শেহবাগের ঘেউ ঘেউ ডাক শুনেছিলাম। শেহবাগের চোখে বাংলাদেশ অডিনারি দল, সেই অডিনারি দলই এবার কোয়াটার ফাইনালে খেলবে। ১৪ দলের মধ্যে সেরা ৮ টি দলের একটি অথচ শেহবাগ সাহেব নিজের দেশের ৩০ সদস্যের মধ্যেই নেই। অধঃপতন হয়েছে কার?
সিধু সুর লাগিয়ে মিয়াও মিয়াও করে। আমি সিওর তার মুখের লাগাম না থাকার কারন রিমান্ডে নিয়া দুইটা সিদ্ধ ডিম দিলেই বলেদিবে। তার মধ্যে ক্রিকেটীয় জ্ঞান কিছু আছে বলে মনেহয় না। থাকলে কমেন্ট্রি বক্সে আউলফাউল কথা বলতো না। শুধু চাকরি বাঁচানোর জন্যই এসব করে।
"ভারতের দৌলতেই বাংলাদেশের সৃষ্টি" ভারতীয় মানুষ বিভিন্ন ভাবে এই কথাটা প্রমান করতে চায়। ভারতীয় মানুষ চায় আমরা যেন এই কথাটা স্বীকার করি। যখন দেখছে এ জাতি এই ভুল কথাটার প্রতিবাদ জানাচ্ছে তখনই তাদের ভেতরে থাকা পশু জাগ্রত হয়।তারা কখনো ঘেউ ঘেউ, কখনো মিয়াও মিয়াও, কখনো বা হাম্বা হাম্বা করে চিল্লাতে থাকে। বিজ্ঞাপন বানায়, সিনেমা বানায়। ইতিহাস বিকৃতি করে আমাদের।
ইস্যু হিসেবে ক্রিকেট বা সিনেমাকে বেছে নেয় আমাদের পচানোর জন্য। কখনো নিরীহ ফেলানিদের কাটাতারে ঝুলায় আবার কখনো সীমান্তে গুলি করে মানুষ হত্যা করে।
অনেকে বলছে ভিডিও ফেক। হোক ফেক কিন্তু সেটাতো কোন না কোন ভারতীয়র বানানো। আজকে এদেশের কেউ অনলাইনে লেখা বা ভিডিওর মাধ্যমে ইতিহাস বিকৃতি করলে তাকে জেলে যেতে হত। কিন্তু একটা জাতি যে পুরো বিশ্বের সামনে আমাদের ইতিহাস ভুল ভাবে উপস্থাপন করছে সেটা কোন ব্যাপার না।
আসলে বিষয়টা এখন আর খেলার মধ্যে আটকে নেই। একদিন গোটা বিশ্ব বিস্বাস করবে ভারত বাংলাদেশকে স্বাধীনতা দান করছে। সেদিন আমাদের সরকার এর তীব্র নিন্দা জানিয়ে দায়িত্ব সারবেন। চলতে থাকুক।
আমাদের মত আমজনতার আর কি করার আছে। আসুন নিজেদের সান্তনা দেই।
রাস্তায় বিভিন্ন পাগল দেখাযায় মানুষ দেখলেই গালিগালাজ করে। কেউ যদি সেই পাগলকে থামানোর চেষ্টা করে তাহলে তার পাগলামির মাত্রা বেড়ে যায়।তাই পাগলদের এড়িয়ে চলতে হয়।
ধরুন পৃথিবীর বুকে দুএকটা পাগলা জাতি আমাদের গালিগালাজ করছে। এতে চিন্তিত হবার কিছু নেই। তাদের পাশকাটিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আমাদের ক্রিকেট একদিন সাফল্য নিয়ে এগিয়ে যাবে অনেকদূরে কিন্তু শেহবাগ সুধুরা থেকেযাবে আপন পাগলামিতে।
তাদের পাগলামি চলতে থাকুক আমাদের এগিয়ে যাওয়া চলতে থাকুক।
#ভয়েস

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




