somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

চলো হেঁটে যাই

২৯ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১২:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


হাঁটছিলাম স্টেশন রোডে। ফোনটা বেজে উঠল। মোবাইলের স্কিনে অপরিচিত নাম্বার দেখে রিসিভ করব কি না ভাবতেই কেটে গেল। ব্যালেন্স নাই মোবাইলে তাই ব্যাক করা সম্ভব হল না। মোবাইলটা পকেটে রেখে দিব সেই সময় আবার রিংটোন বাজতেই রিসিভ করলাম। ওপ্রান্ত থেকে ভেসে আসল
হ্যালো, আস সালামু আলাইকুম।
ওয়া আলাইকুম আসসালাম।
কেমন আছো?
ভালো। কে? বলেই চিনে ফেললাম তাকে।
চিনতে পারনি?
অচেনা রে আর চিনব কি করে যতদিন দেখিনি। কেমন আছো?
ভালো। রংপুর আসলে কবে?
এইতো আসলাম ভাওয়াইয়া এক্সপ্রেসে।
এখন নিশ্চয় রাস্তায় হাটছো। কালো প্যান্ট-সাদা শার্ট, সু পরা। ঘাড়ে ব্যাগ। আচ্ছা মুখে খোঁচা দাড়ি কত দিন থেকে সেফ কর না? করবে কখন শুধু ব্যস্ত থাক। আমি দাঁড়ালাম।
তুমি তাহলে আমাকে দেখতেছো। আজ কি তবে দেখা হবে?
না। কিছু না বলে লাইন কেটে দিলাম। মনে পড়ল কিছু দিন আগের কথা। কিডনি জনিত অসুস্থতায় বাড়ি থেকে কোথাও বাহির না হওয়ায় ফেইসবুকে বেশির ভাগ সময় কাটাতাম । তখন ফেইসবুকে তার সাথে পরিচয়। চ্যাটিং করতাম প্রায় সময়। মাঝেমাঝে ফোনে কথা হত। এক সময় ওর সাথে রিলেশনে জড়িয়ে পড়ি। হঠাৎ ব্রেক আপ। তাকে আর ফেইসবুকে খুঁজে পাইনা। যে নাম্বার দিয়ে ফোনে আমার সাথে কথা বলত সেটা তার বাড়ির নাম্বার। সে বাড়িতে থাকত না। রংপুরে আন্টির বাসায় থেকে পড়ত। তাই ফোনেও যোগাযোগ হত না। সে আর আমাকে ফোন দিত না। এক সময় আমাদের আর কোন যোগাযোগ রইল না। অনেকদিন পর ফোন দিয়ে কাছে থেকেও দেখা করবে না। মনটা বিষন্নতায় ভরে গেল। না আর ভাবতে চাই না।
আকাশে মেঘ ছিল। বৃষ্টি পরা শুরু করল। যে যার মত নিরাপদ স্থানে যাওয়ার জন্য অস্থির। আমি বৃষ্টিতে আবারও হাঁটা শুরু করলাম। পিছন থেকে ভেসে আসল,
দাড়াও। তাকাতেই দেখি অপরিচিত একটি সুন্দরী মেয়ে বৃষ্টিতে ভিজে আমার দিকে এগিয়ে আচ্ছে। কণ্ঠটা আমার অতিপরিচিত। যার সাথে কথা বললাম সেই হবে। মুখটা যেন কতকাল আগে থেকে চেনা। এসে আমার হাতটা ধরল। কি করব, কি বলব ভেবে পেলাম না। সেই নিরবতা আবারো ভেঙে বলা শুরু করল
চলো হেঁটে যাই ওগো আজি পিচঢালা পথে
চষিয়ে বেড়াই রংপুর শহর বৃষ্টিতে ভিজে।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১২:১৯
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গল্পঃ প্রত্যাবর্তন

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৮ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৪৪


চন্দ্রা পশ্চিমের বারান্দায় উদাস হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।আকাশে ছড়ানো ছেটানো  মেঘ, সেই মেঘের মতই তার মনটা আজ  বিক্ষিপ্ত ।
ইদানীং মা কি সব সন্দেহ করে তাকে।অকারণই মনে হয় তার কাছে। তারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

যুদ্ধে কেউ জয়ী হয়না, যুদ্ধ বন্ধ হলে মানবতার জয় হয়।

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৩

যুদ্ধে কে জয়ী হয়েছে?

আমার উত্তর খুব সহজ- কেউ না।
যুদ্ধের প্রকৃত বিজয়ী বলে কেউ থাকে না। যুদ্ধ যখন শুরু হয়, তখন শুধু সৈনিক নয়; মায়ের বুক খালি হয়, শিশুর ভবিষ্যৎ ভেঙে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ষো-ল-ব-ছ-রঃ আর কি বর্ষপূর্তি পোস্ট লেখা হবে?

লিখেছেন আমি তুমি আমরা, ১৮ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:০৬



অবাক হয়েই চেয়ে দেখি
কখন এমন হলো?
এইতো আমার ব্লগবাড়ীটার
বয়স হল ষোল।

দুরুদুরু বুকে তখন
খুলেছিলাম ‘নিক’।
ফেলতে পলক, পেরিয়ে গেল
ষোল বছর ঠিক।

ফেসবুক আর ইউটিউবের
আছড়ে পরে ঢেউ।
সামুপাড়ায় এখন কি আর
উঁকি মারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কটা দুলাল

লিখেছেন শেরজা তপন, ১৮ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪১



বাল্য বন্ধু শফির ফোন পাইলেই টেনশনে থাকি। কোন একটা দুঃসংবাদ নিশ্চিত। আর সেটা যদি হয় সকাল বেলা তবে তো কথাই নেই। যদিও আমাদের মধ্যে আন্তরিকতার ঘাটতি নেই মোটেও তবুও... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবন পর্ব -১

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ১৮ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫২



(শালবন ভ্রমণ)
২০১২ সাল। সদ্য পাশ করে বের হয়েছি। কঠিন সময় পার করছিলাম। এদিক-সেদিক স্টেজ শো করে যে পেমেন্ট পেতাম, বাড়িতে ফিরতে ফিরতেই প্রায় শেষ হয়ে যেত। সকালে মায়ের হাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×