটাকে।

এই যদি সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীবের ব্যাবহার হয়, তাহলে সৃষ্টির নিকৃষ্ট জীব কে???
দুনিয়াবী সকল জীবই তাদের স্বজাতি বিপদে পড়লে উদ্ধার করার চেষ্টা করে, আমরা মানুষ আশরাফুল মাখলুক, নিজের স্বজাতির একজন মাসুম বাচ্চাকে নির্মম ভাবে হত্যা করে পৈশাচিক উল্লাস করি। ছিঃ ভাবতে অবাক লাগে কতটা অধঃপতন হয়েছে আমাদের।

আজ যদি কোন চতুষ্পদ প্রাণী তাদের সমগোত্রীয় সেমিনারে বক্তব্য রাখে, আমরা শান্তি প্রিয় প্রাণী,আমরা আমাদের আপন জাতির প্রতি সহনশীল, আন্তরিক,

আর মানুষ জাতি হিংস্র নৃশংস নিন্দিত জানোয়ার, ওদের আমরা ঘৃনা করি।
তখন আমরা মানুষের লজ্জা পাওয়ার কোন অবকাশ থাকবে না,
এই লজ্জা মানুষের, এই লজ্জা সভ্যতার, এই লজ্জা আধুনিকতার, এই লজ্জা বর্ণের, এই লজ্জা ধর্মের,

পারলে ক্ষমা করো ভাই রাজন, পারলাম না তোমার আহাজারিতে সারা দিতে,
মানুষ জাতির সম্মান ক্ষুণ্ণ করায় ঐ সব দুই হাত দুই পা ওয়ালা নরপশুদের জনসন্মুখে বজ্রকন্ঠে ফাসির জোর দাবী জানাচ্ছি।


আশিস দাস বলেছেন-
শাহজালালের পূর্ণ ভুমিতে এত নিষ্ঠুর মানুষ হয়না এই রমজান মাসে ॥ একটা শিশু কে এই ভাবে মারতে পারে এরা মানুষ রূপের হায়না ॥ ভাই পানি দেন পানি পাবি না ঘাম খা আমরা কোন লেভেল এর পশু হইয়া যাইতাছি তার উদাহরণ ছেলেটি মরার জন্য আমারা ১৭ কোটি মানুষ দায়ী কারন আমরা তার প্রতিবাদ জানাই নি এখনো ছেলেটি যদি চুরি করে থাকেন তবে কি পুলিশ নাই দেশে নাকি আমরা আইন নিজের হাতে তুলে নিতে প্রস্তুত নাকি দেশে যে বিচার বহির্ভূত হত্যা চলছে তার প্রতিচ্ছবি। আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া করিতে পারিনি চিৎকার আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া করিতে পারিনি চিৎকার বুকের ব্যথা বুকে চাপায়ে নিজেকে দিয়েছি ধিক্কার কতটুকু অশ্রু গড়ালে হৃদয় জলে সিক্ত কত প্রদীপ শিখা জ্বালালেই জীবন আলোয় উদ্দীপ্ত কত ব্যথা বুকে চাপালেই তাকে বলি আমি ধৈর্য নির্মমতা কতদূর হলে জাতি হবে নির্লজ্জ.

সংগ্রহে : হাবিব বিন ছোবহান।

সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুলাই, ২০১৫ দুপুর ১২:৩০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হারানো বিজ্ঞপ্তি

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩১



অত্যন্ত দুঃখ ও ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানানো যাচ্ছে যে, গত প্রায় দুই বছর যাবৎ বিবেক, বুদ্ধি, জ্ঞান, বিচার ও বিবেচনা - এই পাঁচজনকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। একসময় তাঁরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কিন মাটিতে ‘আত্মঘাতী ভুল’- নাকি বদলে যাচ্ছে হিসাব?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:২৫


মার্কিন মাটিতে ‘আত্মঘাতী ভুল’- নাকি বদলে যাচ্ছে হিসাব?

শেখ হাসিনা কি ফিরবেন?
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কখনো কখনো একটি বৈঠকের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে- কোন বৈঠকটি হলো, কোনটি হলো না এবং কোন... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম হিসেবে গর্ব করার কিছু নেই......

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আমরা যারা আপাত দৃষ্টিতে হায়েনা নই কিন্তু নিরবে স্বচক্ষে হিন্দুদের সর্বনাশ দেখে যাচ্ছি তারা সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ বাংলার হিন্দু, বাংলার খ্রীষ্টান, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার মুসলমান, আমরা সবাই বাঙ্গালী-এই বৈষম্যহীনতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অল্প একটু পাশে থেকো

লিখেছেন রানার ব্লগ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১০



আমাকে খুব বেশি কিছু দিতে হবে না,
এক মুঠো আকাশও নয়,
আচেনা কোনো বিকেলও নয়।

শুধু কখনো কখনো
আমার নির্জন ঘরের দরজায়
টোকা দিয়ে দাঁড়িয়ো, যেন বুঝতে পারি
ফুরিয়ে যাবার বেলা এখনো আসেনি ।

আমাকে প্রতিদিন মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাইনকা চিপা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৬


এখন পর্যন্ত জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে ঢাকা ছেড়ে বাড়িতে চলে আসা। যে সময়ে শ্রেণীকক্ষে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান করার কথা, সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×