somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কুকুর, চাঁদবন্ধু ও অন্যান্য

১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কুকুর আর চাঁদের ভিতরে খুব বেশি পার্থক্য নেই। চাঁদ রাত জেগে জেগে পৃথিবীটাকে পাহারা দেয় আর কুকুর জেগে জেগে পৃথিবীর মানুষদেরকে পাহারা দেয়। কুকুর ও চাঁদের ভিতরে বন্ধুত্বে ও ভাবের এটাই শুরু আদিকাল থেকেই। এ কারণ থেকে কুকুরটি সারারাত চাঁদের সাথে কথা বলে, হাসে, মাঝে মাঝে কেঁদে ওঠে আর চাঁদও সান্তনা দেয়, দু’জনের সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নেয়। রাত গভীর হলে কুকুরটি খুব জোরে চিৎকার দিয়ে চাঁদকে নিচে নেমে আসতে বলে। আর চাঁদ তার আলো আরো বেশি ছড়িয়ে জানান দেয় আমিও তোমার পাশে আছি বন্ধু, আর ডেকোনা। দেখো পৃথিবীর মানুষেরা কতো পবিত্র ঘুমে আচ্ছন্ন। এসো আমরা খুব গোপনে কথা বলি। আমাদের যতো কথা থাকে। এভাবেই চাঁদ ও কুকুরের ভিতরে প্রতিদিন কথা হয়। তারা পরস্পর আরো ঘণিষ্ঠ হয়। কুকুর চাঁদটিকে খুব ভালোবাসে, আর চাঁদ কুকুরটিকে আরো আলোকজ্জ্বল করে তোলে। পৃথিবীতে সেদিন কি ঘটেছিলো তা আমাদের জানা নেই। যখন অমাবশ্যা নামে তখন কুকুরটির ভয় হয়। ভীষণ ভয়। আজ সে একা। এমনি এক রাতে কারা যেন একটি লাশ ফেলে গেলো, ঠিক যেখনাটায় বসে কুকুরটি চাঁদকে কাছে ডেকে কথা বলে।

লাশ! যে লোকটি আজ লাশ হয়ে এখানে এলো, এক সময় কুকুরটির সাথে সে লোকটিরও ভাব ছিলো। প্রতিদিন সকালে রুটি ছিড়ে ছিড়ে ওকে খাওয়াতো। এসব কথা ওর মনে পড়ছে। হ্যাঁ এই লোকটাই একদিন তাকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিলো পাহাড়ের উপরে। চাঁদের সাথেই পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলো। কুকুরটি অঝোরে কাঁদছে। পাশে কেউ নেই। মেঘের ওপারে যে চাঁদটি লুকিয়ে আছে তাকে চিৎকার দিয়ে ডাকছে আর কাঁদছে। চাঁদের ও কোন সাড়া-শব্দ নেই। লাশের পাশে বসে কুকুর আরো বেশি চিৎকার দিয়ে কাঁদছে। একদিন এই লোকটি খুব দূরে প্রবাহিত একটা নদীর কাছে গিয়ে তাকে দেখালো কিভাবে নদীরা কাঁদে। কিভাবে নদীরা মা’কে ডাকে, প্রণাম করে। মায়ের আঁচলে খুব যতেœ ঘুমায়। এসব ঘুমের অজস্র বর্ণনা কুকুরের কাছে সে করেছে।

কুকুরের ভিতরে অজস্র কৃতজ্ঞতা থাকে। মানুষ বোঝেনা। লাশের সারা শরীরে কোন ক্ষতচিহ্ন নেই। তার মুখের কাছে কুকুরটি তার মুখ রাখে। কোন গন্ধও নেই। সারা শরীর খুব তীক্ষè নজরে দ্যাখে কোন আঘাতের দাগও নেই। তাহলে লোকটি মরলো কিভাবে, কে তাকে মেরে ফেললো? কারা তাকে এখানে নিয়ে এলো? কতোগুলো চিন্তা তাকে বেশ আক্রমণ করে। সে একবার এদিকে ছুটছে আরেকবার অন্যদিকে ছুটছে। কাউকে দেখতে পাচ্ছেনা। আশে পাশে কেউ নেই। কোন মানুষ নেই। কি করবে কুকুরটি এখন? ভাবনায় আসেনা। একবার নদীর কাছে ছুটে গেলো। লোকটি যে নদীকে তার মা বলে সম্বোধন করে, মায়ের মতো নদীকে শ্রদ্ধা করে। হয়তো একমাত্র নদীটি জানে তার মৃত্যুর খবর আর কি কারণেই বা তার মৃত্যু ঘটেছিলো।

