* নীপবনে জোছনা
বয়স তখন ১২
যখন তোমার হারিয়ে যাওয়া
কাল্পনিক ভাইয়ের মত দেখতে আমাকে
প্রেমপত্র দিয়েছিলে
চাঁদের আলোয় চুপিচুপি পরেছিলাম
সাথে আমার দুষ্টু বাল্যবন্ধুকে নিয়ে
চিঠির ভাষা আমাদের কাছে দুর্বোধ্য ছিল
কিন্তু সারমর্ম বুঝার মত পেঁকে গিয়েছিলাম ঠিকই
বার্ষিক পরীক্ষায় সারমর্মতে পুরু দশটি নাম্বার ছিল যে
হাহাহাহা হাহাহহা হাহাহহাহা
এ হাসি এ যুগের,আমার একার
কারণ তখন সবাই হেসেছিল
ছেলে হয়েও একটা মেয়ের কাছ থেকে
ইনিসিয়াল প্রেমপত্র পাওয়ার লজ্জা রাখার পাত্র
বহু খুঁজেও পাই নি তখন
তুমি আমাকে অনেক ভালবেসেছিলে
পরবর্তী সাতটি বছর
আমি পারিনি যানি না কেন
ভাল থেক তুমি
তোমার মেয়ের নামটা যেন কি?
* কেউ বলে পরম মিষ্টি, কারোবা হইলোনা দৃষ্টি....
তোর সাথে আমার সবকিছুতেই অনেক মিল ছিল
কিন্তু তার পরো প্রতিদিন সকালে তোর আর আমার মাঝখানে দিয়ে আসা প্লাসটা
বিকেলে কিভাবে যেন উধাও হয়ে যেতো
আজো সে এক রহস্য আমার আর আমার সেই বাল্যবন্ধুটির
প্রেমপত্র লিখতে রক্তের প্রচলন তখনো হয়েছিল কিনা জানিনা
তবে যেটা লিখেছিলাম সেটাতে আবেগ ছিল যত দাবি ছিল তার চেয়ে বেশি
আর তাই সেটা প্রেমপত্র না হয়ে স্মারকলীপি হয়ে গিয়েছিল
হেডস্যার ক্লাসে তখন প্রচুর "অ্যাপ্লিকেসন" প্র্যাকটিস করাতো
মনে হয় ওরকম হওয়ার সেটাই কারণ
সেই কালজয়ী চিঠিটিতে আমার চেয়ে আমার বাল্যবন্ধুর অবদান বেশি
সে আবার নিচের ক্লাসের পিচ্চি এক ছেলেকে নিয়ে এল লেখার কাজ সম্পন্ন করার জন্য
কারণ ছেলের হাতের লেখা ভাল
সে মহান যুগ্ন চিঠিটার ব্যাপারে শুধু আমরা তিনজন ই অবগত থাকতাম
যদি না আরেক প্রেমিকা বিহীন আঁতেল প্রেমিক ওটাকে
চুরি করে কপি করে রাখতো
সে চিঠি তোর হাতে কখনো পরে নি
আমার বাল্যবন্ধুর প্যান্টের পকেটেই ওটার মৃত্যু হয়েছে
পরবর্তী তেরটি বছর তুই আর আমি শুধুই বন্ধু রইলাম
খুবই ভাল বন্ধু
তুই ও ভাল থাকিস
তোর মেয়ের মত আমারো যাতে সুন্দর একটা মেয়ে হয়
এটাই দোয়া করিস।।
পুনশচঃ তোর মায়ের হাতের রান্নাটা জোসসসসসসসসসসস......
চলবে ...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


