.......একটা অটো রিক্সার জন্য দাড়িয়ে আছে তুর্জ । তার কাঁধে স্কুল ব্যাগ। আজকে তুর্জকে দেখতে খানিকটা বাচ্চা বাচ্চা লাগছে । কিন্তু চোখের উপর বড় ধরনের চশমাটার জন্য তুর্জকে গুণী লেখকের মতো দেখাচ্ছে । দেখতে দেখতেই সে একটা অটোতে চড়ে বসলো । তুর্জের গন্তব্য ছিল অজানা । মাঝে মাঝেই তুর্জ কাউকে না বলেই বাড়ি ছেড়ে বেড়িয়ে পড়ে অজানা কোনো এক জায়গায় । যেখানে কিছুদিন একাকীত্বের সাথে আনন্দ করা যাবে । তুর্জ হঠাৎ অটোরিকশা থেকে নেমে পড়লো । রেল-স্টেশন দুর থেকেই দেখা যাচ্ছে । ইচ্ছে করলেই সে স্টেশনে নামতে পারতো । কিন্তু তুর্জ তা করলো না । এখন এই প্রখর রোদের ভীতর সে হেঁটে হেঁটেই পৌঁছাবে স্টেশনের প্লাটফর্মে । তুর্জের নাকি দুর থেকে স্টেশন দেখতে খুব ভাল লাগে । ঐ টা যেনো সবাইকে হারিয়ে যাওয়ার জন্যই ইঙ্গিত দেয় । দেশের যেকোনো প্রান্তে হারিয়ে যাওয়া যায় স্টেশন থেকে। টিকিট না কেটেই তুর্জ ট্রেনের একটা যানজট পূর্ণ বগিতে উঠে পড়লো । অনেক স্বতঃস্ফূর্ত একটা ছেলে উদ্দেশহীন গন্তব্য তার। হঠাৎ করে টিকিট চেক করতে আসলো । তুর্জ খুব সহজ ভাষায় বুঝিয়ে দিলো তার কাছে কোনো টিকিট নেই । টিকিটের পরিবর্তে টাকা দিতে চাইলে তুর্জকে পুলিশে দেওয়ার হুমকি দেয় টিটি । তুর্জ নিরুপায় দাড়িয়ে মজা নিচ্ছে বাস্তবতার । টিটি পরের স্টেশনে তুর্জকে নেমে যেতে বলে চলে গেলো । তুর্জ তার বিন্দু মাত্র চিন্তা না করেই সে জানালা বেয়ে পৃথিবী দেখছে । কি অদ্ভুত পৃথিবী তাই না। সব জায়গাতেই একই গাছপালা তবুও যেনো একেক যায়গার গন্ধটা একেক রকম । হঠাৎ করে একটা খোলা হাওয়ায় তুর্জের মুখ ওড়না দিয়ে মুড়িয়ে গেলো । লাল ওড়না তুর্জকে অপ্রস্তুত করে দিয়েছে। কি করবে সে বুঝতে পারলো না। হঠাৎ করে মেয়েটি তুর্জের মুখ থেকে ওড়নাটা সরিয়ে নিলো । তুর্জ দীর্ঘ নিঃশ্বাস নিয়ে মেয়েটির দিকে তাকালো। কখন যে এই মেয়েটি এখানে বসেছে তা তুর্জের বলার ক্ষমতা নেই । মেয়েটি তুর্জকে সরি বললো । তুর্জ ছোট বাচ্চাদের মতো হাসি দিয়ে বললো its ok. লাল পোশাকে যে মেয়েদের সুন্দর লাগে তা সবাই জানে। কিন্তু এই মেয়ে যে কতটা সুন্দর তা কেউ জানে না । ট্রেনের গতি ধীরে ধীরে কমে আসছে । হয়তো সামনেই প্লাটফর্ম । তুর্জকে নেমে যেতে হবে। তাই সে মেয়েটির সাথে বেশি আলাপ করলো না । একটি যানজট পূর্ণ ট্রেনের বগি আস্তে আস্তে খালি হয়ে যাচ্ছে । কিন্তু দুজনের কেউ ই এখন উঠছে না। কেউ কারও সম্পর্কে জানে না । প্রথম দেখাতে দুজনে নির্বাক । ধীরে ধীরে আবার ট্রেনের গতি বাড়ছে । দুজনেই বসে আছে আগের মতো । এই ভালবাসার অদ্ভুত দৃশ্য কে এঁকেছিলো তা জানা নেই । ট্রেন চলছে তার আপন গতিতে আর তুর্জ আর সেই মেয়ে এখনো স্থির বসে আছে ।
নীরবতা
ট্রমাটিক নন্দনতত্ত্বের ব্যবচ্ছেদ

শহুরে জ্যামিতির প্রতিটি কোণে আজ এক বিমূর্ত হাহাকার, যেখানে আমাদের ছায়াগুলোও বড্ড বেশি অচেনা আর পরাবাস্তবতার মতই নির্জীব। রক্তিম গোধূলির কার্নিশ বেয়ে চুইয়ে পড়ে এক আধো-চেনা ট্রমা, যেন কোনো এক... ...বাকিটুকু পড়ুন
হাওড়া স্টেশনের স্মৃতি

মায়ের সাথে স্মৃতির শেষ নেই। আজ মা দিবস উপলক্ষে, মাকে নিয়ে ঘুরতে গিয়েছিলাম সেই স্মৃতি নিয়ে কিছু কথা লিখছি।
হাওড়া স্টেশন। মা, সাহস, নিপু, আমি। প্রচণ্ড ভীড়ের ভিতর আমরা হাঁটছি।... ...বাকিটুকু পড়ুন
অতল সমুদ্রের প্রতিধ্বনি: ছায়ার প্রত্যাবর্তন
হাতিয়ার লক্ষ্মদীয়া গ্রামে ৫ মে-র বিকেলটা ছিল অস্বাভাবিক গুমোট। মেঘের আড়ালে সূর্য লুকানোর আগেই খবর এল—৫৪ বছর আগে নিখোঁজ হওয়া ছৈয়দ আহম্মদ ফিরে এসেছেন। বাড়ির উঠানে ৮৩ বছরের এক বৃদ্ধ... ...বাকিটুকু পড়ুন
মি মোদিজ্বির দেশ বাঁচাও আহবান এবং বাংলাদেশ সরকারকে কিছু কথা!
কার্য্যত গত কয়েক দিন আগে হায়দারাবাদে এক জনসভায় মি মোদি প্রথম স্বীকার করেন যে, বর্তমানে ইন্ডিয়ার আর্থিক অবস্থা এখন অত্যন্ত দূর্বল এবং সেখানে তিনি ভাষনে দেশবাসীকে কিছু কথা বলেন যা... ...বাকিটুকু পড়ুন
তোমার যুগল আঁখি
পৃথিবীতে যত মাদক রয়েছে নিষিদ্ধ তার সবি।
নিষিদ্ধ কেন হয়নিকো তবে তোমার যুগল আঁখি?
— শ্রাবণ আহমেদ ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।