নদীর কাছে বিনম্র শ্রদ্ধায় অবনত হয়ে কুকুরটি ফ্যালফ্যাল করে চেয় থাকে। নদী ধীরে আরো ধীরে প্রবাহিত হয়ে যাচ্ছে। চলে যাচ্ছে অন্য কোন দিকে। কুকুরটিও ছুটছে যে দিকে নদীটি চলে যাচ্ছে। চিৎকার করছে। সে কি চিৎকার! নদী কথা বলছেনা। কাঁদছে। নদীর কান্না খুব সুর হয়ে বাজে হৃৎপিণ্ডের গহীন ভিতরে। কুকুরটি অনুভব করছে। তীব্র অনুভবে আরো বেশি চিৎকার করছে। মানুষের মতো হাউমাউ করে কাঁদছে। তবুও নদী নিরুত্তোর। আজ নদীর কী হয়েছে? কথা বলছেনা কেন? তার ভিতরে সন্দেহ হয়, এই নদীই বুঝি মানুষটির হত্যাকারী। সে এবার আরো স্তব্ধ হয়ে ওঠে।

লাশের কাছে কুকুরটি ফিরে আসে। এবার দ্যাখে লাশটি ঘামছে। তার ঘামে নিচের মাটি ভিজে যাচ্ছে। কুকুরের ভিতরে আরো ভয় বেড়ে সে ক্রমশ হাঁফিয়ে ওঠে। এখন রাত গভীর। একা কি করবে বুঝতে পারছেনা। লাশটিকে কবর দেবে নাকি পাহারা দেবে। লাশের ঘাম কুকুরটি শুঁকে দ্যাখে। গোলাপ ফুলের গন্ধ। ঘামে গোলাপের গন্ধ, কুকুরটি বুঝতে পারছেনা কেন এই গন্ধটা। হটাৎ মনে পড়লো একটি গোলাপ বনে লোকটি প্রায়ই যেতো। একটি গোলপের সাথে প্রায়ই কথা হতো। ভালোবাসার কথা। গোলাপকে খুব বেশি ভালো বাসতো। আর গোলাপ ওকেও খুব ভালোবাসতো। কুকুর গোলাপকে চেনে। লোকটি একদিন ওই গোলাপের সাথে সঙ্গম করবে বলেছিলো। ফলে সে চিরোকাল চিরোযৌবনের অসম্ভব শক্তি লাভ করবে। হাজার হাজার গোলাপ গাছের ভিতরে ওই গোলাপ কখনো ঝরে পড়েনা। কেউ ওকে ছিঁড়তে গেলে মুহূর্তে সে নিজেকে গাছের শরীরে লুকিয়ে রাখে। যাতে কেউ ওকে দেখতে না পারে। এভাবে গোলাপটি দস্যুর হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করে। প্রতি পূর্ণিমায় অসম্ভব জোছনা সারা শরীরে মেখে স্নান করে। একেবারে নিজেকে উলঙ্গ করে দেয়। নাচে, গান করে। একমাত্র এই লোকটাই গোলাপের এই উলঙ্গ শরীর দ্যাখে অনেক বেশি মাতাল হয়ে যায়।
কুকুরটি ছুটে গেলো গোলাপ বাগানের দিকে। আশ্চর্য! গতকালও যে বাগানটি ছিলো ফুলে ফুলে সুরভিত, ফলের সৌরভে গ্রামের মানুষদেরকে স্পর্শকাতর করে তুলতো আজ সেখানে গোলাপ বাগান নেই। খুটখুটে বিরাণ ভূমি। কোথায় গেলো বাগানটি? কুকুর ভাবতে থাকে। এমনটিতো হবার কথা ছিলো না। বাগানের মাঝে যে চৌচালা ঘরটি ছিলো সেটিও নেই। তাহলে গোলাপেরা গেলো কোথায়? উত্তর মেলে না। কুকুরটি ফিরে এলো লাশের কাছে। এবার কুকুরটি সেই ঘাম আর দেখলো না। মৃত: শরীরে কোন গন্ধও নেই। আবার লাশটিকে ভালো ভাবে সে দেখলো। হঠাৎ কপালে একটা ক্ষত চিহ্ন দেখতে পেলো। অনুভব করার চেষ্টা করলো। তাহলে কি কেউ মাথায় আঘাত করলো? কিন্তু সামান্য এই আঘাতে মৃত্যু হবার কথা নয়। রক্ত ঝরছে। তাজা রক্ত। মনে হচ্ছে এইমাত্র তাকে কেউ আঘাত করেছে। কপাল বেয়ে মাটিতে রক্ত পড়ছে। লাল রক্ত। ধীরে ধীরে কালচে আকার ধারণ করছে। কুকুরটি বুঝতে পারছেনা মৃত মানুষের কপাল থেকে ঘামের মতো কিভাবে রক্ত ঝরে?

