somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ক্রিকেট প্রসঙ্গ: ............ভারতকে অভিনন্দন এবং......

২০ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ১:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একজন দূর্বলকে একজন সবল শক্তিতে হারিয়ে দিচ্ছে দারুণ প্রতাপে,এমন দৃশ্য দেখতে ভাল্লাগেনা আমার। তাই বড় দলগুলোর সাথে ছোট দলগুলোর ক্রিকেট দেখা হয়না তেমন। গতকালও দেখিনি ভারত-বারমুডার খেলা তাই। ভারতের এখন অপমানের বোঝা মাথায় পাগল অবস্থা, আমার তেমনি মনে হয়েছে। আর অপমানের প্রতিশোধ নিতে ঝাপিয়ে পড়বে বারমুডার উপর এমন আশংকাই করছিলাম। এবং মনেহয় খানিকটা তাই হয়েছে। ভারতের এক বিশাল রানের পাহাড় হয়েছে, রেকর্ড হয়েছে সব্র্বোচ্চ রানের। হয়ত পাশাপাশি আরও কিছু রেকর্ড করেছে,এত হিসাব জানিনি।

হ্যাঁ,অভিনন্দন জানাই ভারতকে এ বিশাল জয় উপলক্ষে। তবে ঐ যে, এক দূর্বল প্রতিপক্ষকে পরম শক্তিতে পরাজিত করার এঘটনা আমার ভালো লাগেনি, মনেহয়েছে এ নিরস্ত্র কারও উপর অস্ত্র নিয়ে ঝাপিয়ে পড়া, যদিও জানি এ এক খেলা মাত্র। কিন্তু ভারতের কাছে এতো শুধু খেলা না, তাই তো তাদের এ বীরত্বের অংশবিশেষও বিক্রি হয়েছে দারুন সব নামে কম্পানীর কাছে। তাও যদি তাদের ব্যবসার ক্ষতি খানিকটা পোষায়!

পাকিস্তান হারায় খুশি হয়েছিলাম। ক্রিকেট খেলা নিয়ে এদেশে মূলত ভাগ ছিলো দুইটা। কেউ ভারতের সাপোর্টার, আর কেউ পাকিস্তানের। আমি এমনও কিছু মানুষ দেখেছি, বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলার পরও সাপোর্ট করেছে পাকিস্তান বা ভারতকে। জিততে তো সবাই চায়, আর দীর্ঘদিনের অভ্যাস, বুঝতাম তাদের অবস্থা। এবারের খেলা থেকে পাকিস্তান বাদ পড়ায় ভেবেছিলাম অন্তত তারা দ্্বন্দ্বহীণ বাংলাদেশকে এখন সাপোর্ট করবে। কিন্তু, খুশি হলেও ওদের পরবতর্ী সব অবস্থা দেখে মায়াই লাগছিলো। আর মনে মনে চাইছিও তাই শেষ খেলায় অন্তত পাকিস্তান জিতুক জিম্বাবুয়ের সাথে, আয়ারল্যান্ডের দ্্বিতীয় রাউন্ডে ওঠাটাও নিশ্চিত হউক একেবারে।

কালরাতে শোবার আগে ভারত-বারমুডার খেলার শেষটা জেনে ঘুমাতে যেতে পারিনি। জানি সম্ভব না, তবু মনে মনে ভাবছিলাম, ভারত এআসর থেকে এই খেলাতেই বাদ পড়লে সবচেয়ে ভালো হতো। খুব খুশি হতাম যদি বারমুডা ভারতের এ বিশাল রানের পাহাড় টপকে হেসে উঠতো।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৮টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সীমিত মগজ, লিলিপুটিয়ান, ডোডো পাখি (সৌজন্যে - চাঁদগাজী)...

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:২৯



১. যেনা করব আমরা, ৫০১-এ যাব আমরা, পার্কে যাব আমরা। তুমি তো আলেম। তুমি কেন যাবে? তুমি তো ইসলামের সবক দাও সবাইকে। তুমি মাহফিলে কোরআন, হাদীস বয়ান কর। তুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×