পাগলা সমর্থকদের নিয়ে আমাদের গর্বের শেষ নেই। আজকে নিউজিল্যান্ডের সাথে ম্যাচ শেষে সাকিব আল হাসানের ফেসবুক পেইজে ম্যাচ নিয়ে দেয়া পোষ্টে মানুষের কমেন্ট পড়ে আর এই পাগলা সমর্থক নিয়ে গর্ব করার উপায় নেই। এদের পাগলামির মাত্রা অতিরিক্ত হয়েগেছে। এরা গালিগালাজ করার ভাইরাসে আক্রান্ত।
হয়তো সাকিবের সিদ্ধান্ত অনেকেরই পছন্দ হয়নি তাই বলে পোষ্টে গালিগালাজ করতে হবে! কেউ বলছে "বালের ক্যাপ্টেন " কেউ বলছে সাকিব নাকি ৫ উইকেট নেয়ার জন্য বল নিজেই করছিল। আরও বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা।
আপনারা তো শিক্ষিত সমর্থক।অনেক কিছু জানেন ক্রিকেট সম্পকে। আসুন একজন অশিক্ষিত সমর্থকের কথা বলছি।
একজনের কাছে শুনলাম এক চায়ের দোকানদারের গল্প। উনি নাকি কেউ দোকানে এসে বাংলাদেশ দলের সম্পকে ভাল কথা বল্লে উনি ফ্রিতে চা খাওয়ান। কখনো কখনো বিস্কুটও ফ্রি। কিছুমানুষ সরলতার সুযোগ নিয়ে পান, সিগারেটও মেরে দিতেন।
উনি আদিম যুগের সমর্থক। আদিম স্টাইলে দেশকে সমর্থন করে। দলের জয় পরাজয়ে পাশে থাকে। এদের ভালবাসা প্রকাশের জন্য ফেসবুক নেই, গায়ে জার্সিও থাকেনা। ছেড়া ময়লা শার্ট পরেই দেশকে সমর্থন করে।
আমাদের আধুনিক সমর্থকদের মত এত ক্রিকেটীয় বিশ্লেষণ এরা জানেনা। তাই হয়তো এদের মুখের ভাষায় লিমিট থাকে। দলের সেরা খেলোয়ারদের এরা গালি দেয় না। দলের পরাজয় মেনে নিয়ে নিজের ব্যবসায় মন দেয়।
এরা দেশকে ভালবাসে, পুরো দলকে ভালবাসে। দেশের জয়ে যেমন হাসিমাখা মুখ নিয়ে ব্যবসা করে তেমনি পরাজয়েও মনখারাপ নিয়ে ব্যবসা করে। এরাও পাগলামি করে তবে সেটা নিজের মধ্যেই রাখে। জয়েও পরাজয়েও।
এরাই শিক্ষিত সমর্থকের উদাহরণ। গালিগালজ করে কখনো ভালবাসা প্রকাশ পায়না বরং নিজের ছোটলোকি ভাব প্রকাশ পায়। আসুন ওই চা ওয়ালার মত শিক্ষিত হই।
হাজার হাজার সমর্থকের চেয়ে ১০ জন শিক্ষিত সমর্থক শ্রেয়।
#ভয়েস

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




