somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইকরা পরিষদ একটি সামাজিক, শিক্ষা ও ক্রীড়া উন্নয়ন মূলক সংগঠন।

০৮ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

২০০৬ সালে চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া থানার প: গাটিয়াডেঙ্গা নামক গ্রামে ক্ষুদে কয়েক জন কিশোরের হাত ধরে শুরু হয় ইকরা পরিষদ এর যাত্রা। আজ ২০১০-এ যারা এক ঝাক তরুণ। ২০০৬ সাল থেকে ক্রীড়া মূলক কার্যক্রম পরিচালনা করলেও সাতকানিয়া উপজেলার নোংরা রাজনৈতিক পরিবেশের কারণে সামাজিক ও শিক্ষামূলক কোর কার্যক্রম পরিচালনা করার সুযোগ পায়নি এবং করার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও আসে বিভিন্ন বাধা বিপত্তি।
সকল বাধা বিপত্তির মাঝে একদল তরুণ ও কিশোর শিক্ষার্থীদের কর্ম উদ্যোগে ১ম আনুষ্ঠানিকভাবে পরিষদের পরিচালনা, উপদেষ্ঠা ও কার্য়করী পরিষদ গঠন করা হয়।

২৬/০৩/২০১০ ইং তারিখে মহান স্বাধীনতা দিবস উদ্+যাপন ও ইকরা পরিষদ এর অস্থায়ী কার্যলয় ও গণপাঠাগারের শুভ উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন "আর এফ বিল্ডার্স"এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব আলহাজ্ব দেলোয়ার হোসাইন। বিভিন্ন সন্ত্রাসী গ্রুপ এই অনুষ্ঠান ভানচাল করতে ও ইকরা পরিষদ এর কার্যক্রম কে প্রতিহত করার জন্য বিভিন্নভাবে চেষ্টা চালায়।

শিক্ষাবিদ, শিক্ষানুরাগী ও ছাত্রদের দেওয়া প্রায় ১৫০০ বই নিয়ে ছোট্ট এই গ্রামে (প: গাটিয়াডেঙ্গা) ইকরা পরিষদ এর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় ইকরা পরিষদ । জ্ঞানের চর্চার এই ছোট্ট ও তাৎপর্য পূর্ণ প্রতিষ্ঠান এগিয়ে চলে খুব দ্রুত গতিতে।

১৩.০৪.২০১০ইং ও ৩০.০৪.২০১০ইং তারিখে ইকরা পরিষদ এর উদ্যোগে ২ দফায় গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হয়। এটিই বলতে গেলে ইকরা পরিষদের ১ম আর্থ-সমাজিক কার্যক্রম যার কারণে স্থানীয় প্রভাবশালী সন্ত্রাসীদের (আমি এই সন্ত্রাসীদের বর্ণনা আমার অন্য ব্লগ এ দিয়েছি) টার্গেটে পরিণত হয় ইকরা পরিষদ

২০১০ সালে অনুষ্ঠিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উক্ত গ্রামের ২টি স্কুল ও ১টি মাদ্রাসা থেকে ৬জন জিপিএ ৫ সহ পাশের হার ছিল ৯৪% যা ছিল অন্যান্য বারের তুলনায় ও গ্রামের পরিবেশ অনুযায়ী অনেক সন্তেষজনক। ২১.০৫.২০১০ ইং তারিখে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংম্বর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ইকরা পরিষদ এর কার্যকরী পরিষদ। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২১.০৫.২০১০ ইং তারিখে অনুষ্ঠিত হয় ইকরা পরিষদ এর উদ্দ্যোগে কুতি শিক্ষার্থী সংম্বর্ধনা ২০১০ ও স্কুল কুইজ ড্র ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। প্রধান অতিথি হিসেবে আমতন্ত্রন জানানো হয় একই গ্রামের সন্তান কুমিল্লা সেনানিবাসের বর্তমান এক্সিকিউটিভ অফিসার জনাব আবু আহাম্মেদ ছিদ্দিক, প্রধান আলোচক হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয় সাতকানিয়া উপজেলার নির্বাহী অফিসার আহমেদ আজাদ ছাল্লাল সাহেব কে। সভাপতিত্ব করেন "আর এফ বিল্ডার্স"এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব আলহাজ্ব দেলোয়ার হোসাইন। বিশেষ অথিতি রাখাহয় ঐ গ্রামের কৃতি সন্তান রবি (একটেল) এর কক্সবাজার জোনের চিফ ইঞ্জিনিয়ার মাহফুজুর রহমানকে। সবাই ছিল ঐ গ্রামেরই.... কিন্তু নিজ গ্রামের প্রতি এত টান ও আবেগ হয়তো পূর্বে এর কারোরই সৃষ্টি হয়নি কিন্তু অশিক্ষিত, মূর্খরা কখনোই আলোতে আসবেনা। কলমের জোরে যারা এত কিছু করার উদ্যোগ নেয় তাদের চুপ করে দেয় অস্ত্রের ভয়। কারণ তাদের হাতে কলম ছাড়া আজ কিছুই নেই। প্রধান অতিথি ও প্রধান আলোচককে অনুষ্ঠানে আসলে বিভিন্ন অরাজকতা করার হুমকী দেয় ফলে তারা অনুপস্থিত থাকে।

"আর এফ বিল্ডার্স"এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব আলহাজ্ব দেলোয়ার হোসাইন। কে নিয়েই অনুষ্ঠানকে সফলভাবে চালিয়ে নেওয়া হয়। সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা চলাকালে ঐ প্রভাবশালী দের একজন অনুষ্ঠান এ বিশৃংখলা সুষ্টি করে। পরে অনুষ্ঠান শেষ হলে ইকরা পরিষদ এর সভাপতি মো: মুরাদ, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো: সোহেল ও সহ-শিক্ষা সম্পাদক ও প্রগতিশীল

ধারায় বিশ্বাসী হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজে, চট্টগ্রাম এ অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী ফজলে এলাহী রাহাত ও তার মহসিন কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও ইকরা পরিষদ এর প্রকাশনা সম্পাদক ফজলে রাব্বী ইশাত সহ কয়েক জন সদস্যকে মারধর করে ও ইকরা পরিষদ এক কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে গ্রামে রক্তপাত হ্ওয়ার হুমকী দেয়। ২১.০৫.২০১০ ইং রাতে ও পরের দিন সকালে এলাকার গুন্ডারা নিম্ন লিখিত সদস্যদের হুমকী দেয়।
জাবির হোসেন জাবির, অর্ধসম্পাদক
রাষ্ট্র বিজ্ঞান, চট্টগ্রাম কলেজ।

জাকির হোসেন
সাংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক
এলএলবি, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম।
সহ আরো অনেককে....

জ্ঞানের আধার বলে বিবেচিত পাঠাগার রাতের আধাঁরে লুঠ করে ও আসবাব পত্র ভাংচুর করে। ভাবতেই অবাক লাগে এই জাতির ভবিষ্যৎ কোথায়???
প্রসাশন তাদের পক্ষ নেওয়ার কারণে বিষয়টি চাপা পড়ে যায়।

আমার এই ব্লগের কারণে হয়ত আমার জীবন কাল হতে পারে বা আমি আমার জন্মস্থান সেই গ্রাম প: গাটিয়াডেঙ্গায় আর নাও যাওয়া হতে পারে কিন্তু তাই বলে সত্যিকে চাপা দেওয়ার মত দুঃসাহস আমার নেই।

ফজলে রাব্বী ইশাত।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:৪৪
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×