লোকটির সাথে কুকুরের যেরকম সখ্যতা ছিলো তাতে কুকুরটি ভালোভাবেই জানে লোকটির কোথায় কোথায় যতায়ত ছিলো। এরকম সখ্যতা মানুষে মানুষে খুব কম থাকে। একজন পুরুষ বন্ধুর মতো লোকটির সাথে কুকুরও ঘুরে বেড়াতো পাড়ায় পাড়ায়। লোকটি যখন পতিতালয়ে যেত কুকুরটি তখন অই পল্লীর গলির মুখে দাঁড়িয়ে থাকতো। নানান রঙের পতিতাদের সাথে কুকুরটির বেশ ভাব ছিলো। ওরাও কুকুরটিকে বেশ ভালোবাসতো। খেতে দিতো। মাঝে মাঝে লোকটিকে ও যখন খুঁজে পেতোনা তখন এ গলির মাথায় এসে দাঁড়ালে পতিতারা তাকে বলে দিতো আজ নাগোর আসেনি কিংবা আজ কার ঘরে রয়েছে। একদিন লোকটিকে কোথাও খুঁজে পাচ্ছিলোনা। পতিতালয়ে, গোলাপ বাগানে কিংবা নদীর ধারে। কোথাও সে নেই। তাহলে কোথায় গেলো লোকটি? কুকুর ছুটে চললো এ পাড়া থেকে ও পাড়ায়। হঠাৎ দুপুরের দিকে একটি প্রাচীন বৃক্ষের সাথে কথা বলতে দ্যাখে। বৃক্ষটিও লোকটির সাথে কথা বলে। বাতাস দেয়। কুকুরটি হাফ ছেড়ে বাঁচলো। সে ঘেউ ঘেউ করে তার উপস্থিতি জানান দেয়। আনন্দে ধূলোর উপর গড়াগড়ি খেলো কিছুক্ষণ। তারপর লেজ নাড়তে নাড়তে লোকটির পিছন ঘেঁষে দাঁড়ালো।

