চবি ক্যাম্পাসে কেটেছে বাড়ন্ত যৌবন
অনন্য সোনালী দিনে। সবুজের ভীড়ে,
পাহাড়ি লতা- পাতায় ঘেরা বনোপথ
মাড়ায়ে, বুনেছি স্বপ্নের জাল কত!
প্রিয়ার হাতে রেখেছি নিজের হাত,অজান্তে,
হেঁটেছি পথ পাশাপাশি, মায়ার বাঁধনে।
দূরের পাহাড়ের ঢালে দেখেছি পাখির বাসা
শোনেছি কলরব কতনা অজানা পাখির,
খিঁচির মিচির ডাকে সন্ধা উজার;
বসে আছি নিশ্চুপ;শুধু অনুভবে বুঝেছি,
কেউ একজন কাছে আমার হৃদয় কোণে।
একদিন এমনি করে পেয়েছি জীবন সাথী,
প্রকৃতির কূল থেকে আনা পরশপাথর।
জীবনাঙ্গিনায় সাজায়েছি বাগান ভালবাসার
সে যে কত আপন, কত প্রিয়? কি করে বুঝাব?
বেঁচে আছি ভালবাসায় আজও।
মনের গহিনে আজও সে অম্লান,স্বার্থক অনুভব।
যেদিন হয়েছিল দেখা প্রিয়ারসনে,
চোখের রেখায় পড়েছিল চোখ,
বেঁধেছি বাসা পাখীর নীড়ের মত চোখে।
স্মৃতির পাতায় চোখ যায়, বার বার।
সেদিনের চাঁদের মেলা, আজও বুঝি
ছড়ায় জ্যোৎস্না রাতের পসর, কবি নই;
তবু ভাবি লিখি কবিতা, ভাষা নেই তবু ভাবি
যদি শব্দের মালা গেঁথে দেই; তাহলে
একদিন আসবে কোন কবি, বেছে নেবে
আমার কোন এক শব্দ তার কবিতার
রয়ে যাব আমি, এখানেই স্বার্থকভাবি।
অপূর্ব দিন গুলো কেটেছে চবি ক্যাম্পাসে,
ভালবাসার স্বপ্ননীড় গড়েছি সেখানেই।
আজও ভাবি ফিরে যেতে সেখানে, যদি
দেখামেলে সেই সব ফুল, পাখি, পথ,
যেখানে হেটেছি দুজনে, পাহাড়ি লতায়
ছোঁয়ে গেছে শরীর, থমকে দাঁড়িয়েছি
কাঠ বেড়ালীর উচু লেজের নাচন দেখে।
আজও ভাবি স্বপ্নগুলোর কথা, কেননা
আমরা আছি একসাথে, ভালবাসার বাধনে।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