বৃক্ষটি আরো বেশি দুলতে থাকে। কথা বলছে লোকটির সাথে। কি কথা তার সাথে? বৃক্ষটির পায়ের কাছে মাথা ঠুকিয়ে ঠুকিয়ে কাঁদছে সে। সেদিন কুকুরটি তার মাথা থেকে যেভাবে রক্ত বের হতে দেখেছে, গড়িয়ে গড়িয়ে রক্তে মাটি ভিজে গেছে, রক্তের রঙ লাল থেকে যেভাবে কালচে হয়ে গেছে আজও ঠিক সেরকম লাগছে। কুকুরটি ভাবছে তাহলে অই প্রাচীন বৃক্ষটি হয়তো জানে আসলে প্রকৃত ঘটানাটা কি ঘটেছিলো। উপায়ন্তু না দেখে কুকুরটি ছুটে চললো বৃক্ষের কাছে। আবার ফিরে এলো। কেন জানি কুকুরটি যেতে চাইছেনা। ওর ভিতরে আবারো ভয় ঢুকে যাচ্ছে। একবার দৌড়াতে শুরু করে আবার ফিরে আসে। আবার কিছুদূর দৌড়ে ফিরে আসে। অবশেষে কুকুরটি ছুটে গেলো প্রাচীন বৃক্ষের দিকে।
রাস্তার মাঝখানে হঠাৎ সে থেমে গেলো। ঠিক এই পথ তার কাছে অপরিচিত লাগছে। এটাতো নদীঘাটের পথ। আমি এই দিকে যাচ্ছি কেন? ও পথ হারিয়ে ফেলেছে। আবারপিছনে ফিরে এসে অন্যপথে ছুটে গেলো। ছুটতে ছুটতে আরো কিছুদূর সামনে গিয়ে পথ চিনতে পারছেনা। ক্রমশ পথ হারিয়ে ফেলছে। অবশেষে অনেক কষ্ট করে পথটি খুঁজে পেলো। আরো কিছুদূর সামনে হয়তো বৃক্ষটির দেখা পাবে।

কিন্তু এখানে এসেও কুকুরটি বিভ্রান্ত হলো। এখানে সেই প্রাচীন বৃক্ষটি আর নেই। গতকাল নাকি এই বৃক্ষটিকে কেউ হত্যা করেছে। কি কারণে এমন নৃশংস হত্যাযজ্ঞ? কে বা কারা এই কাজটি করলো কেউ জানে না। বৃক্ষটির অপরাধ কি ছিলো তা আমাদের জানা নেই। আহা! অপরাধী বৃক্ষ! মানুষ তোমাকে বুঝলো না। কুকুরটি এভাবে ধীক্কার জানাতে থাকে। আর ঘেউ ঘেউ করে চিৎকার দিতে থাকে। বৃক্ষটির এ অবস্থা দেখে কুকুরটি গোঙাতে থাকে। চোখ থেকে ক্রমাগত রক্ত ঝরছে। সে তার কান্না থামাতে পারছেনা। অন্ধকার রাতজুড়ে চারিদিকে কেবল তার কান্না শোনা যায়।

আবার লাশের কাছে কুকুরটি ফিরে আসে। এবার লাশটি বরফের মতো শীতল হয়ে যাচ্ছে, আর দূর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। লোকটির পাশে বসে বসে কুকুরটি কাঁদছে। মাঝে মাঝে চিৎকার দিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে। সে এবার লাশটিকে কবর দেবার সিদ্ধান্ত নিলো। নখের আচড় দিয়ে মাটি খুঁড়তে শুরু করলো। মাটি খুঁড়তে খুঁড়তে কুকুর হাফিয়ে উঠছে। তবুও রাত শেষ হবার আগেই লাশটিকে কবর দিতে হবে। তা না হলে মানুষেরা এই লাশ নিয়ে টানা-ছেড়া শুরু করবে। সঙ্গত কারণেই কুকুরটি আরো ব্যস্ত হয়ে উঠলো। মাটি খুঁড়তে খুঁড়তে সে ভয়ানক ক্লান্ত হয়ে ওঠে। তবু বিশ্রাম নেই। শেষ রাতের দিকে কুকুরটি মাটি খোঁড়া শেষ করলো। তারপর লাশটির কাছে ছুটে এলো। কিন্তু কোথায় লাশ? কেউ নেই। যেখানে লাশটি দূর্গন্ধ ছড়াচ্ছিলো সেখানে লাশ নেই। কুকুরটি কি করবে ভেবে পাচ্ছেনা। লাশটিকে কারা নিয়ে গেলো বুঝতে পারছেনা। কিছুক্ষণ দৌড়াদৌড়ি করলো এদিক সেদিক। কাউকে দেখতে পাচ্ছে না। সম্ভবত: যারা লাশটি এখানে ফেলে গেলো, ওরা লাশ সরিয়ে ফেলেছে। কুকুরটি অঝোরে কাঁদছে। ধীর পায়ে পাহাড়ের মাথায় এসে তার চাঁদবন্ধুকে ডাকছে আর কাঁদছে।
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×